এসময় হজযাত্রীদের কাছে দেশ ও জাতির কল্যাণের জন্য দোয়া চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা দেশ ও দেশের মানুষের জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ যেন আমাদের সেই তৌফিক দেন, যাতে সামনের সব সমস্যা ও বিপদ আমরা মোকাবিলা করতে পারি। দেশের মানুষের কল্যাণে সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলো যেন সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি।’ হজ ব্যবস্থাপনা নিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা সরকার গঠনের আগেই অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এই হজ ব্যবস্থার বেশিরভাগ কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছিল। তারপরও আমরা যতটুকু সম্ভব চেষ্টা করেছি এবং অন্তত ১২ হাজার টাকা খরচ কমিয়েছি।
আগামী বছর যাতে আরও কম খরচে হজে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে পারি, সেজন্য আপনারা দোয়া করবেন। ’এর আগে রাত ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দর এলাকায় পৌঁছে প্রথমেই রাজধানীর আশকোনা হজ ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি হজযাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এসময় তার সঙ্গে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদসহ ধর্ম মন্ত্রণালয় ও শাহজালাল বিমানবন্দরের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। হজ ফ্লাইটের উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী বিমানে উঠে হজযাত্রীদের সঙ্গে দেখা করেন। সেখানে হজযাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা এবং দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত শেষে বিমানবন্দর ত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
এসময় হজযাত্রীদের কাছে দেশ ও জাতির কল্যাণের জন্য দোয়া চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা দেশ ও দেশের মানুষের জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ যেন আমাদের সেই তৌফিক দেন, যাতে সামনের সব সমস্যা ও বিপদ আমরা মোকাবিলা করতে পারি। দেশের মানুষের কল্যাণে সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলো যেন সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি।’ হজ ব্যবস্থাপনা নিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা সরকার গঠনের আগেই অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এই হজ ব্যবস্থার বেশিরভাগ কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছিল। তারপরও আমরা যতটুকু সম্ভব চেষ্টা করেছি এবং অন্তত ১২ হাজার টাকা খরচ কমিয়েছি।
আগামী বছর যাতে আরও কম খরচে হজে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে পারি, সেজন্য আপনারা দোয়া করবেন। ’এর আগে রাত ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী বিমানবন্দর এলাকায় পৌঁছে প্রথমেই রাজধানীর আশকোনা হজ ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি হজযাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এসময় তার সঙ্গে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদসহ ধর্ম মন্ত্রণালয় ও শাহজালাল বিমানবন্দরের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। হজ ফ্লাইটের উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী বিমানে উঠে হজযাত্রীদের সঙ্গে দেখা করেন। সেখানে হজযাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা এবং দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত শেষে বিমানবন্দর ত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন