বগুড়ার শেরপুর উপজেলার পলিমাটি মাখা জনপদ খানপুর যখন ভোরের আলোয় জেগে ওঠে, তখন সেই আলো কেবল প্রকৃতির নয়, বরং এক নতুন আশার। সেই আশার নাম আশরাফুদ্দৌলা মামুন। ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দে শৈল্ল্যাপাড়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে যখন তার আগমনীধ্বনি শোনা গিয়েছিল, তখন থেকেই যেন এই জনপদের ভাগ্যলিপি এক ভিন্ন মাত্রা পেতে শুরু করে। মামুনের দাদা মরহুম মোসলেম উদ্দিন ছিলেন মৌলিক গণতন্ত্রের সদস্য এবং মাত্র এক ভোটে হেরে যাওয়া চেয়ারম্যান প্রার্থী। মামুনের পিতা আলহাজ্জ মোঃ মতিয়ার রহমান অত্র ইউনিয়নের দুইবারের সাবেক সফল চেয়ারম্যান হিসেবে সততা আর কর্মনিষ্ঠার যে সুউচ্চ মিনার গড়েছিলেন, মামুন যেন তারই এক আধুনিক ও প্রদীপ্ত সংস্করণ। পিতার সেই আদর্শিক ছায়া আর জনকল্যাণের ব্রতকে ধারণ করেই মামুনের পথচলা। তিনি সেই যুবক, যার রক্তে অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের আগুন আছে ঠিকই, কিন্তু আর্তমানবতার তরে হৃদয়ে আছে শরতের আকাশের মতো স্বচ্ছ বিনয়।
মামুনের রাজনৈতিক পথচলা কোনো আকস্মিক মোহ নয়, বরং এটি ছিল এক সুদীর্ঘ ত্যাগের অগ্নিপরীক্ষা। ২০০০ খ্রিস্টাব্দে যখন তিনি ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব নেন, তখন থেকেই তার চোখে ছিল এক বৈষম্যহীন সমাজের স্বপ্ন। রাজনীতির এই পিচ্ছিল ও কণ্টকাকীর্ণ পথে তিনি হেঁটেছেন ধাপে ধাপে। ২০১১ খ্রিস্টাব্দে পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, ২০১২ খ্রিস্টাব্দে উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এবং ২০১৭ খ্রিস্টাব্দে জেলা যুবদলের শিল্প বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে তিনি নিজের সাংগঠনিক দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন। সর্বশেষ ২০২২ খ্রিস্টাব্দে যখন তিনি শেরপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়কের গুরুভার গ্রহণ করেন, তখন সেটি ছিল তার দুই দশকের অবিচল নিষ্ঠার এক অনিবার্য স্বীকৃতি। তবে এ পথ মোটেও কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। এ দেশের রাজনীতির যে রুক্ষ ও নিষ্ঠুর বাস্তবতা, মামুন তাকে আলিঙ্গন করেছেন অকুতোভয় চিত্তে। সাতটি রাজনৈতিক মামলা আর তিনবারের কারাজীবন তার শরীরের চামড়ায় হয়তো দাগ কেটেছে, কিন্তু তার আত্মাকে করতে পারেনি অবদমিত। কারান্তরালের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত তাকে করেছে আরও জনমুখী, আরও সাহসী। বারবার প্রতিপক্ষের নির্মম হামলার শিকার হয়েও তিনি রাজপথ ছেড়ে যাননি, বরং নিজের ক্ষতবিক্ষত শরীর নিয়ে দাঁড়িয়েছেন সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের মিছিলে। বর্তমান সময়ে যখন রাজনীতি অনেকের কাছে আখের গোছানোর এক রূঢ় ব্যবসায় পরিণত হয়েছে, সেখানে মামুন এক বিস্ময়কর ব্যতিক্রম। তিনি রাজনীতিকে পেশা নয়, বরং ‘ইবাদত’ হিসেবে নিয়েছেন। যেখানে পদ-পদবি মানেই বিত্তের পাহাড় গড়া, সেখানে মামুন নিজের ঘাম ঝরানো উপার্জনের প্রতিটি পয়সা অকাতরে বিলিয়ে দিচ্ছেন সাধারণ মানুষের প্রয়োজনে। নিজের ব্যক্তিগত সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যকে বিসর্জন দিয়ে অন্যের মুখে হাসি ফোটানোই যেন তার জীবনের একমাত্র ব্রত।
মামুনের ব্যক্তিত্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দিক হলো তার সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা। তিনি যুগের সেই বিরল সন্ধিক্ষণ, যেখানে দুই প্রজন্ম এসে একবিন্দুতে মিলেছে। তরুণ প্রজন্মের কাছে তিনি কেবল একজন নেতা নন, বরং এক অপরাজেয় ‘আইকন’ ও ছায়া হয়ে থাকা বড় ভাই। তাদের চোখে মামুন মানেই সাহসের প্রতিচ্ছবি, যিনি অন্যায়ের মুখে কখনোই আপস করেন না। অন্যদিকে, প্রবীণদের কাছে তিনি সেই চিরচেনা বিনয়ী সন্তান, যার চোখের দিকে তাকালে তারা হারানো সততা আর বিশ্বস্ততার প্রতিফলন খুঁজে পান। বয়োবৃদ্ধদের কাছে মামুনের গ্রহণযোগ্যতা কেবল তার বংশপরিচয়ে নয়, বরং তার অকৃত্রিম আদব ও শ্রদ্ধাবোধে। সংকটে বা উৎসবে, গ্রামের প্রতিটি দাওয়ানে প্রবীণদের পরামর্শ নিতে তার যে বিনয়, তা আজ বিরল। এই একীভূত আস্থাই তাকে জনপ্রিয়তার এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
শিল্প-সংস্কৃতি আর ক্রীড়াজগতের এক নিভৃত পৃষ্ঠপোষক হিসেবেও তার পরিচিতি ঈর্ষণীয়। এলাকার প্রতিটি খেলার মাঠ থেকে শুরু করে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান—সবখানেই মামুনের উপস্থিতি যেন এক বাড়তি প্রাণশক্তির সঞ্চার করে। এই শৈল্পিক মননই তাকে সব শ্রেণির মানুষের হৃদয়ে স্থান করে দিয়েছে। এলাকার যেকোনো সংকটে গভীর রাতেও সবার আগে যে মানুষটি নিঃশব্দে দুয়ারে এসে দাঁড়ান, তিনি আশরাফুদ্দৌলা মামুন। নিজের আয়ের পথ নয়, বরং সাধারণের দুঃখ মোচনের পথ খুঁজে নেওয়া এই মানুষটি আজ খানপুরের প্রতিটি ঘরে ঘরে এক আস্থার নাম।
পিতার দেখানো আদর্শের আলোকবর্তিকা হাতে নিয়ে মামুন এখন দাঁড়িয়ে আছেন এক নতুন গন্তব্যের মুখে। খানপুর ইউনিয়নের প্রতিটি মেঠোপথ আজ তার আগমনে মুখরিত। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যখন প্রার্থীদের নামের দীর্ঘ তালিকা তৈরি হচ্ছে, তখন চায়ের দোকান থেকে শুরু করে ধানক্ষেতের আইল—সবখানেই নবীনদের অদম্য উচ্ছ্বাস আর প্রবীণদের আশীর্বাদপুষ্ট কণ্ঠে একটি নামই সবার আগে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে: আশরাফুদ্দৌলা মামুন। এলাকাবাসীর অটল বিশ্বাস, মামুন চেয়ারম্যান হওয়া মানেই জনপদের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন। মানুষ জানে, মামুন মানেই নিজের পকেটের টাকা খরচ করে জনগণের সেবায় ঝাঁপিয়ে পড়া এক নিঃস্বার্থ প্রাণ। তার মাঝে মানুষ খুঁজে পায় সেই নির্ভীক নেতৃত্বকে, যে প্রতিকূল ঢেউ সামলে উন্নয়নের তরীকে তীরে ভেড়াতে সক্ষম।
মামুনের এই জয়যাত্রা কেবল ক্ষমতার মোহে নয়, বরং খানপুরকে একটি আধুনিক, মাদকমুক্ত ও মানবিক ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার সংকল্পে। শৈল্ল্যাপাড়ার সেই ছোট্ট ছেলেটি আজ পুরো খানপুরের অবিচ্ছেদ্য স্পন্দন। তার সততা, তার অদম্য সাহস আর সাধারণ মানুষের প্রতি গভীর দায়বদ্ধতাই তাকে অন্যদের চেয়ে যোজন যোজন এগিয়ে রেখেছে। খানপুরের মাটি আর মানুষের যে নাড়ির টান, তা মামুনের ধমনীতে বহমান। প্রবীণদের আশীর্বাদ আর নবীনদের উদ্যম সঙ্গী করে মামুনের এই যাত্রা হবে আগামীর সোনালী ইতিহাসের ভিত্তি। তিনি কেবল একজন চেয়ারম্যান প্রার্থী নন, তিনি খানপুরের প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে গেঁথে থাকা এক চিরস্থায়ী আস্থার নাম।