বগুড়ার গাবতলীতে যৌতুকের দাবিতে সীমা রানী (২৩) নামে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী অর্জুন চন্দ্র পালসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন আত্মগোপনে রয়েছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে মরদেহ নিয়ে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোনাতলা উপজেলার চরপাড়া মাঝিপাড়া গ্রামের নিশি প্রামাণিকের মেয়ে সীমা রানীর সঙ্গে গাবতলী উপজেলার মহিষাবান গ্রামের দেবেন্দ্র চন্দ্র পালের ছেলে অর্জুন চন্দ্র পালের বিয়ে হয়। স্বজনদের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই অতিরিক্ত যৌতুকের দাবিতে সীমার ওপর প্রায়ই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো। গত শুক্রবার যৌতুক নিয়ে বিরোধের এক পর্যায়ে সীমাকে বেদম মারধর ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় বলে দাবি পরিবারের।
অভিযোগ উঠেছে, হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাটি ‘আত্মহত্যা’ বলে চালিয়ে দিতে সীমার মরদেহ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়। নিহতের পরিবার জানায়, সীমার মৃত্যুর খবর শ্বশুরবাড়ি থেকে তাদের জানানো হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবর পেয়ে তারা গাবতলীতে গিয়ে বাড়ির বারান্দার মেঝেতে সীমার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন।
শনিবার সকালে গাবতলী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ এলাকায় পৌঁছালে ক্ষোভে ফেটে পড়ে স্বজন ও স্থানীয়রা। ঘাতকদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে তারা মরদেহ নিয়ে সোনাতলা-গাবতলী সড়কে অবস্থান নেয় এবং দীর্ঘ সময় যান চলাচল বন্ধ করে দেয়।
গাবতলী থানা পুলিশ জানিয়েছে, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং সেই অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে অভিযুক্তদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
বগুড়ার গাবতলীতে যৌতুকের দাবিতে সীমা রানী (২৩) নামে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী অর্জুন চন্দ্র পালসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন আত্মগোপনে রয়েছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে মরদেহ নিয়ে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোনাতলা উপজেলার চরপাড়া মাঝিপাড়া গ্রামের নিশি প্রামাণিকের মেয়ে সীমা রানীর সঙ্গে গাবতলী উপজেলার মহিষাবান গ্রামের দেবেন্দ্র চন্দ্র পালের ছেলে অর্জুন চন্দ্র পালের বিয়ে হয়। স্বজনদের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই অতিরিক্ত যৌতুকের দাবিতে সীমার ওপর প্রায়ই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো। গত শুক্রবার যৌতুক নিয়ে বিরোধের এক পর্যায়ে সীমাকে বেদম মারধর ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় বলে দাবি পরিবারের।
অভিযোগ উঠেছে, হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাটি ‘আত্মহত্যা’ বলে চালিয়ে দিতে সীমার মরদেহ ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়। নিহতের পরিবার জানায়, সীমার মৃত্যুর খবর শ্বশুরবাড়ি থেকে তাদের জানানো হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবর পেয়ে তারা গাবতলীতে গিয়ে বাড়ির বারান্দার মেঝেতে সীমার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন।
শনিবার সকালে গাবতলী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ এলাকায় পৌঁছালে ক্ষোভে ফেটে পড়ে স্বজন ও স্থানীয়রা। ঘাতকদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে তারা মরদেহ নিয়ে সোনাতলা-গাবতলী সড়কে অবস্থান নেয় এবং দীর্ঘ সময় যান চলাচল বন্ধ করে দেয়।
গাবতলী থানা পুলিশ জানিয়েছে, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং সেই অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে অভিযুক্তদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন