বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় গ্রামীণ জনপদের যোগাযোগ ও কৃষিখাতের উন্নয়নে চলমান প্রকল্পগুলো সরেজমিনে তদারকি শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। এরই অংশ হিসেবে অদ্য ১৩ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার উপজেলার ৬নং বিশালপুর ইউনিয়নে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় একটি নবনির্মিত সেতু পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. সাইদুজ্জামান হিমু।
পরিদর্শনকৃত প্রকল্পটি হলো “বিশালপুর ইউনিয়নের গোয়ালবিশ্বা হতে আটাইল যাওয়ার রাস্তায় খারির খালের উপর ৯.১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতু নির্মাণ”।
পরিদর্শনকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজের গুণগত মান এবং সঠিক পরিমাপ খতিয়ে দেখেন। তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন যেন কাজের মান বজায় রেখে দ্রুততম সময়ের মধ্যে জনচলাচলের জন্য এটি উন্মুক্ত করা হয়। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল জব্বার এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অন্যান্য দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ।
সুফল পাবেন হাজারো মানুষ ও কৃষক: স্থানীয় সূত্র জানায়, এই সেতুটি নির্মিত হওয়ার ফলে ওই এলাকার ৩টি গ্রামের প্রায় ২ হাজার মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগ লাঘব হবে। বিশেষ করে অত্র ইউনিয়নের কৃষকদের জন্য এটি বড় আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেতুটি চালু হলে এলাকার কৃষকদের উৎপাদিত প্রায় ২৫০ বিঘা আবাদি জমির ফসল খুব সহজেই বাজারে বাজারজাত করা সম্ভব হবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শুধু বিশালপুর ইউনিয়নই নয়, পর্যায়ক্রমে উপজেলার সকল ইউনিয়নে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের কাজগুলো এভাবে সরেজমিনে পরিদর্শন ও যাচাই করা হবে। কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় গ্রামীণ জনপদের যোগাযোগ ও কৃষিখাতের উন্নয়নে চলমান প্রকল্পগুলো সরেজমিনে তদারকি শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। এরই অংশ হিসেবে অদ্য ১৩ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার উপজেলার ৬নং বিশালপুর ইউনিয়নে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় একটি নবনির্মিত সেতু পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. সাইদুজ্জামান হিমু।
পরিদর্শনকৃত প্রকল্পটি হলো “বিশালপুর ইউনিয়নের গোয়ালবিশ্বা হতে আটাইল যাওয়ার রাস্তায় খারির খালের উপর ৯.১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতু নির্মাণ”।
পরিদর্শনকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজের গুণগত মান এবং সঠিক পরিমাপ খতিয়ে দেখেন। তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন যেন কাজের মান বজায় রেখে দ্রুততম সময়ের মধ্যে জনচলাচলের জন্য এটি উন্মুক্ত করা হয়। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল জব্বার এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অন্যান্য দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ।
সুফল পাবেন হাজারো মানুষ ও কৃষক: স্থানীয় সূত্র জানায়, এই সেতুটি নির্মিত হওয়ার ফলে ওই এলাকার ৩টি গ্রামের প্রায় ২ হাজার মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগ লাঘব হবে। বিশেষ করে অত্র ইউনিয়নের কৃষকদের জন্য এটি বড় আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেতুটি চালু হলে এলাকার কৃষকদের উৎপাদিত প্রায় ২৫০ বিঘা আবাদি জমির ফসল খুব সহজেই বাজারে বাজারজাত করা সম্ভব হবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শুধু বিশালপুর ইউনিয়নই নয়, পর্যায়ক্রমে উপজেলার সকল ইউনিয়নে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের কাজগুলো এভাবে সরেজমিনে পরিদর্শন ও যাচাই করা হবে। কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন