ধানের শীষ প্রতীক মনোনয়ন পেলে রাষ্ট্রিয় সকল ভাতা ও বরাদ্দ নিজে ভোগ না করে, জনতার জন্যে ব্যায় করবো- মোয়াজ্জেম হোসেন মিজান

Oplus_131072

জাতীয় নির্বাচনে সংসদীয় আসন ৩৯ বগুরা -৪ (কাহালু -নন্দিগ্রাম) ধানের শীষ প্রতিকের মনোনয়ন প্রত্যাশী মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন মিজান আজ ২৬ অক্টোবর রবিবার সকালে বগুড়া প্রেস ক্লাবে লিখিত বক্তব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী দল (বি এন পি)র মনোনয়ন পাওয়ার আশাবাদী হয়ে সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় করেন।

মোয়াজ্জেম হোসেন মিজান বলেন, আমি ধানের শীষ প্রতিকে মনোনায়ন পেলে ও নির্বাচিত হলে রাষ্টিয় সকল ভাতা এবং বরাদ্দ নিজে ভোগ না করে জনগনের প্রয়োজনে ব্যায় করবো। অনেকেই পদ পদবী অর্থ সম্পদ বৃও বৈভব এর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে রাজনীতি করে। অপর দিকে আমি জনতারপ্রয়োজনে সাথে ছিলাম, আছি ওআমৃত্যু থাকবো। আমি দলের ত্যাগী নির্যাতিত নিবেদিত কর্মি হয়েই দেশনায়ক জনাব তারেক রহমানের রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা বাস্তবায়নে কাজ করবো। দেশনায়ক জনাব তারেক রহমানের জনগনের জীবন মান উন্নায়নের কর্মসূচি “একটি উদ্যোগ, একটু চেষ্টা, এনে দিবে স্বচ্ছলতা, দেশে আসবে স্বর্নিভরতা, বুকে ধারন করে কাজ করে যাচ্ছি।আমার এলাকার রাস্তাঘাট যেমন এলাকার মানুষকে সাথে নিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে সংস্কার করেছি,তেমনি অসহায় মানুষের চিকিৎসার ব্যবস্হা এবং কর্মসংস্হানের জন্য বিনামুল্যে গরুছাগল উপহার দিয়েছি।
আমার জন্মস্হান নন্দিগ্রাম উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের শশীনগর।কিশোর কাল থেকেই আমি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আর্দশে অনুপ্রানিত হয়ে রাজনীতে যুক্ত হই। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতিকের প্রচারনায় অংশগ্রহন করি।ছাএ জীবনে আমি দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে ছাত্র রাজনীতিতে সংক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করি। বগুড়া সরকারি আজিজুল হক বিশ্বঃ কলেজে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সহ সভাপতি, নন্দিগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সহ সাধারন সম্পাদক এবং ভাটরা ইউনিয়ন ছাত্র দলের সভাপতির দায়িত্ব নিষ্টার সাথে পালন করেছি।
১/১১ এর আগ থেকে ২০২৪ অবধি রাজনৈতিক মিথ্যা মালমা, গ্রেফতার ও হাজতবাস করেছি। ২০১৩ সালে বগুড়া সদর থানার সামনে বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণের সময় পুলিশের ছোররা রাবার বুলেটে আমার চেখের কাছে লাগে। ২০১৬ সালে স্বৈরাচারী আওয়ামীলীগের গুন্ডা বাহীনি আমাকে হত্যার উদ্দেশ্য গাড়ীচাপা দেয়, আমার পা ভেংগে যায়। আজও আমি সঠিক ভাবে হাঁটতে পারিনা। তবুও আমি অমর নায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর আদর্শ থেকে পিছুপা হয়নি। দলের দূঃসময়ে নেতা কর্মির পাশে থেকেছি ও সহেযোগিতা করেছি। ২০২৪ সালে ফ্যাশিষ্ট আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে আন্দোলনে ১৮ জুলাই মফিজ পাগলার মোড়ে পুলিশের রাবার বুলেটে আহত হই।৪ আগষ্ট ২৪ অবধি পুলিশ আমাকে গ্রেফতার এর জন্য একাধিক স্হানে অভিজান চালায় ও হয়রানি করে।
আমি দলের প্রতি আমৃত্যু অনুগত্য প্রাকাশ করেছি ও করবো। যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় হয়। তবে আমার কাহালু ও নন্দিগ্রাম উপজেলার উন্নায়ন বঞ্চিত মানুষের জন্য শিক্ষা,স্বাস্থ্য, কৃষি, যুব উন্নায়ন, সড়ক যোগাযোগ, ও কর্মসংস্হানের জন্য কাজ করে জাতীয় রাজনীতিতে দৃষ্টান্ত স্হাপন করতে পারবো। আমার সকল কাজ হবে জনগনের উন্নায়নে, তারুন্যের আশা আকাঙ্ক্ষার, নারীবান্ধব, শিশু ও প্রবীবদের কল্যানে, মেহনতি মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে দেশনায়ক তারেক রহমানকের আশা ও আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে তারুন্যের প্রথম ভোট ধানের শীষ প্রতিকের পক্ষে নিতে নিরালস কাজ করে যাবো।
সবার আগে বাংলাদেশের, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাী দল (বি এন পি) এ দেশের মাটি ও মানুষের রাজনৈতিক দল। কোন ষড়যন্ত্র, অপপ্রচার বি এন পি”র অগ্রযাএাকে থামতে পারবে না। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা পালিয়ে গেছে বি এন পি”কে নির্মুল করতে গিয়ে। দেশনায়ক তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মমলা দিয়ে, নির্যাতন করেছে। ইতিহাস আজ দেশনায়ক জনাব তারেক রহমান জনতার ভালোবাসার স্পন্দন। বিএনপি,র জনপ্রিয়তা দেশের সকল কৃষক, শ্রমিক, মেহনতী মানুষ, তরুন সহ সকল সাধারণ জনগনের মাঝে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
দল যাকেই মনোনায়ন দিবে আমি ধানের শীষ প্রতিকের পক্ষে আমৃত্যু কাজ করে যাবো। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি। সকলের কল্যান কামনা করছি।
শহীদ জিয়া অমর হোক দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জিন্দাবাদ দেশনায়ক জনাব তারেক রহমান জিন্দাবাদ।

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, মহিদুল ইসলাম মহিদ, আব্দুল হান্নান, এম আর ইসলাম রফিক, মোফাজ্জল হোসেন, নজরুল ইসলাম বিপুল, নওসের হোসেন, রফিকুল ইসলা, খাদেমুক ইসলাম, ইমদাদুল হক, আলমগীর হোসেন, বেলাল হোসেন, ইমতিয়াজ, শহিদুল ইসলাম, খলিলুর রহমান, আয়েস উদ্দিন, আবু হানিফ, আজিম উদ্দিন সহ কাহালু নন্দিগ্রামের জনসাধারণ।