বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার খরনা ইউনিয়নে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী অটোচালকের ওপর হামলা, মোবাইল ফোন ছিনতাই এবং অটোরিকশা ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতা ও তার ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে প্রায় ৮০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতির দাবি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী সজল হোসেন (২৮) উপজেলার বীরগ্রাম মধ্যপাড়ার বাসিন্দা। তিনি এক পা দিয়ে অটো চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (২৯ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে চকভ্যালি ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন সড়ক দিয়ে অটো নিয়ে যাওয়ার সময় কয়েকজন তার পথরোধ করে।
অভিযোগে বলা হয়, এ সময় স্থানীয় বিএনপি নেতা হাফিজুর রহমান কাজল-এর ছেলে মেহেদী হাসানসহ কয়েকজন তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে জোরপূর্বক তাকে অটোসহ কাজলের বাড়ির সামনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে দলবদ্ধভাবে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। একই সঙ্গে তার অটো ও মোবাইল ফোন ভাঙচুর করা হয়।
সজল হোসেনের দাবি, হামলাকারীরা অভিযোগ তোলে যে তিনি নাকি তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেছেন। সেই ক্ষোভ থেকেই তার ওপর এ হামলা চালানো হয়। এ সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। লিখিত অভিযোগে কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীর নামও উল্লেখ করা হয়েছে।
জানা গেছে, অভিযুক্ত হাফিজুর রহমান কাজল উপজেলা বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ও খরনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে হাফিজুর রহমান কাজল বলেন, “বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার ছেলের সঙ্গে সজলের ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটলেও মারধর বা ভাঙচুরের কোনো ঘটনা ঘটেনি।”
এ বিষয়ে শাজাহানপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আশিক ইকবাল বলেন,
“অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার খরনা ইউনিয়নে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী অটোচালকের ওপর হামলা, মোবাইল ফোন ছিনতাই এবং অটোরিকশা ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতা ও তার ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে প্রায় ৮০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতির দাবি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী সজল হোসেন (২৮) উপজেলার বীরগ্রাম মধ্যপাড়ার বাসিন্দা। তিনি এক পা দিয়ে অটো চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (২৯ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে চকভ্যালি ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন সড়ক দিয়ে অটো নিয়ে যাওয়ার সময় কয়েকজন তার পথরোধ করে।
অভিযোগে বলা হয়, এ সময় স্থানীয় বিএনপি নেতা হাফিজুর রহমান কাজল-এর ছেলে মেহেদী হাসানসহ কয়েকজন তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে জোরপূর্বক তাকে অটোসহ কাজলের বাড়ির সামনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে দলবদ্ধভাবে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। একই সঙ্গে তার অটো ও মোবাইল ফোন ভাঙচুর করা হয়।
সজল হোসেনের দাবি, হামলাকারীরা অভিযোগ তোলে যে তিনি নাকি তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেছেন। সেই ক্ষোভ থেকেই তার ওপর এ হামলা চালানো হয়। এ সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। লিখিত অভিযোগে কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীর নামও উল্লেখ করা হয়েছে।
জানা গেছে, অভিযুক্ত হাফিজুর রহমান কাজল উপজেলা বিএনপির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ও খরনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে হাফিজুর রহমান কাজল বলেন, “বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার ছেলের সঙ্গে সজলের ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটলেও মারধর বা ভাঙচুরের কোনো ঘটনা ঘটেনি।”
এ বিষয়ে শাজাহানপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আশিক ইকবাল বলেন,
“অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আপনার মতামত লিখুন