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার পলিমাটি মাখা জনপদ খানপুর যখন ভোরের আলোয় জেগে ওঠে, তখন সেই আলো কেবল প্রকৃতির নয়, বরং এক নতুন আশার। সেই আশার নাম আশরাফুদ্দৌলা মামুন। ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দে শৈল্ল্যাপাড়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে যখন তার আগমনীধ্বনি শোনা গিয়েছিল, তখন থেকেই যেন এই জনপদের ভাগ্যলিপি এক ভিন্ন মাত্রা পেতে শুরু করে। মামুনের দাদা মরহুম মোসলেম উদ্দিন ছিলেন মৌলিক গণতন্ত্রের সদস্য এবং মাত্র এক ভোটে হেরে যাওয়া চেয়ারম্যান প্রার্থী। মামুনের পিতা আলহাজ্জ মোঃ মতিয়ার রহমান অত্র ইউনিয়নের দুইবারের সাবেক সফল চেয়ারম্যান হিসেবে সততা আর কর্মনিষ্ঠার যে সুউচ্চ মিনার গড়েছিলেন, মামুন যেন তারই এক আধুনিক ও প্রদীপ্ত সংস্করণ। পিতার সেই আদর্শিক ছায়া আর জনকল্যাণের ব্রতকে ধারণ করেই মামুনের পথচলা। তিনি সেই যুবক, যার রক্তে অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের আগুন আছে ঠিকই, কিন্তু আর্তমানবতার তরে হৃদয়ে আছে শরতের আকাশের মতো স্বচ্ছ বিনয়।
মামুনের রাজনৈতিক পথচলা কোনো আকস্মিক মোহ নয়, বরং এটি ছিল এক সুদীর্ঘ ত্যাগের অগ্নিপরীক্ষা। ২০০০ খ্রিস্টাব্দে যখন তিনি ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব নেন, তখন থেকেই তার চোখে ছিল এক বৈষম্যহীন সমাজের স্বপ্ন। রাজনীতির এই পিচ্ছিল ও কণ্টকাকীর্ণ পথে তিনি হেঁটেছেন ধাপে ধাপে। ২০১১ খ্রিস্টাব্দে পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, ২০১২ খ্রিস্টাব্দে উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এবং ২০১৭ খ্রিস্টাব্দে জেলা যুবদলের শিল্প বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে তিনি নিজের সাংগঠনিক দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন। সর্বশেষ ২০২২ খ্রিস্টাব্দে যখন তিনি শেরপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়কের গুরুভার গ্রহণ করেন, তখন সেটি ছিল তার দুই দশকের অবিচল নিষ্ঠার এক অনিবার্য স্বীকৃতি। তবে এ পথ মোটেও কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। এ দেশের রাজনীতির যে রুক্ষ ও নিষ্ঠুর বাস্তবতা, মামুন তাকে আলিঙ্গন করেছেন অকুতোভয় চিত্তে। সাতটি রাজনৈতিক মামলা আর তিনবারের কারাজীবন তার শরীরের চামড়ায় হয়তো দাগ কেটেছে, কিন্তু তার আত্মাকে করতে পারেনি অবদমিত। কারান্তরালের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত তাকে করেছে আরও জনমুখী, আরও সাহসী। বারবার প্রতিপক্ষের নির্মম হামলার শিকার হয়েও তিনি রাজপথ ছেড়ে যাননি, বরং নিজের ক্ষতবিক্ষত শরীর নিয়ে দাঁড়িয়েছেন সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের মিছিলে। বর্তমান সময়ে যখন রাজনীতি অনেকের কাছে আখের গোছানোর এক রূঢ় ব্যবসায় পরিণত হয়েছে, সেখানে মামুন এক বিস্ময়কর ব্যতিক্রম। তিনি রাজনীতিকে পেশা নয়, বরং ‘ইবাদত’ হিসেবে নিয়েছেন। যেখানে পদ-পদবি মানেই বিত্তের পাহাড় গড়া, সেখানে মামুন নিজের ঘাম ঝরানো উপার্জনের প্রতিটি পয়সা অকাতরে বিলিয়ে দিচ্ছেন সাধারণ মানুষের প্রয়োজনে। নিজের ব্যক্তিগত সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যকে বিসর্জন দিয়ে অন্যের মুখে হাসি ফোটানোই যেন তার জীবনের একমাত্র ব্রত।
