বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় বিএসটিআই- এর অনুমোদনহীন এবং অত্যন্ত নোংরা পরিবেশে সেমাই ও মুখরোচক খাবার তৈরির অপরাধে ‘ডলি ফুড প্রোডাক্টস’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ রোববার (৮ মার্চ) উপজেলার বারদুয়ারী এলাকায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বগুড়া জেলা কার্যালয়ের এক অভিযানে এই দণ্ড প্রদান করা হয়।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জেলা সহকারী পরিচালক জনাব মোঃ মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে কারখানাটিতে ভয়াবহ চিত্র ধরা পড়ে।
সরেজমিনে দেখা যায়: অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে সেমাই, ঝুড়ি ভাজা, নিমকি ও মনেক্কা তৈরি এবং সংরক্ষণ করা হচ্ছে।
বিএসটিআই-এর প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে সেমাই উৎপাদন করা হচ্ছে।
পোড়া তেল দিয়ে ডালডা গলিয়ে তা পুনরায় সেমাই তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে।
কারখানায় নিয়োজিত কর্মীদের মধ্যে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি ও সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহারের কোনো বালাই ছিল না।
ভোক্তা অধিকার বিরোধী এসব অপরাধের দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে নগদ ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা আর্থিক জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিক তা আদায় করা হয়। একইসঙ্গে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে কারখানার অবকাঠামোগত পরিবর্তন ও সরকারি সকল বিধিবিধান প্রতিপালনের কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
অভিযান পরিচালনায় সার্বিক সহযোগিতা করেন শেরপুর উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর জনাব তাহমিনা আক্তার এবং কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), বগুড়ার সাধারণ সম্পাদক জনাব ফজিলাতুন্নেছা ফৌজিয়া। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের একটি চৌকস টিম অভিযানে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের বাজার মনিটরিং ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় বিএসটিআই- এর অনুমোদনহীন এবং অত্যন্ত নোংরা পরিবেশে সেমাই ও মুখরোচক খাবার তৈরির অপরাধে ‘ডলি ফুড প্রোডাক্টস’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ রোববার (৮ মার্চ) উপজেলার বারদুয়ারী এলাকায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বগুড়া জেলা কার্যালয়ের এক অভিযানে এই দণ্ড প্রদান করা হয়।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জেলা সহকারী পরিচালক জনাব মোঃ মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে কারখানাটিতে ভয়াবহ চিত্র ধরা পড়ে।
সরেজমিনে দেখা যায়: অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে সেমাই, ঝুড়ি ভাজা, নিমকি ও মনেক্কা তৈরি এবং সংরক্ষণ করা হচ্ছে।
বিএসটিআই-এর প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে সেমাই উৎপাদন করা হচ্ছে।
পোড়া তেল দিয়ে ডালডা গলিয়ে তা পুনরায় সেমাই তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে।
কারখানায় নিয়োজিত কর্মীদের মধ্যে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি ও সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহারের কোনো বালাই ছিল না।
ভোক্তা অধিকার বিরোধী এসব অপরাধের দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে নগদ ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা আর্থিক জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিক তা আদায় করা হয়। একইসঙ্গে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে কারখানার অবকাঠামোগত পরিবর্তন ও সরকারি সকল বিধিবিধান প্রতিপালনের কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
অভিযান পরিচালনায় সার্বিক সহযোগিতা করেন শেরপুর উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর জনাব তাহমিনা আক্তার এবং কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব), বগুড়ার সাধারণ সম্পাদক জনাব ফজিলাতুন্নেছা ফৌজিয়া। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের একটি চৌকস টিম অভিযানে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের বাজার মনিটরিং ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন