ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বড় রাজনৈতিক সাফল্য এলেও গাজীপুরবাসীর প্রত্যাশা পূরণ হয়নি এমন আলোচনা এখন জেলার রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে। নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৫টি আসনের মধ্যে ৪টিতে জয় পেলেও নতুন মন্ত্রিসভায় গাজীপুর থেকে কাউকে স্থান না দেওয়ায় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে স্পষ্ট হতাশা দেখা দিয়েছে।
সাধারণ বিএনপি সমর্থকদের অনেকেই বলছেন, “গাজীপুর এত গুরুত্বপূর্ণ জেলা, এখান থেকে একজন মন্ত্রী হলে জেলার উন্নয়ন আরও গতি পেত। আমরা আশা করেছিলাম, কিন্তু সেই আশা পূরণ হয়নি। আরেকজন কর্মীর ভাষ্য, “জয়ের আনন্দ আছে, কিন্তু মন্ত্রীত্ব না পাওয়ায় মনে একটু কষ্ট থেকেই গেল।”
নির্বাচনের পর সম্ভাব্য মন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় ছিলেন মান্নানপুত্র এম মঞ্জুরুল করিম রনি ও গাজীপুর-৫ আসনের আলোচিত নেতা একে এম ফজলুল হক মিলন। তবে শেষ পর্যন্ত তাদের কেউই মন্ত্রিসভায় জায়গা না পাওয়ায় প্রত্যাশার জায়গায় তৈরি হয়েছে না-পাওয়ার দুঃখ-বেদনা।
স্থানীয় কয়েকজন নেতাকর্মীর বক্তব্যেও বলেন, “দল যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটাকে আমরা সম্মান করি। তবে গাজীপুরের মানুষের প্রত্যাশা ছিল, সেটা ভবিষ্যতে পূরণ হবে বলেই আমরা আশাবাদী।”
অন্য এক নেতা মন্তব্য করেন, “মন্ত্রীত্ব না পাওয়া মানেই সব শেষ নয়; রাজনৈতিক বাস্তবতায় সামনে সুযোগ আসতেই পারে। এদিকে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে চলছে ব্যাপক আলোচনা। কেউ হতাশা প্রকাশ করছেন, আবার কেউ ভবিষ্যতে গাজীপুর থেকে মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরছেন।
সব মিলিয়ে নির্বাচনী বিজয়ের আনন্দের পাশাপাশি গাজীপুরজুড়ে এখন না-পাওয়ার কষ্ট, প্রত্যাশা ও ভবিষ্যৎ আশার মিশ্র আবহ বিরাজ করছে স্থানীয় রাজনীতির আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। প্রতিক্রিয়া জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে বিজয়ী এম মঞ্জুরুল করিম রনি ও একেএম ফজলুল হক মিলনের সাড়া পাওয়া যায়নি।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বড় রাজনৈতিক সাফল্য এলেও গাজীপুরবাসীর প্রত্যাশা পূরণ হয়নি এমন আলোচনা এখন জেলার রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে। নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৫টি আসনের মধ্যে ৪টিতে জয় পেলেও নতুন মন্ত্রিসভায় গাজীপুর থেকে কাউকে স্থান না দেওয়ায় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে স্পষ্ট হতাশা দেখা দিয়েছে।
সাধারণ বিএনপি সমর্থকদের অনেকেই বলছেন, “গাজীপুর এত গুরুত্বপূর্ণ জেলা, এখান থেকে একজন মন্ত্রী হলে জেলার উন্নয়ন আরও গতি পেত। আমরা আশা করেছিলাম, কিন্তু সেই আশা পূরণ হয়নি। আরেকজন কর্মীর ভাষ্য, “জয়ের আনন্দ আছে, কিন্তু মন্ত্রীত্ব না পাওয়ায় মনে একটু কষ্ট থেকেই গেল।”
নির্বাচনের পর সম্ভাব্য মন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় ছিলেন মান্নানপুত্র এম মঞ্জুরুল করিম রনি ও গাজীপুর-৫ আসনের আলোচিত নেতা একে এম ফজলুল হক মিলন। তবে শেষ পর্যন্ত তাদের কেউই মন্ত্রিসভায় জায়গা না পাওয়ায় প্রত্যাশার জায়গায় তৈরি হয়েছে না-পাওয়ার দুঃখ-বেদনা।
স্থানীয় কয়েকজন নেতাকর্মীর বক্তব্যেও বলেন, “দল যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটাকে আমরা সম্মান করি। তবে গাজীপুরের মানুষের প্রত্যাশা ছিল, সেটা ভবিষ্যতে পূরণ হবে বলেই আমরা আশাবাদী।”
অন্য এক নেতা মন্তব্য করেন, “মন্ত্রীত্ব না পাওয়া মানেই সব শেষ নয়; রাজনৈতিক বাস্তবতায় সামনে সুযোগ আসতেই পারে। এদিকে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে চলছে ব্যাপক আলোচনা। কেউ হতাশা প্রকাশ করছেন, আবার কেউ ভবিষ্যতে গাজীপুর থেকে মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরছেন।
সব মিলিয়ে নির্বাচনী বিজয়ের আনন্দের পাশাপাশি গাজীপুরজুড়ে এখন না-পাওয়ার কষ্ট, প্রত্যাশা ও ভবিষ্যৎ আশার মিশ্র আবহ বিরাজ করছে স্থানীয় রাজনীতির আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। প্রতিক্রিয়া জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে বিজয়ী এম মঞ্জুরুল করিম রনি ও একেএম ফজলুল হক মিলনের সাড়া পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন