বগুড়া নন্দীগ্রামে তারাবীর নামাজ পড়তে গিয়ে প্রাণ হারাল ১৭ বছর বয়সী এক কিশোর। পূর্ব শত্রুতার জেরে ছুরিকাঘাতে মিলন (১৭) নামে ওই কিশোর নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়নের নিজ গ্রামে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত মিলন ওই গ্রামের দেলবরের ছেলে সে ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে মিলনের ওপর হামলা চালানো হয়। তারাবীর নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হলে একদল দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ছুরিকাঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পড়ে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শজিমেক)-এ নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, “হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি আমরা নিশ্চিত হয়েছি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান চলছে।”
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে এমন হত্যাকাণ্ডে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বগুড়া নন্দীগ্রামে তারাবীর নামাজ পড়তে গিয়ে প্রাণ হারাল ১৭ বছর বয়সী এক কিশোর। পূর্ব শত্রুতার জেরে ছুরিকাঘাতে মিলন (১৭) নামে ওই কিশোর নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়নের নিজ গ্রামে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত মিলন ওই গ্রামের দেলবরের ছেলে সে ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জেরে মিলনের ওপর হামলা চালানো হয়। তারাবীর নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হলে একদল দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ছুরিকাঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পড়ে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শজিমেক)-এ নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, “হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি আমরা নিশ্চিত হয়েছি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান চলছে।”
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে এমন হত্যাকাণ্ডে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

আপনার মতামত লিখুন