বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার আড়িয়া রহিমাবাদ মধ্যপাড়া এলাকায় ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে সানজিদা আক্তার শান্তনা (১৮) নামে এক কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে শাজাহানপুর থানা পুলিশ।
বুধবার (০৪ মার্চ) বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে জনৈক অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট খোরশেদ আলমের ভাড়া বাসার শয়নকক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শান্তনা বগুড়া ওয়াইএমসিএ কলেজর ইন্টারমিডিয়েট দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী এবং উপজেলার চোপিনগর ইউনিয়নের কামারপাড়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের মেয়ে। তিনি মায়ের সঙ্গে রহিমাবাদ মধ্যপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
শান্তনার মা স্বপ্না আক্তার খুকি জানান, গতকাল মঙ্গলবার (৩ মার্চ) তাঁর মেয়ের কাছে এক সহপাঠী এসেছিল। তাদের মধ্যে কী কথা হয়েছে, তা তিনি জানেন না। উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছে আর তখন থেকেই শান্তনার মন খারাপ ছিল। আজ আমার চোখের আড়ালে সে আত্মহত্যা করেছে।
আরও জানান, অন্যের বাড়িতে কাজ করে তিনি শান্তনাকে বড় করেন। তার বাবা শফিকুলের সঙ্গে বহু বছর তাঁদের কোনো যোগাযোগ নেই
খবর পেয়ে থানা পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর গোলাম মোস্তফা ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তৌহিদুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ, শাজাহানপুর থানা বলেন, একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার আড়িয়া রহিমাবাদ মধ্যপাড়া এলাকায় ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে সানজিদা আক্তার শান্তনা (১৮) নামে এক কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে শাজাহানপুর থানা পুলিশ।
বুধবার (০৪ মার্চ) বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে জনৈক অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট খোরশেদ আলমের ভাড়া বাসার শয়নকক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শান্তনা বগুড়া ওয়াইএমসিএ কলেজর ইন্টারমিডিয়েট দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী এবং উপজেলার চোপিনগর ইউনিয়নের কামারপাড়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের মেয়ে। তিনি মায়ের সঙ্গে রহিমাবাদ মধ্যপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
শান্তনার মা স্বপ্না আক্তার খুকি জানান, গতকাল মঙ্গলবার (৩ মার্চ) তাঁর মেয়ের কাছে এক সহপাঠী এসেছিল। তাদের মধ্যে কী কথা হয়েছে, তা তিনি জানেন না। উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছে আর তখন থেকেই শান্তনার মন খারাপ ছিল। আজ আমার চোখের আড়ালে সে আত্মহত্যা করেছে।
আরও জানান, অন্যের বাড়িতে কাজ করে তিনি শান্তনাকে বড় করেন। তার বাবা শফিকুলের সঙ্গে বহু বছর তাঁদের কোনো যোগাযোগ নেই
খবর পেয়ে থানা পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর গোলাম মোস্তফা ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তৌহিদুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ, শাজাহানপুর থানা বলেন, একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন