দৃষ্টি প্রতিদিন
সর্বশেষ

 সারাদেশ সারাদেশ

মতামতমতামত

দাসত্ব নয়, নিজের ইচ্ছেই হতে পারে আগামীর হাতিয়ার

​বেকারত্বকে অভিশাপ হিসেবে চিহ্নিত করার সনাতন ধারণাটি আজ অত্যন্ত জীর্ণ ও অপ্রাসঙ্গিক। আধুনিক সমাজব্যবস্থায় একে বরং একটি প্রবল প্রাণশক্তির স্থবিরতা বা সুপ্ত আগ্নেয়গিরির নীরবতার সঙ্গে তুলনা করা চলে। আমাদের চারপাশর শিক্ষিত তরুণদর বিশাল একটি অংশ যখন কবল একটি নির্দিষ্ট দাপ্তরিক পদর আশায় প্রহর গান, তখন তাদর ভতর থাকা অসীম সজনশীলতা ধুলাবালি পড় ফিক হয় যায়। প্রকত অর্থ, শিক্ষার মূল নির্যাস হলা মানুষর চিÍার বদ্ধ দুয়ারগুলা খুল দওয়া এবং তার মানসিকতার দিগÍক প্রসারিত করা। জ্ঞান অর্জনর সার্থকতা কেবল একটি নিটোল চাকরি প্রাপ্তির মাঝে লুকিয়ে নেই; বরং তা লুকিয়ে আছে জীবনের প্রতিকূলতাকে মোকাবিলা করার সাহসে। আমরা যখন পড়াশোনা করি, তখন আমাদের মস্তিষ্ক শাণিত হয় নতুন কিছু উদ্ভাবন করার জন্য, অন্যের আজ্ঞাবহ হয়ে জীবন পার করার জন্য নয়। শিক্ষার আলো যদি মনের অন্ধকার ও হীনম্মন্যতা দূর করতে না পারে, তবে সেই পা-িত্য কেবল একটি ভারী বোঝা ছাড়া আর কিছুই নয়।​এই জীবনযুদ্ধে জয়ী হওয়ার জন্য সবচেয়ে বড় যে অস্ত্রের প্রয়োজন, তা হলো মানুষের অদম্য ইচ্ছাশক্তি। ইচ্ছাশক্তি হলো এমন এক অদৃশ্য জ্বালানি, যা মানুষকে অসম্ভবকে সম্ভব করার প্রেরণা জোগায়। যার ভেতরে আকাশ ছোঁয়ার প্রবল ইচ্ছে আছে, তাকে কোনো দেয়ালই আটকে রাখতে পারে না। ইতিহাস সাক্ষী দেয়, পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সব উদ্ভাবনের মূলে ছিল একক কোনো মানুষের প্রবল জেদ। একজন মানুষের যদি নিজের ওপর বিশ্বাস থাকে এবং তার যদি লক্ষ্য অর্জনের তীব্র আকাক্সক্ষা থাকে, তবে অভাব কিংবা প্রতিকলতা তার পথ কানা বাধা হয় দাঁড়াত পার না। ইছাশক্তি থাকল শূন্য হাতও বিশাল সাম্রাজ্যর স্বপ দখা যায়, আর ইছ না থাকল অঢল সুযাগর মাঝও মানুষ ¯বির হয় থাক। তাই বকারত্ব ঘাচানার প্রথম পাঠ হলা নিজর মনর ভতর সই সুপ্ত সম্ভাবনাক জাগিয় তালা, যা পরাজয় মানত নারাজ।​বিশ্বের মানচিত্রে তাকালে আমরা এমন অনেক কিংবদন্তির দেখা পাই, যারা চাকরির মোহ ত্যাগ করে নিজের সৃজনশীলতাকে পুঁজি করে বিশ্বজয় করেছেন। আজ আমরা যে প্রযুক্তিনির্ভর পৃথিবীর সুবিধা ভোগ করছি, তার নেপথ্যে থাকা মানুষগুলোর অনেকেই তথাকথিত প্রাতিষ্ঠানিক চাকরির পেছনে ছোটেননি। কেউ নিজর বাড়ির গ্যারজ বস পথিবীর শ্রষ্ঠ কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গড়ছন, কউ আবার বিশ্ববিদ্যালয় ছড় দিয় সামাজিক যাগাযাগর নতুন জগত তরি করছন। এদর সবার সাধারণ বশিষ্ট্য ছিল তারা অন্যর অধীন কাজ করার চয় নিজর স্বপক বাস্তব রপ দওয়াক বশি প্রাধান্য দিয়ছিলন। শুধু বিদশ কন, আমাদর নিজ দশও এমন অনক উদাহরণ রয়ছ। কত তরুণ আজ চাষবাসর আধুনিকীকরণ কর সফল খামারি হিসব আত্মপ্রকাশ করছন। তারা প্রমাণ করছন য, একখ- উর্বর জমি আর অদম্য ইছাশক্তি থাকল একটি নিয়াগপত্রর জন্য করুণা ভিক্ষা করার প্রয়াজন পড় না। যারা আজ হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান করছেন, তাদের শুরুটাও ছিল অতি সামান্য। তারা আমাদের শেখায় যে, নিজের ইচ্ছেটাই হলো আসল পুঁজি।​চাকরি না পাওয়াকে যারা জীবনের অন্তিম পরাজয় মনে করেন, তারা আসলে নিজেদের ক্ষমতার পরিধি সম্পর্কে সচেতন নন। কোনো কোনো যুবক চাকরি না পেয়ে অন্য কানা সজনশীল পশা বা বাণিজ্য নামত এক ধরণর আত্মগ্লানি বা লজ্জাবাধ করন। এই লজ্জাই হলা উনতির পথ সবচয় বড় বাধা। য হাত দিয় কলম চালানা শখা হয়ছ, সই হাত যদি লাঙল ধর কিংবা কানা নতুন সামগ্রী তরির কারখানায় য¿ ঘার, তব তাত হীনম্মন্যতার কিছু নই। লজ্জা থাকা উচিত অলসতায়, লজ্জা থাকা উচিত পরনির্ভরশীলতায়। শ্রমর কানা জাত নই, কানা ধর্ম নই। ঘাম ঝরানা প্রতিটি বিদু যখন মাটিত পড়, তখন তা কবল ফসলর জন্ম দয় না, বরং এক একজন যাদ্ধার বীরত্বগাথা লখ। পরগাছা যমন অন্যর ডালপালা বয় বড় ওঠ, কি কানাদিন বনর রাজা হতে পারে না, তেমনি যে মানুষ কেবল অন্যের দেওয়া বেতনের ওপর নির্ভর করে থাকে, সে জীবনের প্রকৃত স্বাধীনতা কোনোদিন উপভোগ করতে পারে না।​চাকরিপ্রার্থী না হয়ে চাকরিদাতা হওয়ার যে আনন্দ, তার তুলনা কোনো উচ্চবেতনভোগী পদের সাথে হতে পারে না। এটি কেবল একটি জীবিকার সংস্থান নয়, বরং এটি একটি নীরব সামাজিক বিপ্লব। একজন সাহসী উদ্যাক্তা যখন তার ছাট একটি ঘর থক স্বপর বীজ বুনত শুরু করন, তখন তিনি কবল নিজর অনর সং¯ান করন না, বরং তার সই স্বপর মহীরুহর ছায়াতল আরও দশটি পরিবার জীবনর আলা খুঁজ পায়। এই য অন্যর মুখ হাসি ফাটানা এবং সমাজক সচল রাখা, এর চয় বড় গর্বর বিষয় আর কী হত পার? উদ্যাক্তা হওয়ার পথটি হয়তা পুষ্পশয্যা নয়, এই পথ রয়ছ কণ্টকাকীর্ণ বাধা ও অনিশ্চয়তা। কি এই কণ্টকাকীর্ণ পথ পার হওয়ার পরই য দিগÍর দখা মল, তার সদর্য অতুলনীয়। নিজর মধা আর অদম্য জদক পুঁজি কর যখন কেউ একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দাঁড় করায়, তখন সে আর ভিড়ের অংশ থাকে না, সে নিজেই একটি মাইলফলক হয়ে ওঠে।​আর্থিক অস্বচ্ছলতা অনেক সময় উদ্যমী প্রাণের সামনে হিমালয়ের মতো বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে, মানুষের সংকল্পের কাছে পাথরও হার মানে। পুঁজির অভাব বড় বাধা হতে পারে, কিন্তু তা পথচলা থামিয়ে দেওয়ার কোনো অজুহাত হতে পারে না। যার সঠিক পরিকল্পনা আছে এবং যার চোখে সফল হওয়ার নেশা আছে, তার জন্য পৃথিবী নিজেই পথ তৈরি করে দেয়। বর্তমানে সমবায় ভিত্তিক উদ্যোগ বা যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে বড় বড় অসম্ভবকে জয় করা সম্ভব হচ্ছে। একা যদি কোনো বিশাল পাথর সরানো না যায়, তবে দশটি সমমনা হাত এক হলে তা নিমেষেই সম্ভব হয়। এছাড়া বর্তমানে বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক সাহায্য ও ঋণের সুব্যবস্থা রয়েছে, যা একজন নতুন কর্মবীরকে পথ দেখাতে পারে। কিন্তু ঋণের চেয়েও বড় প্রয়োজন হলো অদম্য স্পৃহা। শুরুটা ছোট পরিসরে করলে ভুলের মাসুলও কম দিতে হয় এবং কাজ শেখার সুযোগ মেলে প্রচুর।​সাফল্যের কোনো নির্দিষ্ট রাজপথ নেই; প্রতিটি মানুষ নিজেই নিজের পথের নির্মাতা। আমাদের সমাজের চোখে তুচ্ছ এমন অনেক কাজ আছে, যা শিক্ষিত মানুষের ছোঁয়ায় এক একটি অভাবনীয় শিল্পে পরিণত হতে পারে। কৃষিকে কেবল কাদা-মাটির কাজ মনে না করে যদি আধুনিক প্রযুক্তি আর সৃজনশীলতার সমন্বয়ে একে একটি আধুনিক শিল্পে রূপান্তর করা যায়, তবে তা থেকে অঢেল সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব। আসলে সমস্যাটা কর্মের নয়, সমস্যাটা হলো আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির। আমরা যখন শ্রমের মর্যাদাকে অস্বীকার করি, তখনই আমরা সভ্যতার দৌড়ে পিছিয়ে পড়ি। যে ব্যক্তি নিজের মেধা দিয়ে একটি নতুন পথ তৈরি করে এবং আরও মানুষকে সেই পথে চলার সুযোগ করে দেয়, সে-ই হলো আধুনিক যুগের প্রকৃত ঋষি।​স্বনির্ভরতার এই আলোকযাত্রায় জয়ী হতে হলে প্রথমেই মনের ভেতরের ভীরুতাকে বিসর্জন দিতে হবে। লজ্জা, ভয় আর দ্বিধা এই তিনটিই হলো সফলতার প্রধান শত্রু। যে ব্যক্তি অন্যের সমালোচনাকে ভয় পায়, সে কোনোদিন বড় কিছু করতে পারে না। মানুষ যা বলে বলুক, আপনার লক্ষ্য যদি স্থির থাকে তবে একদিন সেই সমালোচকেরাই আপনার সাফল্যের জয়গান গাইবে। নিজের উদ্যোগকে সন্তানের মতো ভালোবাসুন, তাকে সময় দিন, তাকে সযতেœ লালন করুন। মনে রাখবেন, রাত যত গভীর হয়, ভোরের আলো ততই নিকটবর্তী হয়। বেকারত্বের রজনী পেরিয়ে যে সূর্যের দেখা পাওয়া যায়, তা কেবল নিজের জীবনকে নয় বরং পুরো জাতিকে আলোকিত করার ক্ষমতা রাখে।​আসুন, আমরা হীনম্মন্যতার শেকল ছিঁড়ে ফেলি। আমাদের হাতগুলো অলস বসে থাকার জন্য নয়, বরং এই জগতকে নতুন করে সাজানোর জন্য। নিজের ইচ্ছেটাকে আকাশ সমান বড় করুন, দেখবেন মেঘ কেটে রোদ উঠবেই। শ্রমের মর্যাদা দিয়ে, সঠিক পরিকল্পনায় নিজের ভাগ্য নিজে গড়ি। স্বনির্ভরতার এই মন্ত্রই হোক আমাদের জীবনের মূল চালিকাশক্তি। নিজের ওপর আস্থা রাখুন, সৃজনশীলতার চর্চা করুন; দেখবেন জীবন এক আনন্দময় সার্থকতায় ভরে উঠবে। এই হোক আমাদের প্রতিজ্ঞা, এই হোক আমাদের আগামীর পথ চলার দৃপ্ত অঙ্গীকার। নিজের স্বপ্নের কাছে দায়বদ্ধ হওয়াই হলো প্রকৃত বীরত্ব। যখন আপনি নিজেকে জয় করতে শিখবেন, তখন গোটা পৃথিবী আপনার সামনে নতি স্বীকার করবে। এটাই প্রকৃতির অমোঘ নিয়ম, এটাই স্বনির্ভরতার চিরন্তন দর্শন।নাহিদ হাসান রবিনলেখক কলামিস্ট এবং সাংবাদিক 

‘কাজ শেষ না করে আমরা কোথাও যাচ্ছি না’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করছেন না উল্লেখ করে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, আমরা আমাদের কাজ শেষ না করে কোথাও যাচ্ছি না। শনিবার একনেক বৈঠকের পর হওয়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টিকারী বিষয়গুলো চিহ্নিত করা এবং সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের বিষয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, তিনি চলে যাবেন বলেননি। তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) বলেছেন, আমরা যে কাজ করছি, আমাদের সামনে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাতে অনেক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আমরা সব বাধা অতিক্রম করব।অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর অর্পিত দায়িত্বের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ এর ওপর নির্ভর করছে। আমরা এ দায়িত্ব ছেড়ে যেতে পারি না।পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, আমরা দেখছি বিভিন্ন জায়গা থেকে কী কী বাধা আসছে, কে কী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং আমরা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কী কী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।উপদেষ্টা রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসহ সব পক্ষের সমর্থন চেয়ে বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে থাকা সব শক্তি এবং সব রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে আমরা এ লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করার আহ্বান জানাব। এটা শুধু আমাদের একার দায়িত্ব নয়।ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ আরও বলেন, উপদেষ্টারা স্বপ্রণোদিতভাবে এখানে আসেননি। তবে তাদের একটি জাতীয় দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে এবং তারা তা ছেড়ে যাবেন না।আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের রূপরেখা নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করেননি উপদেষ্টা।

এলডিসির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নীতির পুনর্মূল্যায়ন জরুরি

বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি নীতিমালা  : এলডিসি পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয়তা এবং চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত অধ্যাপক লুৎফে সিদ্দিকী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান।মূল প্রবন্ধে ড. সেলিম রায়হান বলেন, রাজস্ব খাতে সংস্কারের অভাব এবং প্রত্যক্ষ করের মাধ্যমে কর বৃদ্ধিতে সরকারের ব্যর্থতার ফলে পরোক্ষ কর ও আমদানি করের ওপর ব্যাপক নির্ভরতা দেখা দিচ্ছে। প্রতিযোগী দেশগুলোর চেয়ে বাংলাদেশের আমদানি শুল্ক হার অনেক বেশি। রপ্তানি খাতও শুধু তৈরি পোশাকে সীমাবদ্ধ। তাও আবার পোশাকের প্রবৃদ্ধি নগদ প্রণোদনা ও কর ছাড়ের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী চাপ সামলাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি নতুন রপ্তানি পণ্য ও নতুন বাজার খোঁজা উচিত।প্রধান অতিথির বক্তব্যে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যকার কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। তবে যে গতিতে বর্তমানে সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম। সত্যিকার অর্থে শিল্প খাতসহ অন্য সেক্টরে কোনো দীর্ঘমেয়াদে রোডম্যাপ নেই, যা হতাশার বিষয়। এলডিসি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পাশাপাশি সরকারের সংস্থাগুলোর মধ্যকার সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশকে এলডিসি উত্তরণ করতেই হবে। এখান থেকে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। তবে এলডিসি পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের উচ্চমানের তৈরি পোশাক, ওষুধ এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের ওপর বেশি হারে মনোযোগী হতে হবে। তিনি আরও বলেন, এলডিসি উত্তরণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিল্প-কারখানা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা মধ্যে সমন্বয় ও পারস্পরিক আস্থা-বিশ্বাস বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য (কাস্টমস) কাজী মোস্তাফিজুর রহমান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নেন বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের জয়েন্ট চিফ (ইন্টারন্যাশাল কো-অপারেশন ডিভিশন) মসিউল ইসলাম, বেসিসের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, ডেল্টা ফার্মা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. জাকির হোসেন এবং ফকির ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফকির কামরুজ্জামান নাহিদ প্রমুখ।

অনিয়মে জর্জরিত ‘ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স’, ঝুঁকিতে ব্যান্ডউইথ নিরাপত্তা

নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়মকানুন উপেক্ষা করে একে একে আইআইজি, আইটিসি, আইজিডব্লিউসহ ইন্টারনেট-টেলিকম খাতের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স দখলে নেয় আওয়ামী সুবিধাভোগী এ প্রতিষ্ঠান। এসব লাইসেন্স অর্জনে রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক সুবিধা ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।সংশ্লিষ্ট সূত্র ও নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি), দেশের অভ্যন্তরের আইটিসি প্রতিষ্ঠান এবং এয়ারটেল ও টাটার মতো শীর্ষ ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ওয়ান এশিয়ার মোট বকেয়ার পরিমাণ ২৩ কোটি টাকারও বেশি। বিটিআরসির কাছেই এর বকেয়া প্রায় ৪ কোটি টাকা। বিএসসিসিএল-এর কাছে রয়েছে আরও ১ কোটি টাকার বেশি। অপরদিকে টেলিকম জায়ান্ট এয়ারটেল তাদের ১৩ কোটি টাকার এবং টাটা ৫ কোটি টাকার বকেয়া দাবি করছে। এদিকে বকেয়া আদায়ে নানাভাবে চেষ্টা করে না পেয়ে ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স-এর বিরুদ্ধে বিএসসিপিএলসি ঢাকা জেলা জজ আদালতে ‘আরবিট্রেশন মামলা’ দায়ের করে। এর রায়ে তারা জয়ী হয়। সেই রায়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি ‘অ্যাওয়ার্ড এক্সিকিউশন মামলা’ করে, যা এখনো চলমান রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তারা সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, যেন লাইসেন্স বাতিল না হয় এবং তাদের ব্যবসা চালু রাখা যায়। ইতোমধ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে তারা এনওসিও নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিটিআরসির একটি সূত্র।ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স একসময় আইআইজি, আইটিসি ও আইজিডব্লিউ লাইসেন্স নিয়ে টেলিকম বাজারে প্রবেশ করলেও সময়ের সঙ্গে শর্ত লঙ্ঘন করে একাধিক অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। তাদের মালিকানাধীন বেঙ্গল ব্রডব্যান্ড ২০১৬ সালে ডিভিশনাল আইএসপি লাইসেন্স পেলেও নবায়ন না করেই বর্তমানে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি এর মালিকানাধীন প্রিজমা ডিজিটাল নেটওয়ার্কের রয়েছে ন্যাশন ওয়াইড আইএসপি লাইসেন্স।এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বারবার মোবালইল ফোনে কল, হোয়াটসঅ্যাপ ও এসএমএসে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় ওয়ান এশিয়া অ্যালায়ন্সের মূল প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল কমিউনিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসফারিয়া খায়েরের সঙ্গে। তবে তিনি সাড়া দেননি। পরে পুনরায় চেষ্টা করলে দেখা যায়, তিনি প্রতিবেদকের নম্বরই ব্লক করে দিয়েছেন।বিটিআরসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্সকে মোট বকেয়ার ৫০ শতাংশ এককালীন পরিশোধ এবং বাকি অংশ কিস্তিতে পরিশোধের শর্তে এনওসি প্রদান করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত মাত্র ১ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে বলে তিনি জানান।ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, আইএসপি সেক্টরের সেবাদান নির্ভর করে আইআইজি ও ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারীদের ওপর। কেউ যদি কোটি টাকা বকেয়া রেখে অনিয়ম করে, তা গ্রাহকের নিরাপত্তা ও নিরবচ্ছিন্ন সংযোগের জন্য হুমকি। তবে নেপথ্যে যদি নীতিগত বা কাঠামোগত কোনো সমস্যা থাকে, সেটাও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম নিয়ম ও নীতিমালার আলোকে পর্যালোচনা জরুরি। এক্ষেত্রে যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বকেয়া বা নীতিগত ব্যত্যয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে তা ন্যায্যতার ভিত্তিতে সমাধান হওয়া উচিত। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসলাম হোসেন যুগান্তরকে বলেন, দীর্ঘদিন তাগাদা দিলেও প্রতিষ্ঠানটি পাওনা পরিশোধ করেনি, চিঠির জবাবও দেয়নি। এখন তাদের কাউকে খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে মামলা করেছি।ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব যুগান্তরকে বলেন, আমরা চাই, ব্যবসায়ীরা স্বচ্ছন্দে ব্যবসা করুক, গ্রাহকদের সেবা দিক। কিন্তু সরকারের পাওনা পরিশোধ না করে কেউ যদি অনিয়মে জড়ায়, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

অধ্যাদেশ বিলুপ্তির দাবিতে কর্মবিরতি কর্মসূচি চলবে

ন কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে তাদের স্লোগান দিতে দেখা যায়। এনবিআরের অধীনস্থ সারা দেশের অন্য সব অফিসেও একইভাবে কর্মসূচি পালিত হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে বিকাল ৩টা পর্যন্ত কোনো কাজ হয়নি। ভ্যাট ও কর অফিসেও সেবা বন্ধ ছিল। তবে রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা কাযক্রম চলমান ছিল। শনিবার এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার এদিপ বিল্লাহ, উপকর কমিশনার মোস্তফিজুর রহমান, সহকারী কর কমিশনার ইশতিয়াক হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক, যা ইতোমধ্যেই দেশের প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ ও থিংকট্যাংকসহ সর্বমহলে স্বীকৃতি পেয়েছে। এনবিআর তথা রাজস্ব প্রশাসনের আমূল সংস্কার আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। তবে এই সংস্কার হতে হবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃত সর্বোত্তম ব্যবস্থা ও পদ্ধতির অনুরূপ। দেশের স্বার্থ ও উন্নয়ন দর্শন এতে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হতে হবে। এছাড়া রাজস্ব প্রশাসন অধিকতর কার্যকর, প্রগতিশীল ও দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে এবং এ সংস্কার বিশেষ কারও স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হবে না। কিন্তু রাজস্ব ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের স্বার্থে আমাদের এমন যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে সরকার কেন, কী কারণে এবং কাদের প্ররোচনায় বিলম্ব করছে, তা বোধগম্য নয়।    এতে আরও বলা হয়, আজ (শনিবার) সকাল থেকেই এনবিআর ভবনের অভ্যন্তরে এবং বাইরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি রয়েছে। এ বিষয়টি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনে নানা ধরনের প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলন করতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু এখন দেখছি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে। তবে রোববারও একইভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেখানে হস্তক্ষেপ করবে, সেখানে তারা প্রেস ব্রিফিং করবেন।ভিন্নমত যাদের: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর ও কাস্টমস ক্যাডারের কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ‘দাবি আদায়ের নামে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এখন যা হচ্ছে তা রীতিমতো সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান। এটি সম্পূর্ণ শৃঙ্খলাপরিপন্থি কাজ, সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি এসব কর্মকাণ্ড পারমিট করে না।’ তারা মনে করেন, এনবিআর বিলুপ্ত করে যে গেজেট করা হয়েছে সেখানে প্রত্যাশার অনেক কিছু চলে এসেছে। যেটুকু অবশিষ্ট আছে তা পরবর্তী সংশোধনী ও বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে সংযোজন করা সম্ভব। এজন্য এভাবে আন্দোলন করার প্রয়োজন ছিল না। বিষয়টিকে পুনরায় আলোচনার টেবিলে নিয়ে গেলে ভালো হতো। 

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:০৭ পিএম
দেশের ক্ষুদ্র ও  মাঝারি শিল্পের অর্থনৈতিক সংকট কাটতে  বিদেশি সহযোগিতার বিকল্প নেই।

দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অর্থনৈতিক সংকট কাটতে বিদেশি সহযোগিতার বিকল্প নেই।

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়িয়ে গণমানুষের গল্প বলতে চাই: ফারহান লাবিব

আসন্ন শেরপুর পৌর নির্বাচন: ৬ নং ওয়ার্ডে আলোচনার শীর্ষে শাহাবুল করিম

বিএনপি থেকে পদত্যাগ করলেন মীর শাহে আলম

ধুনট পৌরবাসীর সেবায় মেয়র পদে লড়তে চান মাহবুব হোসেন চঞ্চল

অন্যের জীবন বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবন দিলেন ফায়ার সার্ভিস কর্মী

শাহ বন্দেগী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান আরিফ

রাজপথ পেরিয়ে ব্যালটের লড়াইয়ে শেরপুরের দুই বিএনপি নেতা

শেরপুরে চালককে অচেতন করে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ছিনতাই

শেরপুর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ফিরোজ আলী দল থেকে বহিষ্কৃত

১০

রাষ্ট্রপতি, স্পিকার ও নতুন মন্ত্রিসভা প্রায় চূড়ান্ত, যারা থাকতে পারেন মন্ত্রী সভায়

জনপ্রিয় সব খবর

শাজাহানপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন রাজারামপুর

শেরপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে যুবদল নেতার বাড়ি ভস্মীভূত, অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি

মধুপুরে ২ হাজার ৪শ কৃষকের মাঝে পাটবীজ বিতরণ

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেন জান্নাতুল ফেরদৌস লাকী

দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে ঠাকুরগাঁওয়ের যুবক নিহত

ঠাকুরগাঁও আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে সভাপতিসহ বিএনপি-৭, সম্পাদকসহ আ’লীগে-৫

কামারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান

বগুড়া-৬ উপনির্বাচন বিপুল ব্যবধানে ধানের শীষের প্রার্থীর জয়

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পেট্রোল পাম্পে যুবকের ছুরিকাঘাতে আহত ৩

১০

বগুড়ায় উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা

সর্বশেষ সব খবর

 বানিজ্য বানিজ্য

বগুড়ার শেরপুরে সামিট স্কুল এন্ড কলেজের সাথে সোনালী ব্যাংকের চুক্তি স্বাক্ষর

বগুড়ার শেরপুরে সামিট স্কুল এন্ড কলেজের সাথে সোনালী ব্যাংকের চুক্তি স্বাক্ষর

বগুড়ার শেরপুরে সোনালী ব্যাংকের সাথে সামিট স্কুল এন্ড কলেজের চুক্তি সই হয়েছে। এই চুক্তি সইয়ের ফলে সোনালী ব্যাংক পেমেন্ট গেটওয়ে (এসপিজি) এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভর্তি ফি, বেতন ও পরীক্ষার ফিসহ বিভিন্ন চার্জ আদায় করতে পারবে এই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা প্রতিষ্ঠান।সোমবার (৯ মার্চ) সকাল ১১ টায় সামিট স্কুল এন্ড কলেজের হলরুমে অধ্যক্ষ আশেফ ইকবাল শাহীনের  সভাপতিত্বে সোনালী ব্যাংক পিএলসি বগুড়া সাউথ শাখার এ্যাসিস্টয়ান্ট জেনারেল ময়ানেজার আলেয়া ফেরদৈসের সঞ্চালনায় চুক্তি সই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সোনালী ব্যাংক পিএলসি’র জেনারেল ম্যানেজার রশিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনালী ব্যাংক পিএনজি প্রিন্সিপাল অফিস বগুড়া সাউথ ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার জাহাঙ্গীর আলম সিদ্দিকী,শেরপুর শাখা প্রধান অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার  মাহবুবুল আলম, সামিট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম লিপু,পরিচালক আব্দুল ওয়াহেদ শাহ, উপাধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র অফিসার ক্যাশ জয়নুল আবেদীন, সিনিয়র অফিসার শরিফ আহমেদ মোঃ হুমায়ুন কবির প্রমুখ

নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের পরিচয়

নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের পরিচয়

আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে মোস্তাকুর রহমানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য জানা গেছে।মো. মোস্তাকুর রহমান একজন কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট (সিএমএ)। তার পোস্ট-কোয়ালিফিকেশন অভিজ্ঞতা ৩৩ বছরেরও বেশি। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগ থেকে বি.কম (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।মোস্তাকুর রহমান বিভিন্ন মর্যাদাপূর্ণ পেশাজীবী ও শিল্পসংক্রান্ত সংগঠনের সদস্য ছিলেন। যেমন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ), রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আরইএইচএবি), অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (এটিএবি) এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। তিনি এসব সংগঠনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেডসহ বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অভিজ্ঞতা তার রয়েছে।মোস্তাকুর রহমান একজন উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী এবং একই সঙ্গে একজন জ্যেষ্ঠ আর্থিক শাসন (ফাইন্যান্সিয়াল গভর্ন্যান্স) বিশেষজ্ঞ। করপোরেট ফাইন্যান্স, রপ্তানি অর্থনীতি, প্রাতিষ্ঠানিক শাসন এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় তার নেতৃত্বমূলক অভিজ্ঞতা ৩০ বছরেরও বেশি। আর্থিক তদারকি, নিয়ন্ত্রক সম্মতি, ব্যাংকিং খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং পুঁজি ব্যবস্থাপনায় তিনি সুপ্রতিষ্ঠিত দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।শিল্প ও উদ্যোক্তা নেতৃত্বউৎপাদন, রিয়েল এস্টেট, কৃষিভিত্তিক উদ্যোগ এবং বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানসহ একাধিক খাতে তার বিস্তৃত নেতৃত্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে তিনি আর্থিক পরিকল্পনা, বিনিয়োগ তদারকি ও সুশাসন কাঠামোর দায়িত্ব পালন করেছেন। শিল্প ও বাণিজ্য সংগঠনে তার বিভিন্ন ভূমিকায় আর্থিক স্থিতিশীলতা, শিল্প অর্থায়ন এবং অর্থনৈতিক টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে কাঠামোবদ্ধ সংলাপে তিনি উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন।এ ছাড়া সুদৃঢ় টেকনোক্র্যাটিক বিচারবোধ, প্রশ্নাতীত নৈতিকতা ও ফিডিউশিয়ারি শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতার প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারের জন্য তিনি সুপরিচিত। নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে তার গভীর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা রয়েছে:আর্থিক ব্যবস্থার সুশাসন, ব্যাংকিং ও শিল্প অর্থায়ন, রপ্তানি অর্থায়ন ও বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা, প্রাতিষ্ঠানিক ঝুঁকি তদারকি, করপোরেট ও নিয়ন্ত্রক সম্মতি, পুঁজি কাঠামো ও তারল্য ব্যবস্থাপনা, বোর্ড গভর্ন্যান্স ও ফিডিউশিয়ারি দায়িত্ব, কৌশলগত অর্থনৈতিক পরিকল্পনা, আর্থিক প্রতিবেদন ও জবাবদিহিতা, স্টেকহোল্ডার সম্পৃক্ততা ও নীতিগত সংলাপ, টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশ সুরক্ষা

ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর

ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর

শনিবার (২৪ মে) সকালে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনে দেশের প্রথম ক্রেডিট এনহ্যান্সমেন্ট স্কিম উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন তিনি।গভর্নর বলেন, ‘নতুন নোটে থাকবে দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা। ঈদে বাজারে প্রথমে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নতুন নোট আসবে।’টাঁকশাল থেকে জানা গেছে, ২০ টাকার নোট ছাপা প্রায় সম্পন্ন। আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এর পরে ৫০ ও ১০০০ টাকার নোট বাংলাদেশ ব্যাংককে বুঝিয়ে দেবে টাঁকশাল। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেবে এই টাকা কবে বাজারে আসবে।টাঁকশাল জানিয়েছে, নতুন নকশার নোট ছাপাতে ১ থেকে দেড় বছর সময় লাগে। আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। গত ডিসেম্বরে নতুন নকশার নোট বাজারে আনার সিদ্ধান্ত নেয় এই সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় টাঁকশাল চলতি মাসে নতুন নকশার নোট ছাপানো শুরু করে।টাঁকশাল আরও জানায়, একসঙ্গে ৩টি নোটের বেশি ছাপানোর সক্ষমতা নেই টাঁকশালের। তাই প্রথম ধাপে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোট ছাপানো হচ্ছে।এদিকে গভর্নর জানিয়েছে, পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনা অন্তর্বর্তী সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার।তিনি বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রচারিত হওয়ায় তা ফেরত পাঠাতে চাপ তৈরি হয়েছে। পাচারকৃত অর্থ ফ্রিজ করায় অর্থ ফেরত আনার প্রথম ধাপ সম্পন্ন হয়েছে।’গভর্নর বলেন, ‘স্কিমের আওতায় পিকেএসএফ অংশীদার এমএফআই গুলোকে ২৪০ কোটি টাকার রিজার্ভ তহবিল ভিত্তিতে ব্যাংক ঋণ গ্যারান্টি দেবে। ঋণের গ্যারান্টি অনুযায়ী এককালীন ০.৫ শতাংশ কমিশন আদায় করা হবে। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যাংক ঋণ পাওয়া সহজ হবে।’

পিছিয়ে পড়ছে দেশের সম্ভাবনাময় এসএমই খাত

পিছিয়ে পড়ছে দেশের সম্ভাবনাময় এসএমই খাত

ল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান মনে করেন, এসএমই খাত শুধু ব্যবসা নয়, দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। দেশে সত্যিকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এ খাতের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তিনি বলেন, এসএমই উদ্যোক্তারা তাদের লাভের ৩০ শতাংশই পুনরায় বিনিয়োগ করেন, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।এসএমই হচ্ছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের উদ্যোগ বা ব্যবসা। এই উদ্যোগে কর্মী এবং রাজস্বের পরিমাণ নির্দিষ্ট সীমার নিচে। বিশ্বের কোম্পানিগুলোর ৯০ শতাংশ এবং মোট কর্মসংস্থানে ৫০ শতাংশের বেশি এসএমই খাতে। এ কারণে বিশ্বব্যাংক, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এসএমইকে ব্যাপক গুরুত্ব দিচ্ছে। এসএমই নিয়ে তাদের আলাদা নীতিমালা রয়েছে।বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ব্যবসার ৯৯ শতাংশ এবং অস্ট্রেলিয়ার ৯৮ শতাংশ এসএমই। তবে এ খাতে রয়েছে তহবিল সংকট।বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ২০২১ সালের গ্লোবাল ফিনডেক্স ডাটাবেজ অনুসারে, আনুষ্ঠানিক, নারী-মালিকানাধীন এসএমইর জন্য ১ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের তহবিল ঘাটতি রয়েছে। এসএমই ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুসারে বর্তমানে দেশে এ শিল্পের সংখ্যা ১ কোটি ১৮ লাখ। আর এ খাতে কর্মসংস্থান হয়েছে ৩ কোটি ৬০ লাখ মানুষের। অর্থাৎ শিল্প খাতে দেশে কর্মসংস্থানের ৮৭ শতাংশই এ খাতের।

 সারাদেশ সারাদেশ

শাজাহানপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন রাজারামপুর

শাজাহানপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন রাজারামপুর

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (১১ এপ্রিল ২০২৬) উপজেলার মাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার প্রভাষ চন্দ্র সরকার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুল লতিফ।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাজাহানপুর উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ ও আমরুল ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক জনাব রফিকুল ইসলাম রফিক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুজ্জামান রাজা, আমরুল ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সেলিম উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আইয়ুব ছোটন, ইউনিয়ন বিএনপির ০২ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি খবির উদ্দিন মাস্টার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান আনিছ এবং ছাত্রদল নেতা রিয়াদ মাহমুদসহ প্রমূখ এছাড়াও অনুষ্ঠানে ইউনিয়নের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী এবং বিপুল সংখ্যক ক্রীড়াপ্রেমী দর্শক উপস্থিত ছিলেন।দিনের খেলায় নারচী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও রাজারামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অংশগ্রহণ করে। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ ম্যাচে রাজারামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২-১ পয়েন্টে নারচী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।টুর্নামেন্টটি ঘিরে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মাঝে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। স্থানীয়রা জানান, এমন আয়োজন শিশুদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

৪ ঘন্টা আগে

 সারাদেশ সারাদেশ

শাজাহানপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন রাজারামপুর

শাজাহানপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন রাজারামপুর

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (১১ এপ্রিল ২০২৬) উপজেলার মাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার প্রভাষ চন্দ্র সরকার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুল লতিফ।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাজাহানপুর উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ ও আমরুল ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক জনাব রফিকুল ইসলাম রফিক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুজ্জামান রাজা, আমরুল ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সেলিম উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আইয়ুব ছোটন, ইউনিয়ন বিএনপির ০২ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি খবির উদ্দিন মাস্টার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান আনিছ এবং ছাত্রদল নেতা রিয়াদ মাহমুদসহ প্রমূখ এছাড়াও অনুষ্ঠানে ইউনিয়নের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী এবং বিপুল সংখ্যক ক্রীড়াপ্রেমী দর্শক উপস্থিত ছিলেন।দিনের খেলায় নারচী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও রাজারামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অংশগ্রহণ করে। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ ম্যাচে রাজারামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২-১ পয়েন্টে নারচী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।টুর্নামেন্টটি ঘিরে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মাঝে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। স্থানীয়রা জানান, এমন আয়োজন শিশুদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

৪ ঘন্টা আগে

 রাজনীতি রাজনীতি

শেরপুর-৩ আসনের উপ-নির্বাচনে জামায়াত প্রার্থীর ভোট বর্জন

শেরপুর-৩ আসনের উপ-নির্বাচনে জামায়াত প্রার্থীর ভোট বর্জন

শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের চলমান নির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী মাসুদুর রহমান।দলটির অভিযোগ, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীর এজেন্টকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া এবং জালভোট ও প্রকাশ্যে সিল মারার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও পুলিশকে জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি।এ অবস্থায় সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব না হওয়ায় জামায়াতের প্রার্থী মাসুদুর রহমান বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুর ৩টার সংবাদ সম্মেলনে করে নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দেন। এর আগে, দুপুরে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের উপ-নির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগ আনেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।উল্লেখ্য, শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা রয়েছে। এখানে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটারের জন্য ১২৮টি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৮টি কেন্দ্রকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শেরপুর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ফিরোজ আলী দল থেকে বহিষ্কৃত

শেরপুর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ফিরোজ আলী দল থেকে বহিষ্কৃত

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বগুড়ার শেরপুর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোঃ ফিরোজ আলীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক এ্যাডঃ কে, এম হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ফিরোজ আলীর বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল স্তরের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এবং দলের সাংগঠনিক শক্তি বজায় রাখতে এই সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।