মামুনের ব্যক্তিত্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দিক হলো তার সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা। তিনি যুগের সেই বিরল সন্ধিক্ষণ, যেখানে দুই প্রজন্ম এসে একবিন্দুতে মিলেছে। তরুণ প্রজন্মের কাছে তিনি কেবল একজন নেতা নন, বরং এক অপরাজেয় ‘আইকন’ ও ছায়া হয়ে থাকা বড় ভাই। তাদের চোখে মামুন মানেই সাহসের প্রতিচ্ছবি, যিনি অন্যায়ের মুখে কখনোই আপস করেন না। অন্যদিকে, প্রবীণদের কাছে তিনি সেই চিরচেনা বিনয়ী সন্তান, যার চোখের দিকে তাকালে তারা হারানো সততা আর বিশ্বস্ততার প্রতিফলন খুঁজে পান। বয়োবৃদ্ধদের কাছে মামুনের গ্রহণযোগ্যতা কেবল তার বংশপরিচয়ে নয়, বরং তার অকৃত্রিম আদব ও শ্রদ্ধাবোধে। সংকটে বা উৎসবে, গ্রামের প্রতিটি দাওয়ানে প্রবীণদের পরামর্শ নিতে তার যে বিনয়, তা আজ বিরল। এই একীভূত আস্থাই তাকে জনপ্রিয়তার এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
শিল্প-সংস্কৃতি আর ক্রীড়াজগতের এক নিভৃত পৃষ্ঠপোষক হিসেবেও তার পরিচিতি ঈর্ষণীয়। এলাকার প্রতিটি খেলার মাঠ থেকে শুরু করে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান—সবখানেই মামুনের উপস্থিতি যেন এক বাড়তি প্রাণশক্তির সঞ্চার করে। এই শৈল্পিক মননই তাকে সব শ্রেণির মানুষের হৃদয়ে স্থান করে দিয়েছে। এলাকার যেকোনো সংকটে গভীর রাতেও সবার আগে যে মানুষটি নিঃশব্দে দুয়ারে এসে দাঁড়ান, তিনি আশরাফুদ্দৌলা মামুন। নিজের আয়ের পথ নয়, বরং সাধারণের দুঃখ মোচনের পথ খুঁজে নেওয়া এই মানুষটি আজ খানপুরের প্রতিটি ঘরে ঘরে এক আস্থার নাম।
পিতার দেখানো আদর্শের আলোকবর্তিকা হাতে নিয়ে মামুন এখন দাঁড়িয়ে আছেন এক নতুন গন্তব্যের মুখে। খানপুর ইউনিয়নের প্রতিটি মেঠোপথ আজ তার আগমনে মুখরিত। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যখন প্রার্থীদের নামের দীর্ঘ তালিকা তৈরি হচ্ছে, তখন চায়ের দোকান থেকে শুরু করে ধানক্ষেতের আইল—সবখানেই নবীনদের অদম্য উচ্ছ্বাস আর প্রবীণদের আশীর্বাদপুষ্ট কণ্ঠে একটি নামই সবার আগে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে: আশরাফুদ্দৌলা মামুন। এলাকাবাসীর অটল বিশ্বাস, মামুন চেয়ারম্যান হওয়া মানেই জনপদের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন। মানুষ জানে, মামুন মানেই নিজের পকেটের টাকা খরচ করে জনগণের সেবায় ঝাঁপিয়ে পড়া এক নিঃস্বার্থ প্রাণ। তার মাঝে মানুষ খুঁজে পায় সেই নির্ভীক নেতৃত্বকে, যে প্রতিকূল ঢেউ সামলে উন্নয়নের তরীকে তীরে ভেড়াতে সক্ষম।
মামুনের এই জয়যাত্রা কেবল ক্ষমতার মোহে নয়, বরং খানপুরকে একটি আধুনিক, মাদকমুক্ত ও মানবিক ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার সংকল্পে। শৈল্ল্যাপাড়ার সেই ছোট্ট ছেলেটি আজ পুরো খানপুরের অবিচ্ছেদ্য স্পন্দন। তার সততা, তার অদম্য সাহস আর সাধারণ মানুষের প্রতি গভীর দায়বদ্ধতাই তাকে অন্যদের চেয়ে যোজন যোজন এগিয়ে রেখেছে। খানপুরের মাটি আর মানুষের যে নাড়ির টান, তা মামুনের ধমনীতে বহমান। প্রবীণদের আশীর্বাদ আর নবীনদের উদ্যম সঙ্গী করে মামুনের এই যাত্রা হবে আগামীর সোনালী ইতিহাসের ভিত্তি। তিনি কেবল একজন চেয়ারম্যান প্রার্থী নন, তিনি খানপুরের প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে গেঁথে থাকা এক চিরস্থায়ী আস্থার নাম।

আপনার মতামত লিখুন