বগুড়ায় মানবাধিকার সংগঠন সার্ক এর নবগঠিত জেলা কমিটির পরিচিত ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

Oplus_131072

দক্ষিন এশিয়ার বৃহত্তম মানবাধিকার সংগঠন সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন বগুড়া জেলার নবগঠিত জেলা কমিটির উদ্যোগে পরিচিত সভা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়েছে।

শনিবার ২৯ নভেম্বর বিকাল সাড়ে ৩ টায় বগুড়ার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স নিশিন্দারায় এই পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে অনুমোদিত কমিটির বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ মো: মোতাহার হোসেন এর সভাপতিত্বে এ পরিচিতি সভায় বক্তব্য রাখেন সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের বগুড়া জেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা অধক্ষ মো: রফিকুল ইসলাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান সুমন , সহ-সভাপতি ডা: রহুল আমিন (রহুল) হাসান শফিউল কবির, সাধারণ সম্পাদক সুদেব কুমার দাস , আইন বিষয়ক সম্পাদক আরফান আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুর ইসলাম ও শাহ আলম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা মোছা: ফাতেমা বেগম, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক বায়োজিদ বোস্তামী, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোছাম্মৎ শিল্পী বেগম, উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক হেদায়েতুল ইসলাম নিশাদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন সহ শেরপুর উপজেলা কমিটির সভাপতি মোঃ কফিল উদ্দিন এবং গাবতলী উপজেলার সভাপতি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম সহ সভায় আরো অনেকে উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন । সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন বগুড়া জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সুদেব কুমার দাস। তিনি তার বক্তব্যে কেন্দ্রীয় সভাপতি বিচারপতি সিদ্দিকুর রহমান মিয়া এবং কেন্দ্রীয় মহাসচিব প্রফেসর আবেদ আলী মহদয়কে বিশেষভাবে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি সভায় কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশনা ও জেলা কমিটি ভবিষ্যত কার্যাবলী সবাই উপস্থাপন করেন।

বক্তাগণ আলোচনা সভায় বলেন, মানুষ মানুষের জন্য একথা মাথায় রেখে সংগঠনের সব সদস্যকে নীতি-নৈতিকতার মধ্যে থেকে মানবিকতাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে দেশ ও জাতির জন্য কাজ করে যেতে হবে।

বক্তারা উল্লেখ করেন, কোন প্রভাবশালী ব্যক্তি অন্যের জায়গা দখল থেকে শুরু করে ঘুষ, দুর্নীতি এবং ষড়যন্ত্র করে কাউকে হত্যা করা এসবই মানবাধিকার লঙ্ঘনের পর্যায়ে পড়ে। সুতরাং সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের প্রতিটি সদস্যকে এসব অন্যায়- অত্যাচার- অনাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হয়ে অসহায়দের অসহায়দের পাশে দাঁড়াতে হবে। সভায় অন্যান্য বক্তাগণ বলেন, বিগত দিনে মানুষের কথা বলার অধিকার, এক কথায় বাক স্বাধীনতার অধিকার, দেশের বিভিন্ন জায়গায় গুম-খুন, নির্যাতন, বিভৎস পরিবেশ ও পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। গুম-খুন আর যেন ভবিষ্যতে না হয়। আর যেন কোন মায়ের বুক খালি না হয় সে দিকে সজাগ থাকতে হবে। মানবাধিকার সুরক্ষায় সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। দরিদ্র জনগোষ্ঠী যাতে এর সুফল পায় সে দিকে দৃষ্টি রাখতে হবে। তারা যেন ন্যায় বিচার পায়। সকলের অধিকার সমুন্নত রাখার প্রত্যয়ে সচেষ্ট হতে হবে। অনুষ্ঠান শেষে সংগঠনের সভাপতি অধ্যক্ষ মো: মোতাহার হোসেন অনুমোদিত কমিটি পাঠ করে শোনান।