মহান স্বাধীনতা দিবসে শহীদদের প্রতি বগুড়ায় ছাত্রদলের শ্রদ্ধা নিবেদন

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে স্বাধীনতার বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে বগুড়া জেলা ছাত্রদল। বৃহষ্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে শহরের ‘মুক্তির ফুলবাড়ী’ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে এ শ্রদ্ধা জানানো হয়।দিবসটি পালন উপলক্ষে সকাল থেকেই জেলা ছাত্রদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী মুক্তির ফুলবাড়ী চত্বরে সমবেত হতে থাকেন। পরে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধানের নেতৃত্বে স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদ এবং স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর রুহের মাগফিরাত কামনা করে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করা হয়।এ সময় বগুড়া জেলা ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা এক আবেগঘন পরিবেশে রূপ নেয়।পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ বলেন, “মহান স্বাধীনতার ঘোষক, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি (বীর উত্তম) শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক আহ্বানে সাড়া দিয়ে এ দেশের মানুষ দেশমাতৃকাকে স্বাধীন করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতা আমাদের অহংকার। শহীদ জিয়ার আদর্শকে ধারণ করে দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে তাঁর স্বপ্ন পূরণে এবং গণতন্ত্র রক্ষায় ছাত্রদল সর্বদা রাজপথে সোচ্চার থাকবে।”তারা আরও বলেন, স্বাধীনতার প্রকৃত স্বাদ সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তরুণ প্রজন্মকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। দেশ ও জাতির যেকোনো সংকটে শহীদ জিয়ার সৈনিকেরা অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করে যাবে বলে তারা অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

মহান স্বাধীনতা দিবসে শহীদদের প্রতি বগুড়ায় ছাত্রদলের শ্রদ্ধা নিবেদন

বিএনপি থেকে পদত্যাগ করলেন মীর শাহে আলম

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মীর শাহে আলম পদত্যাগ করেছেন। আজ সোমবার (২৩ মার্চ) বিকেল ৪টা ৪৩ মিনিটে বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে পদত্যাগ গৃহীতের তথ্য জানানো হয়েছে।এতে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব ও দলীয় কার্যক্রমের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার প্রশ্নে একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির স্থাপন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন।

বিএনপি থেকে পদত্যাগ করলেন মীর শাহে আলম

বগুড়ায় তারেক রহমানের ঈদ উপহার, কর্মীদের পাশে যুবদল

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান এর পক্ষ থেকে ঈদ শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে বগুড়ায় নেতাকর্মীদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (১৮ মার্চ) দলীয় কার্যালয়ে বগুড়া জেলা যুবদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের উদ্যোগে এ বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৬ (সদর) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ রেজাউল করিম বাদশা।বগুড়া জেলা যুবদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবু হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সরকার মুকুল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ঈদ মানে শুধু আনন্দ নয়, বরং সেই আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার মধ্যেই রয়েছে এর প্রকৃত তাৎপর্য। দল-মত নির্বিশেষে অসহায় ও কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের মুখে হাসি ফোটানোই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।মানবিক এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং সমাজে সহমর্মিতা ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বগুড়ায় তারেক রহমানের ঈদ উপহার, কর্মীদের পাশে যুবদল

উত্তরাঞ্চলের পাঁচজন কৃতি সন্তানের উপস্থিতিতে গর্বিত বগুড়া

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের পাঁচজন কৃতি ও মেধাবী ব্যক্তিত্বের একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে বেশ আলোচিত হয়েছে। এদের মধ্যে চারজনই গর্বিত বগুড়ার সন্তান—যা নিঃসন্দেহে জেলার মানুষের জন্য গৌরবের বিষয়।ছবিতে উপস্থিত আছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, এমপি; মাননীয় মন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, এমপি; একই মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব মীর শাহে আলম, এমপি; প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব জনাব আতিকুর রহমান রুমন; এবং প্রধানমন্ত্রীর অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার-২ জনাব এস. এম. পারভেজ।উত্তরাঞ্চলের উন্নয়ন, রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও প্রশাসনিক দক্ষতায় এ সকল ব্যক্তিত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। বিশেষ করে বগুড়ার চার কৃতিসন্তানের একসঙ্গে উপস্থিতি জেলাবাসীর জন্য গর্বের বিষয় হয়ে উঠেছে।

উত্তরাঞ্চলের পাঁচজন কৃতি সন্তানের উপস্থিতিতে গর্বিত বগুড়া

 সারাদেশ সারাদেশ

সকল জেলার খবর

আর্কাইভ

 সারাদেশ সারাদেশ

শাজাহানপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন রাজারামপুর

শাজাহানপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত, চ্যাম্পিয়ন রাজারামপুর

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (১১ এপ্রিল ২০২৬) উপজেলার মাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার প্রভাষ চন্দ্র সরকার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুল লতিফ।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাজাহানপুর উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ ও আমরুল ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক জনাব রফিকুল ইসলাম রফিক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুজ্জামান রাজা, আমরুল ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সেলিম উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আইয়ুব ছোটন, ইউনিয়ন বিএনপির ০২ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি খবির উদ্দিন মাস্টার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান আনিছ এবং ছাত্রদল নেতা রিয়াদ মাহমুদসহ প্রমূখ এছাড়াও অনুষ্ঠানে ইউনিয়নের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী এবং বিপুল সংখ্যক ক্রীড়াপ্রেমী দর্শক উপস্থিত ছিলেন।দিনের খেলায় নারচী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও রাজারামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অংশগ্রহণ করে। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ ম্যাচে রাজারামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২-১ পয়েন্টে নারচী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।টুর্নামেন্টটি ঘিরে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মাঝে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। স্থানীয়রা জানান, এমন আয়োজন শিশুদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন