বগুড়ার শেরপুরে আনোয়ার পুলিশ এর বিরুদ্ধে অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার সিমাবাড়ী ইউনিয়নের ধনকুন্ডী এলাকার মৃত সোলাইমান আলী শেখ এর ছেলে আনোয়ার পুলিশ এর বিরুদ্ধে অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ করেছেন, গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানার, পরান এলাকার জাহাঙ্গীর মিয়া নামের এক ব্যক্তি।

এই ঘটনায় শেরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর মিয়া।

অভিযোগ সূএে জানা যায়, জাহাঙ্গীর মিয়া পূর্ব হইতে ধনকুন্ডী এলাকায় থাকার সুবাদে আনোয়ার পুলিশ এর সাথে পরিচয় হয় এবং দুই জনের মধ্যে বিশ্বস্ত সৃষ্টি হয়ার সুবাদে আনোয়ার পুলিশ এর ধনকুন্ডী এলাকায় হাইওয়ে রাস্তার পাশে নিম্ন তফসিল বর্ণিত জমিতে ভবন নির্মাণ করে হোটেল ব্যবসার জন্য উভয়ে ৩০০/টাকা নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তিপএ লিখিয়া সম্পদন করে। চুক্তিপএের ১নং শর্ত মেতাবেক জাহাঙ্গীর মিয়া আনোয়ার পুলিশের নিম্ন তফসিল বর্ণিত জমিতে দুই মাসের মধ্যে বালু ভরাট করিয়া ৫২,২৫,৮০০/ টাকা ব্যয় করিয়া একটি হ্যান্ডিক্যাশ, একটি ষ্টোর রুম, একটি অফিস রুম, ২০টি টয়লেট নিমার্ণ সহ ৩ হাজার স্কয়ার ফুট একতলা ভবন নিমার্ণ করেন। ভবন নিমার্ণ শেষে, নাবিল ফুট ভিলেজ, প্রতিষ্ঠা করিয়া ৪৫,০০০/- টাকার ১৫ টি আরএফএল টেবিল ও ৫৪০০০/- এাকার ৬০ টি আরএফএল চেয়ার ও ২,১০,০০০/ টাকার হ্যান্ডিপাতিল ও যাবতীয় আসবাবপত্র ক্রয় করিয়া ব্যবসা শুরু করে ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর মিয়া। চুক্তি নামার ১ও ২ নং শর্ত মোতাবেক ব্যবসা শুরু থেকে ৪৫ মাস একটানা ব্যবসা করিয়া ব্যবসার কাজে সমস্ত মালামাল রাখিয়া খালি হাতে বের হতে হবে। প্রয়োজনে চুক্তি নামার ১৩ নং শর্ত মোতাবেক নতুন করে চুক্তি হয়ার কথা ছিলো। জাহাঙ্গীর মিয়া ব্যবসা শুরু থেকে মাএ ১ মাস ৫ দিন ব্যবসা করিয়া আসিতে থাকাকালিন গত ১৩/৮/২০২২ সালে সন্ধা ৭ ঘটিকার সময় আনোয়ার পুলিশ তার গুন্ডাবাহিনী নিয়ে অনধিকারে হোটেলে প্রবেশ করে এবং জাহাঙ্গীর মিয়া সহ হোটেলে কর্মরত লোকজনকে মারপিট করিয়া বের করে দেয়।
এবং হোটেল এর ক্যাশ টেবিল এর ডয়ার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার নগদ টাকা সহ হোটেল এর সকল মালামাল ভ্যান যোগে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়। এবং ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর মিয়া সহ হোটেলে কর্মরত লোকজনকে প্রাণনাশের হুকমি দিয়ে ধনকুন্ডী এলাকা ছেরেযেতে বলে।
সরজমিনে গিয়ে, জাহাঙ্গীর মিয়া এর হোটেলের সাবেক কর্মরত শ্রমিক সহ অনেক কয়েক জনের সাথে কথা বলেন সংবাদকর্মীর।
তারা জানান, জাহাঙ্গীর মিয়া নাবিল ফুট ভিলেজ এর প্রকৃত মালিক তিনি অর্ধ কোটি টাকা ব্যয় এই প্রতিষ্ঠান নিমার্ণ করে ছিলেন। কিন্তু একমাসের মাথায় তাকে মারপিট করে হেটেল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন সহ নাবিক ফুট ভিলেজ এর সাবেক কর্মচারীরা।

ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর মিয়া জানান, আমার গ্রামের বাড়ী গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানার পরান গ্রামে, সেখানে আবাদী জমি ও ভিটামাটি বিক্রি করে অর্ধ কোটি টাকা নিয়ে এসে শেরপুরে ধনকুন্ডী এলাকার আনোয়ার পুলিশ এর জায়গা স্ট্যাম্পে চুক্তি নামা করে আমি নিজে ভবন নিমার্ণ ও হেটেল এর যাবতীয় মালামাল ক্রয় ও অর্ধ কোটি টাকা ব্যয় করে ব্যবসা শুরু করে ছিলাম। আওয়ামী লীগ সরকার থাকাকালীন আমাকে ও আমার হোটেলের কর্মরত লোকজনকে মারপিট করে হোটেল থেকে বের করে দেয় আনোয়ার পুলিশ। সেই থেকেই এই নিষ্ঠুরতম ঘনার বিচার চেরে দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছি আমি কোথাও ন্যায় বিচার পাইনি।অনেকের থেকে টাকা ধার নিয়ে এই হোটেল নিমার্ণের কাজে লাগিয়েছি সময় মত তাদের পাওনা টাকা দিতে না পেরে আমি সহ আমার পরিবার পালিয়ে বেড়াচ্ছি। আমি এই ঘটনায় ন্যায় বিচার চাই।
অভিযোগ এর বিষয়টি শিকার করে শেরপুর থানার তদন্ত ওসি জয়নাল আবেদীন বলেন, আভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।