বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হামলা মামলার আসামিকে ছেরে দেওয়ার ঘটনায় বিভিন্ন দৈনিক প্রত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত ১৭ জুলাই, ২০২৪, বেলা ১১ টায় বগুড়ার শেরপুর উপজেলার শেরপুর পৌরসভাস্থ ধুনট মোড়ে মামলার বাদী মোঃ রিফাত সরকারসহ আরো অনেকে কোটা বিরোধী আন্দোলনে অংশ গ্রহন করে।

কোটা বিরোধী আন্দোলন কালে গত ১৭ জুলাই ২০২৪ তারিখ দুপুর অনুমান ১২ ঘটিকার সময় এজাহার নামীয় ১৪৭জন জন আসামীসহ অজ্ঞাতনামা আরো অনেকে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে একই উদ্দেশ্যে বে-আইনী জনতায় দলবদ্ধ হইয়া কোটা বিরোধী আন্দোলনকারীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন বল প্রয়োগ পূর্বক ভঙ্গ করার অসৎ উদ্দেশ্যে মিছিল সহকারে কোটা বিরোধী আন্দোলনকারীদের মুখোমুখি অবস্থান নিয়ে ঘটনাস্থলে গুলি ও ককটেল বিস্ফোরন ঘটায়। তখন আন্দোলনকারীরা ভীত হইয়া আত্মরক্ষার্থে ছুটাছুটি শুরু করিলে আসামীরা তাহাদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র দ্বারা কোটা বিরোধী আন্দোলন কারীদের মারপিট করিয়া গুরুত্বর ও সাধারন জখম করে। তখন আশপাশ হইতে লোকজন আগাইয়া আসিলে বিবাদীরা কোটা বিরোধী আন্দোলনকারীদেরকে বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শণ করিয়া চলে যায়।

উক্ত বিষয় নিয়ে বাদীর এজাহারের প্রেক্ষিতে বগুড়া এর শেরপুর থানার, এফআইআর নং-২, তারিখ- ০২ নভেম্বর, ২০২৪; জি আর নং-৩০৮, তারিখ- ০২ নভেম্বর, ২০২৪; সময়- রাত ০০.১০ ঘটিকা ধারা-143/323/324/325/326/307/506/114/34 The Penal Code, 1860; তৎসহ 3/4 The Explosive Substances Act, 1908 রুজু হয়।

মামলা তদন্তকালে ঘটনার সহিত প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ৪৯জন আসামীকে গ্রেফতার পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে সোপদ্দ করা হয়।
মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই মোঃ তোফাজ্জল হোসেন গত ১লা জুন ২০২৫ তারিখে বর্নিত মামলার এজাহার নামীয় ১৩৩ নাম্বার আসামী মোঃ আবু জাফর (৩০), পিতা-আব্দুস সামাদ, সাং-গোয়াল বিশ্বা, থানা-শেরপুর, জেলা-বগুড়াকে শেরপুর থানাধীন ছোনকা বাজার গরুর হাটের সামনে পাইয়া গেলে তাহাকে আটক পূর্বক জিজ্ঞাসবাদ করা হয়।
আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে বিজ্ঞ হাইকোর্টের আদালত হইতে আগাম জামিনে মুক্তি লাভ করিয়াছে বলিয়া বিজ্ঞ উচ্চ আদালত হইতে জামিনে মুক্তি লাভ করার আদেশনামা দেখাইলে উপস্থিত লোকজনদের সামনে আসামীকে তাহার পিতা মোঃ আব্দুস সামাদ এর জিম্মায় প্রদান করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।