দৃষ্টি প্রতিদিন
সর্বশেষ

 সারাদেশ সারাদেশ

মতামতমতামত

‘কাজ শেষ না করে আমরা কোথাও যাচ্ছি না’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করছেন না উল্লেখ করে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, আমরা আমাদের কাজ শেষ না করে কোথাও যাচ্ছি না। শনিবার একনেক বৈঠকের পর হওয়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টিকারী বিষয়গুলো চিহ্নিত করা এবং সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের বিষয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, তিনি চলে যাবেন বলেননি। তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) বলেছেন, আমরা যে কাজ করছি, আমাদের সামনে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাতে অনেক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আমরা সব বাধা অতিক্রম করব।অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর অর্পিত দায়িত্বের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ এর ওপর নির্ভর করছে। আমরা এ দায়িত্ব ছেড়ে যেতে পারি না।পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, আমরা দেখছি বিভিন্ন জায়গা থেকে কী কী বাধা আসছে, কে কী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং আমরা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কী কী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।উপদেষ্টা রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসহ সব পক্ষের সমর্থন চেয়ে বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে থাকা সব শক্তি এবং সব রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে আমরা এ লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করার আহ্বান জানাব। এটা শুধু আমাদের একার দায়িত্ব নয়।ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ আরও বলেন, উপদেষ্টারা স্বপ্রণোদিতভাবে এখানে আসেননি। তবে তাদের একটি জাতীয় দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে এবং তারা তা ছেড়ে যাবেন না।আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের রূপরেখা নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করেননি উপদেষ্টা।

এলডিসির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নীতির পুনর্মূল্যায়ন জরুরি

বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি নীতিমালা  : এলডিসি পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয়তা এবং চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত অধ্যাপক লুৎফে সিদ্দিকী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান।মূল প্রবন্ধে ড. সেলিম রায়হান বলেন, রাজস্ব খাতে সংস্কারের অভাব এবং প্রত্যক্ষ করের মাধ্যমে কর বৃদ্ধিতে সরকারের ব্যর্থতার ফলে পরোক্ষ কর ও আমদানি করের ওপর ব্যাপক নির্ভরতা দেখা দিচ্ছে। প্রতিযোগী দেশগুলোর চেয়ে বাংলাদেশের আমদানি শুল্ক হার অনেক বেশি। রপ্তানি খাতও শুধু তৈরি পোশাকে সীমাবদ্ধ। তাও আবার পোশাকের প্রবৃদ্ধি নগদ প্রণোদনা ও কর ছাড়ের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী চাপ সামলাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি নতুন রপ্তানি পণ্য ও নতুন বাজার খোঁজা উচিত।প্রধান অতিথির বক্তব্যে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যকার কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। তবে যে গতিতে বর্তমানে সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম। সত্যিকার অর্থে শিল্প খাতসহ অন্য সেক্টরে কোনো দীর্ঘমেয়াদে রোডম্যাপ নেই, যা হতাশার বিষয়। এলডিসি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পাশাপাশি সরকারের সংস্থাগুলোর মধ্যকার সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশকে এলডিসি উত্তরণ করতেই হবে। এখান থেকে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। তবে এলডিসি পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের উচ্চমানের তৈরি পোশাক, ওষুধ এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের ওপর বেশি হারে মনোযোগী হতে হবে। তিনি আরও বলেন, এলডিসি উত্তরণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিল্প-কারখানা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা মধ্যে সমন্বয় ও পারস্পরিক আস্থা-বিশ্বাস বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য (কাস্টমস) কাজী মোস্তাফিজুর রহমান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নেন বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের জয়েন্ট চিফ (ইন্টারন্যাশাল কো-অপারেশন ডিভিশন) মসিউল ইসলাম, বেসিসের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, ডেল্টা ফার্মা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. জাকির হোসেন এবং ফকির ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফকির কামরুজ্জামান নাহিদ প্রমুখ।

অনিয়মে জর্জরিত ‘ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স’, ঝুঁকিতে ব্যান্ডউইথ নিরাপত্তা

নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়মকানুন উপেক্ষা করে একে একে আইআইজি, আইটিসি, আইজিডব্লিউসহ ইন্টারনেট-টেলিকম খাতের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স দখলে নেয় আওয়ামী সুবিধাভোগী এ প্রতিষ্ঠান। এসব লাইসেন্স অর্জনে রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক সুবিধা ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।সংশ্লিষ্ট সূত্র ও নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি), দেশের অভ্যন্তরের আইটিসি প্রতিষ্ঠান এবং এয়ারটেল ও টাটার মতো শীর্ষ ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ওয়ান এশিয়ার মোট বকেয়ার পরিমাণ ২৩ কোটি টাকারও বেশি। বিটিআরসির কাছেই এর বকেয়া প্রায় ৪ কোটি টাকা। বিএসসিসিএল-এর কাছে রয়েছে আরও ১ কোটি টাকার বেশি। অপরদিকে টেলিকম জায়ান্ট এয়ারটেল তাদের ১৩ কোটি টাকার এবং টাটা ৫ কোটি টাকার বকেয়া দাবি করছে। এদিকে বকেয়া আদায়ে নানাভাবে চেষ্টা করে না পেয়ে ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স-এর বিরুদ্ধে বিএসসিপিএলসি ঢাকা জেলা জজ আদালতে ‘আরবিট্রেশন মামলা’ দায়ের করে। এর রায়ে তারা জয়ী হয়। সেই রায়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি ‘অ্যাওয়ার্ড এক্সিকিউশন মামলা’ করে, যা এখনো চলমান রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তারা সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, যেন লাইসেন্স বাতিল না হয় এবং তাদের ব্যবসা চালু রাখা যায়। ইতোমধ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে তারা এনওসিও নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিটিআরসির একটি সূত্র।ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স একসময় আইআইজি, আইটিসি ও আইজিডব্লিউ লাইসেন্স নিয়ে টেলিকম বাজারে প্রবেশ করলেও সময়ের সঙ্গে শর্ত লঙ্ঘন করে একাধিক অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। তাদের মালিকানাধীন বেঙ্গল ব্রডব্যান্ড ২০১৬ সালে ডিভিশনাল আইএসপি লাইসেন্স পেলেও নবায়ন না করেই বর্তমানে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি এর মালিকানাধীন প্রিজমা ডিজিটাল নেটওয়ার্কের রয়েছে ন্যাশন ওয়াইড আইএসপি লাইসেন্স।এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বারবার মোবালইল ফোনে কল, হোয়াটসঅ্যাপ ও এসএমএসে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় ওয়ান এশিয়া অ্যালায়ন্সের মূল প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল কমিউনিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসফারিয়া খায়েরের সঙ্গে। তবে তিনি সাড়া দেননি। পরে পুনরায় চেষ্টা করলে দেখা যায়, তিনি প্রতিবেদকের নম্বরই ব্লক করে দিয়েছেন।বিটিআরসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্সকে মোট বকেয়ার ৫০ শতাংশ এককালীন পরিশোধ এবং বাকি অংশ কিস্তিতে পরিশোধের শর্তে এনওসি প্রদান করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত মাত্র ১ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে বলে তিনি জানান।ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, আইএসপি সেক্টরের সেবাদান নির্ভর করে আইআইজি ও ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারীদের ওপর। কেউ যদি কোটি টাকা বকেয়া রেখে অনিয়ম করে, তা গ্রাহকের নিরাপত্তা ও নিরবচ্ছিন্ন সংযোগের জন্য হুমকি। তবে নেপথ্যে যদি নীতিগত বা কাঠামোগত কোনো সমস্যা থাকে, সেটাও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম নিয়ম ও নীতিমালার আলোকে পর্যালোচনা জরুরি। এক্ষেত্রে যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বকেয়া বা নীতিগত ব্যত্যয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে তা ন্যায্যতার ভিত্তিতে সমাধান হওয়া উচিত। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসলাম হোসেন যুগান্তরকে বলেন, দীর্ঘদিন তাগাদা দিলেও প্রতিষ্ঠানটি পাওনা পরিশোধ করেনি, চিঠির জবাবও দেয়নি। এখন তাদের কাউকে খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে মামলা করেছি।ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব যুগান্তরকে বলেন, আমরা চাই, ব্যবসায়ীরা স্বচ্ছন্দে ব্যবসা করুক, গ্রাহকদের সেবা দিক। কিন্তু সরকারের পাওনা পরিশোধ না করে কেউ যদি অনিয়মে জড়ায়, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

অধ্যাদেশ বিলুপ্তির দাবিতে কর্মবিরতি কর্মসূচি চলবে

ন কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে তাদের স্লোগান দিতে দেখা যায়। এনবিআরের অধীনস্থ সারা দেশের অন্য সব অফিসেও একইভাবে কর্মসূচি পালিত হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে বিকাল ৩টা পর্যন্ত কোনো কাজ হয়নি। ভ্যাট ও কর অফিসেও সেবা বন্ধ ছিল। তবে রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা কাযক্রম চলমান ছিল। শনিবার এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার এদিপ বিল্লাহ, উপকর কমিশনার মোস্তফিজুর রহমান, সহকারী কর কমিশনার ইশতিয়াক হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক, যা ইতোমধ্যেই দেশের প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ ও থিংকট্যাংকসহ সর্বমহলে স্বীকৃতি পেয়েছে। এনবিআর তথা রাজস্ব প্রশাসনের আমূল সংস্কার আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। তবে এই সংস্কার হতে হবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃত সর্বোত্তম ব্যবস্থা ও পদ্ধতির অনুরূপ। দেশের স্বার্থ ও উন্নয়ন দর্শন এতে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হতে হবে। এছাড়া রাজস্ব প্রশাসন অধিকতর কার্যকর, প্রগতিশীল ও দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে এবং এ সংস্কার বিশেষ কারও স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হবে না। কিন্তু রাজস্ব ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের স্বার্থে আমাদের এমন যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে সরকার কেন, কী কারণে এবং কাদের প্ররোচনায় বিলম্ব করছে, তা বোধগম্য নয়।    এতে আরও বলা হয়, আজ (শনিবার) সকাল থেকেই এনবিআর ভবনের অভ্যন্তরে এবং বাইরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি রয়েছে। এ বিষয়টি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনে নানা ধরনের প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলন করতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু এখন দেখছি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে। তবে রোববারও একইভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেখানে হস্তক্ষেপ করবে, সেখানে তারা প্রেস ব্রিফিং করবেন।ভিন্নমত যাদের: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর ও কাস্টমস ক্যাডারের কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ‘দাবি আদায়ের নামে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এখন যা হচ্ছে তা রীতিমতো সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান। এটি সম্পূর্ণ শৃঙ্খলাপরিপন্থি কাজ, সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি এসব কর্মকাণ্ড পারমিট করে না।’ তারা মনে করেন, এনবিআর বিলুপ্ত করে যে গেজেট করা হয়েছে সেখানে প্রত্যাশার অনেক কিছু চলে এসেছে। যেটুকু অবশিষ্ট আছে তা পরবর্তী সংশোধনী ও বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে সংযোজন করা সম্ভব। এজন্য এভাবে আন্দোলন করার প্রয়োজন ছিল না। বিষয়টিকে পুনরায় আলোচনার টেবিলে নিয়ে গেলে ভালো হতো। 

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:০৭ পিএম
দেশের ক্ষুদ্র ও  মাঝারি শিল্পের অর্থনৈতিক সংকট কাটতে  বিদেশি সহযোগিতার বিকল্প নেই।

দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অর্থনৈতিক সংকট কাটতে বিদেশি সহযোগিতার বিকল্প নেই।

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

অন্যের জীবন বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবন দিলেন ফায়ার সার্ভিস কর্মী

ধুনট পৌরবাসীর সেবায় মেয়র পদে লড়তে চান মাহবুব হোসেন চঞ্চল

শাহ বন্দেগী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান আরিফ

শেরপুরে চালককে অচেতন করে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ছিনতাই

রাষ্ট্রপতি, স্পিকার ও নতুন মন্ত্রিসভা প্রায় চূড়ান্ত, যারা থাকতে পারেন মন্ত্রী সভায়

বগুড়ায় আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম গ্রেফতার

প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-২ পদে এস. এম.পারভেজকে নিয়োগ

দেশবাসীকে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপির শুভেচ্ছা

বগুড়ায় আবারও উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় জাতীয় পতাকা উত্তোল

১০

বগুড়া আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন

জনপ্রিয় সব খবর

পরিবর্তনের পথে বিশ্ব মাতব্বর

অবৈধভাবে মাটি কাটায় শাজাহানপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে, জরিমানা সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা

ডেকোরেটর শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

নাচোলে মৃত মুক্তিযোদ্ধার ওয়ারিশদের ঝামেলা রাস্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

মধুপুরে রাবার বাগানের জমি উদ্ধার অভিযান

টাঙ্গাইলে চাঁদা দাবীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

হাজারো প্রাণের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা একটি দায়বদ্ধ সংসদ পেয়েছি

প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ বিরোধী দলের, হট্টগোলের মধ্যে ভাষণ শুরু করলেন রাষ্ট্রপতি

সাতক্ষীরার কেন্দ্রীয় মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি : আতঙ্কে স্থানীয় হিন্দুরা

১০

চাঁদাবাজ ইস্যুতে মানববন্ধন: শাজাহানপুর স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতাকে শোকজ

সর্বশেষ সব খবর

 বানিজ্য বানিজ্য

বগুড়ার শেরপুরে সামিট স্কুল এন্ড কলেজের সাথে সোনালী ব্যাংকের চুক্তি স্বাক্ষর

বগুড়ার শেরপুরে সামিট স্কুল এন্ড কলেজের সাথে সোনালী ব্যাংকের চুক্তি স্বাক্ষর

বগুড়ার শেরপুরে সোনালী ব্যাংকের সাথে সামিট স্কুল এন্ড কলেজের চুক্তি সই হয়েছে। এই চুক্তি সইয়ের ফলে সোনালী ব্যাংক পেমেন্ট গেটওয়ে (এসপিজি) এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভর্তি ফি, বেতন ও পরীক্ষার ফিসহ বিভিন্ন চার্জ আদায় করতে পারবে এই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা প্রতিষ্ঠান।সোমবার (৯ মার্চ) সকাল ১১ টায় সামিট স্কুল এন্ড কলেজের হলরুমে অধ্যক্ষ আশেফ ইকবাল শাহীনের  সভাপতিত্বে সোনালী ব্যাংক পিএলসি বগুড়া সাউথ শাখার এ্যাসিস্টয়ান্ট জেনারেল ময়ানেজার আলেয়া ফেরদৈসের সঞ্চালনায় চুক্তি সই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সোনালী ব্যাংক পিএলসি’র জেনারেল ম্যানেজার রশিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনালী ব্যাংক পিএনজি প্রিন্সিপাল অফিস বগুড়া সাউথ ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার জাহাঙ্গীর আলম সিদ্দিকী,শেরপুর শাখা প্রধান অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার  মাহবুবুল আলম, সামিট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম লিপু,পরিচালক আব্দুল ওয়াহেদ শাহ, উপাধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র অফিসার ক্যাশ জয়নুল আবেদীন, সিনিয়র অফিসার শরিফ আহমেদ মোঃ হুমায়ুন কবির প্রমুখ

নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের পরিচয়

নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের পরিচয়

আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে মোস্তাকুর রহমানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য জানা গেছে।মো. মোস্তাকুর রহমান একজন কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট (সিএমএ)। তার পোস্ট-কোয়ালিফিকেশন অভিজ্ঞতা ৩৩ বছরেরও বেশি। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগ থেকে বি.কম (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।মোস্তাকুর রহমান বিভিন্ন মর্যাদাপূর্ণ পেশাজীবী ও শিল্পসংক্রান্ত সংগঠনের সদস্য ছিলেন। যেমন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ), রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আরইএইচএবি), অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (এটিএবি) এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। তিনি এসব সংগঠনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেডসহ বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অভিজ্ঞতা তার রয়েছে।মোস্তাকুর রহমান একজন উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী এবং একই সঙ্গে একজন জ্যেষ্ঠ আর্থিক শাসন (ফাইন্যান্সিয়াল গভর্ন্যান্স) বিশেষজ্ঞ। করপোরেট ফাইন্যান্স, রপ্তানি অর্থনীতি, প্রাতিষ্ঠানিক শাসন এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় তার নেতৃত্বমূলক অভিজ্ঞতা ৩০ বছরেরও বেশি। আর্থিক তদারকি, নিয়ন্ত্রক সম্মতি, ব্যাংকিং খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং পুঁজি ব্যবস্থাপনায় তিনি সুপ্রতিষ্ঠিত দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।শিল্প ও উদ্যোক্তা নেতৃত্বউৎপাদন, রিয়েল এস্টেট, কৃষিভিত্তিক উদ্যোগ এবং বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানসহ একাধিক খাতে তার বিস্তৃত নেতৃত্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে তিনি আর্থিক পরিকল্পনা, বিনিয়োগ তদারকি ও সুশাসন কাঠামোর দায়িত্ব পালন করেছেন। শিল্প ও বাণিজ্য সংগঠনে তার বিভিন্ন ভূমিকায় আর্থিক স্থিতিশীলতা, শিল্প অর্থায়ন এবং অর্থনৈতিক টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে কাঠামোবদ্ধ সংলাপে তিনি উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন।এ ছাড়া সুদৃঢ় টেকনোক্র্যাটিক বিচারবোধ, প্রশ্নাতীত নৈতিকতা ও ফিডিউশিয়ারি শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতার প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারের জন্য তিনি সুপরিচিত। নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে তার গভীর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা রয়েছে:আর্থিক ব্যবস্থার সুশাসন, ব্যাংকিং ও শিল্প অর্থায়ন, রপ্তানি অর্থায়ন ও বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা, প্রাতিষ্ঠানিক ঝুঁকি তদারকি, করপোরেট ও নিয়ন্ত্রক সম্মতি, পুঁজি কাঠামো ও তারল্য ব্যবস্থাপনা, বোর্ড গভর্ন্যান্স ও ফিডিউশিয়ারি দায়িত্ব, কৌশলগত অর্থনৈতিক পরিকল্পনা, আর্থিক প্রতিবেদন ও জবাবদিহিতা, স্টেকহোল্ডার সম্পৃক্ততা ও নীতিগত সংলাপ, টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশ সুরক্ষা

ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর

ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর

শনিবার (২৪ মে) সকালে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনে দেশের প্রথম ক্রেডিট এনহ্যান্সমেন্ট স্কিম উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন তিনি।গভর্নর বলেন, ‘নতুন নোটে থাকবে দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা। ঈদে বাজারে প্রথমে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নতুন নোট আসবে।’টাঁকশাল থেকে জানা গেছে, ২০ টাকার নোট ছাপা প্রায় সম্পন্ন। আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এর পরে ৫০ ও ১০০০ টাকার নোট বাংলাদেশ ব্যাংককে বুঝিয়ে দেবে টাঁকশাল। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেবে এই টাকা কবে বাজারে আসবে।টাঁকশাল জানিয়েছে, নতুন নকশার নোট ছাপাতে ১ থেকে দেড় বছর সময় লাগে। আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। গত ডিসেম্বরে নতুন নকশার নোট বাজারে আনার সিদ্ধান্ত নেয় এই সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় টাঁকশাল চলতি মাসে নতুন নকশার নোট ছাপানো শুরু করে।টাঁকশাল আরও জানায়, একসঙ্গে ৩টি নোটের বেশি ছাপানোর সক্ষমতা নেই টাঁকশালের। তাই প্রথম ধাপে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোট ছাপানো হচ্ছে।এদিকে গভর্নর জানিয়েছে, পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনা অন্তর্বর্তী সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার।তিনি বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রচারিত হওয়ায় তা ফেরত পাঠাতে চাপ তৈরি হয়েছে। পাচারকৃত অর্থ ফ্রিজ করায় অর্থ ফেরত আনার প্রথম ধাপ সম্পন্ন হয়েছে।’গভর্নর বলেন, ‘স্কিমের আওতায় পিকেএসএফ অংশীদার এমএফআই গুলোকে ২৪০ কোটি টাকার রিজার্ভ তহবিল ভিত্তিতে ব্যাংক ঋণ গ্যারান্টি দেবে। ঋণের গ্যারান্টি অনুযায়ী এককালীন ০.৫ শতাংশ কমিশন আদায় করা হবে। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যাংক ঋণ পাওয়া সহজ হবে।’

পিছিয়ে পড়ছে দেশের সম্ভাবনাময় এসএমই খাত

পিছিয়ে পড়ছে দেশের সম্ভাবনাময় এসএমই খাত

ল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান মনে করেন, এসএমই খাত শুধু ব্যবসা নয়, দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। দেশে সত্যিকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এ খাতের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তিনি বলেন, এসএমই উদ্যোক্তারা তাদের লাভের ৩০ শতাংশই পুনরায় বিনিয়োগ করেন, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।এসএমই হচ্ছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের উদ্যোগ বা ব্যবসা। এই উদ্যোগে কর্মী এবং রাজস্বের পরিমাণ নির্দিষ্ট সীমার নিচে। বিশ্বের কোম্পানিগুলোর ৯০ শতাংশ এবং মোট কর্মসংস্থানে ৫০ শতাংশের বেশি এসএমই খাতে। এ কারণে বিশ্বব্যাংক, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এসএমইকে ব্যাপক গুরুত্ব দিচ্ছে। এসএমই নিয়ে তাদের আলাদা নীতিমালা রয়েছে।বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ব্যবসার ৯৯ শতাংশ এবং অস্ট্রেলিয়ার ৯৮ শতাংশ এসএমই। তবে এ খাতে রয়েছে তহবিল সংকট।বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ২০২১ সালের গ্লোবাল ফিনডেক্স ডাটাবেজ অনুসারে, আনুষ্ঠানিক, নারী-মালিকানাধীন এসএমইর জন্য ১ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের তহবিল ঘাটতি রয়েছে। এসএমই ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুসারে বর্তমানে দেশে এ শিল্পের সংখ্যা ১ কোটি ১৮ লাখ। আর এ খাতে কর্মসংস্থান হয়েছে ৩ কোটি ৬০ লাখ মানুষের। অর্থাৎ শিল্প খাতে দেশে কর্মসংস্থানের ৮৭ শতাংশই এ খাতের।

 সারাদেশ সারাদেশ

অবৈধভাবে মাটি কাটায় শাজাহানপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে, জরিমানা সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা

অবৈধভাবে মাটি কাটায় শাজাহানপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে, জরিমানা সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার আশেকপুর ইউনিয়নের চাঙ্গুর গ্রামে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে আব্দুল মজিদ নামের এক ব্যক্তিকে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জরিমানার টাকা অনাদায়ে তাকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশও দেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ওই এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন শাজাহানপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল ফেরদৌস উর্মি।অভিযান কালে কৃষি জমির উপরিভাগ কর্তন (টপ সয়েল) এবং অবৈধভাবে জমির শ্রেণি পরিবর্তনের দায়ে আব্দুল মজিদ কে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ করবেন না মর্মে আদালতে মুচলেকা দেন।এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি খনন যন্ত্র  এসক্যাভেটর জব্দ করা হয় এবং সেটি আশেকপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নান্নু মিয়ার জিম্মায় দেওয়া হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় শাজাহানপুর থানা পুলিশ ও আনসার সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল ফেরদৌস উর্মি জানান, অবৈধভাবে মাটি কাটা বন্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

৩ ঘন্টা আগে

 সারাদেশ সারাদেশ

অবৈধভাবে মাটি কাটায় শাজাহানপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে, জরিমানা সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা

অবৈধভাবে মাটি কাটায় শাজাহানপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে, জরিমানা সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার আশেকপুর ইউনিয়নের চাঙ্গুর গ্রামে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে আব্দুল মজিদ নামের এক ব্যক্তিকে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জরিমানার টাকা অনাদায়ে তাকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশও দেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ওই এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন শাজাহানপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল ফেরদৌস উর্মি।অভিযান কালে কৃষি জমির উপরিভাগ কর্তন (টপ সয়েল) এবং অবৈধভাবে জমির শ্রেণি পরিবর্তনের দায়ে আব্দুল মজিদ কে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ করবেন না মর্মে আদালতে মুচলেকা দেন।এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি খনন যন্ত্র  এসক্যাভেটর জব্দ করা হয় এবং সেটি আশেকপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নান্নু মিয়ার জিম্মায় দেওয়া হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় শাজাহানপুর থানা পুলিশ ও আনসার সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল ফেরদৌস উর্মি জানান, অবৈধভাবে মাটি কাটা বন্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

৩ ঘন্টা আগে

 রাজনীতি রাজনীতি

প্রধানমন্ত্রীর আস্থা বাস্তবায়নে দৃঢ় অবস্থানে ছাত্রনেতা সন্ধান

প্রধানমন্ত্রীর আস্থা বাস্তবায়নে দৃঢ় অবস্থানে ছাত্রনেতা সন্ধান

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের আস্থার এক প্রতীক বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান সরকার। প্রাণের চেয়েও প্রিয় নেতার স্বনির্ভর, গণতান্ত্রিক, আধুনিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে জেলা শহরের অলিগলি ছাড়িয়ে অজপাড়া গাঁয়ের তৃণমূল মানুষের দ্বারে দুর্বার গতিতে ছুটে চলার সফরসঙ্গী তরুণ এই প্রতিবেদক।সরকারি আজিজুল হক কলেজ থেকে বেড়ে ওঠা এই দায়িত্বশীল নেতৃত্বে বগুড়ার ছাত্রদল শুধুমাত্র সভা-সমাবেশ ও দলীয় স্লোগানের গণ্ডি পেরিয়ে মানবিক কর্মকাণ্ডে প্রশংসা কুড়াচ্ছে সর্বমহলে। উদ্দেশ্য জিয়া পরিবারের বিশ্বাসের মর্যাদা সততা ও নিষ্ঠার সাথে রক্ষার সংগ্রাম। মানুষের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে তৃণমূলের দ্বারে দ্বারে জেলা ছাত্রদলের সরব উপস্থিতি বিএনপির রাজনীতিতে আস্থা বৃদ্ধি করেছে। বগুড়া জেলা ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দের বিনম্রতায় সন্তুষ্ট মানুষ ও দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান সরকারের নেতৃত্বে তাদের দুরন্ত পথচলা অব্যাহত জনপ্রয়োজনে।রাজনৈতিক কর্মসূচির বাইরেও প্রতিনিয়ত মানুষের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছেন হাবিবুর রশিদ সন্ধান। সম্প্রতি তার নেতৃত্বে গৃহীত বেশ কিছু মানবিক কর্মসূচি সাধারণ মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে। পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে প্রচলিত ইফতার মাহফিলের পরিবর্তে সেই অর্থ দিয়ে জেলার অসহায় মানুষের মাঝে মাসব্যাপী ইফতার সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন তিনি। তার নেতৃত্বে কখনও পথচারী, ছিন্নমূল, অবহেলিত, কখনও এতিম, সুবিধাবঞ্চিত, আবার কখনও বৃদ্ধাশ্রমে ইফতার সামগ্রী নিয়ে ছুটে যাচ্ছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।কেবল খাদ্য সহায়তা নয়, বরং শিক্ষার প্রসারেও কাজ করছেন তরুণ এই ছাত্রনেতা। অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে শহরের স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় ‘ছাত্রদলের প্রাক-প্রাথমিক পাঠশালা’ নামে একটি বিশেষ শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে জেলা ছাত্রদল। একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সন্ধানের নেতৃত্বে উদ্বোধন হওয়া এই পাঠশালায় শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও পাঠদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখানে শিশুদের জন্য বিনামূল্যে বই, খাতা, পেন্সিলসহ শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয় এবং মেধাবী ছাত্রদল নেতারা স্বেচ্ছাশ্রমে তাদের পাঠদান করেন। শিক্ষার প্রতি তার এই গভীর অনুরাগ বগুড়াবাসীকে মুগ্ধ করেছে।জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে বগুড়ার রাজপথে সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন হাবিবুর রশিদ সন্ধান। বুলেট ও টিয়ারশেলের তোয়াক্কা না করে স্বৈরাচারী শক্তির বিরুদ্ধে রাজপথ আঁকড়ে ধরেছিলেন তিনি। সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের হাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা তুলে দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন, তার হৃদয়ে রয়েছে দেশপ্রেম আর নেতার প্রতি অগাধ বিশ্বাস ও ভালোবাসা। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ হবে একটি নিরাপদ ও বৈষম্যহীন আধুনিক রাষ্ট্র।একজন আদর্শ নেতার প্রধান গুণ হলো নিজের কর্মীদের বিপদে পাশে থাকা। হাবিবুর রশিদ সন্ধান সরকার ঠিক সেই নেতৃত্বের প্রতীক। বিগত দিনের আন্দোলনে নির্যাতিত, কারাবন্দী ও দিনে বা রাতে অসুস্থ নেতাকর্মীদের বাড়িতে গিয়ে খোঁজখবর নেওয়া তার নিত্যদিনের কর্মকাণ্ড। কোনো নেতাকর্মীর আর্থিক সংকট থাকলে কিংবা কেউ অসুস্থ হলে তিনি বড় ভাইয়ের মতো পাশে দাঁড়ান। তার এই অভিভাবকসুলভ আচরণই বগুড়া জেলা ছাত্রদলকে একটি শক্তিশালী পরিবারের মতো ঐক্যবদ্ধ করে রেখেছে।বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সবচেয়ে প্রশংসিত উদ্যোগ হলো ‘জেলা ছাত্রদল ব্লাড ব্যাংক’। বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে যখনই কোনো অসহায় রোগী রক্তের অভাবে সংকটে পড়েন, খবর পাওয়া মাত্রই সন্ধানের নির্দেশে ছাত্রদলের কর্মীরা সেখানে পৌঁছে যান। গভীর রাতেও বাইক নিয়ে রক্ত দিতে যাওয়ার দৃশ্য বগুড়াবাসীর কাছে আজও পরিচিত। সন্ধান সরকারের মতে, “একজন মুমূর্ষু রোগীর জীবন বাঁচাতে এক ব্যাগ রক্ত দেওয়া মানে একটি পরিবারের মুখে হাসি ফোটানো, আর এটাই জিয়া পরিবারের রাজনীতির শিক্ষা।”নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে হাবিবুর রশিদ সন্ধান সরকার সবসময় একটিই বার্তা দেন - “আমাদের নেতা জনাব তারেক রহমান যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে ছাত্রদলকে হতে হবে অতন্দ্র প্রহরী। মেধা ও সাহসের সমন্বয়ে আমাদের সামনের দিনগুলোর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।” তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা মনে করেন, যোগ্য নেতৃত্ব এবং ত্যাগের বিনিময়ে সন্ধান সরকার আজ বগুড়ার রাজনীতিতে আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন, যার প্রতিফলন আগামী দিনের রাজনীতিতে আরও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠবে।সরেজমিনে জেলা ছাত্রদলের এই সভাপতির সফরসঙ্গী হয়ে দেখা যায়, তার নেতৃত্বের জাদুকরী স্পর্শে বগুড়া জেলা ছাত্রদল এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সুসংগঠিত। নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, হাবিবুর রশিদ সন্ধান সরকার কেবল একজন নেতাই নন, কর্মীদের বিপদে-আপদে তিনি একজন বড় ভাইয়ের মতো ছায়া হয়ে দাঁড়ান। রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে কোনো ষড়যন্ত্রই তাকে লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি।বগুড়া জেলা ছাত্রদলের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তরুণ এই ছাত্রনেতা ব্যস্ত সময় পার করছেন জিয়া পরিবারের আস্থা বাস্তবায়নে। তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা, সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করা এবং মানবিক কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনের লক্ষ্যে অটল হাবিবুর রশিদ সন্ধান। রাজনৈতিক অঙ্গনে তার সক্রিয়তা ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব ইতোমধ্যেই বগুড়া জেলা ছাত্রদলের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, তার নেতৃত্বে বগুড়া জেলা ছাত্রদল ভবিষ্যতে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হয়ে উঠবে এবং জাতীয় রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শেরপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও মডেল নগরী গড়ার অঙ্গীকার: মেয়র পদে লড়তে চান বিএনপি নেতা মিন্টু

শেরপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও মডেল নগরী গড়ার অঙ্গীকার: মেয়র পদে লড়তে চান বিএনপি নেতা মিন্টু

বগুড়ার শেরপুর পৌরসভার আসন্ন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন শেরপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও শেরপুর কলেজের সাবেক ভিপি আলহাজ্ব মোঃ রফিকুল ইসলাম মিন্টু। বুধবার (৪ মার্চ) রাতে এই প্রতিবেদকের সঙ্গে একান্ত আলাপকালে তিনি নিজের প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং পৌরবাসীর কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।রফিকুল ইসলাম মিন্টু বলেন, "শেরপুর পৌরসভা প্রাচীন জনপদ হলেও নাগরিক সুযোগ-সুবিধার দিক থেকে এখনো অনেক পিছিয়ে। দীর্ঘদিনের অবহেলা দূর করে আমি জনগণের একজন প্রকৃত সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। অতীতেও আমি সর্বদা সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকতে চাই।"একটি পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও জনবান্ধব পৌরসভা গড়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে প্রবীণ এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বলেন, "আগামী নির্বাচনে জনগণের সমর্থনে যদি আমি নির্বাচিত হই, তবে আমার প্রধান কাজ হবে মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাস নির্মূলে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া। শেরপুরকে একটি শান্তিময় ও নিরাপদ শহর হিসেবে গড়ে তোলা হবে, যেখানে প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে। পাশাপাশি ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, যানজট নিরসন এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে একটি বাসযোগ্য পরিবেশ তৈরি করাই আমার লক্ষ্য।"জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে শেরপুর পৌরসভাকে একটি দুর্নীতিমুক্ত ও সেবামুখী পৌরসভায় রূপান্তর করে উন্নয়নের সুফল যেন প্রতিটি ওয়ার্ডের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছায়, সেই চেষ্টাই তাঁর সর্বোচ্চ থাকবে বলে জানান রফিকুল ইসলাম মিন্টু।শেরপুর পৌরসভার এই জনপ্রিয় নেতার প্রার্থী হওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ভোটার ও রাজনৈতিক মহলে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য । তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাধারণ মানুষের সাথে গভীর সম্পৃক্ততা নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ইতিমধ্যেই পৌর এলাকার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় তাঁর সমর্থনে নেতাকর্মীদের ব্যাপক তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। জনসেবার মহান ব্রত নিয়ে সকল বাধা পেরিয়ে একটি আধুনিক ও সমৃদ্ধ শেরপুর গড়ার লক্ষ্য নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চান তিনি।

ধুনট পৌরবাসীর সেবায় মেয়র পদে লড়তে চান মাহবুব হোসেন চঞ্চল

বগুড়ার ধুনট পৌরসভার বাসিন্দাদের সেবায় আসন্ন মেয়র নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন চঞ্চল। বুধবার (০৪ মার্চ) দুপুরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছার কথা জানান।‎বর্তমানে তিনি ধুনট পৌর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। ধুনট সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর থেকেই তিনি সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন। ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন।‎দলীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় রাজনীতিতে তিনি একজন পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য মুখ। শুভাকাঙ্ক্ষীদের দাবির প্রেক্ষিতে তার প্রার্থী হওয়ার ঘোষণায় স্থানীয় তরুণ সমাজ ও সাধারণ মানুষের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।‎                                                      ধুনট পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল হাসান সংবাদ কর্মীদের বলেন, মাহবুব হোসেন চঞ্চল একজন উচ্চশিক্ষিত, সৎ ও যোগ্য ব্যক্তি। মানুষের সুখে-দুঃখে তিনি সবসময় পাশে থেকেছেন এবং তার বিরুদ্ধে কোনো বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ নেই। অন্যান্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের তুলনায় তিনি শিক্ষিত, মেধাবী ও পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের অধিকারী বলেও মন্তব্য করেন তিনি।‎মাহবুব হোসেন চঞ্চল নির্বাচিত হলে ধুনট পৌরসভায় ব্যাপক উন্নয়ন সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ধুনটকে একটি আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি কাজ করবেন। কিশোর-কিশোরীদের জন্য খেলাধুলার উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি, সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নাগরিক সেবা সহজীকরণের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।‎এ বিষয়ে মাহবুব হোসেন চঞ্চল বলেন, “ধুনট পৌরসভা উন্নয়নের দিক থেকে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। দীর্ঘদিনের অবহেলা দূর করে জনগণের প্রকৃত সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। সঠিক পরিকল্পনা ও স্বচ্ছ নেতৃত্বের মাধ্যমে ধুনটকে একটি আধুনিক ও বাসযোগ্য পৌরসভায় রূপান্তর করা সম্ভব।”‎তিনি আরও বলেন, “ধুনট শহরে সহজলভ্য মাদক ও সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তুলতে চাই।”‎পৌরবাসীর অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জনসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন।

ধুনট পৌরবাসীর সেবায় মেয়র পদে লড়তে চান মাহবুব হোসেন চঞ্চল

বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় ছাত্রদলের ইফতার সামগ্রী বিতরণ

প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় ইফতার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছে জেলা ছাত্রদল। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) আদমদীঘি উপজেলার এমদাদুল উলুম ক্বওমী মাদ্রাসায় ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেন বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান সরকার। এ সময় তিনি বলেন, রমজান মাস আত্মসংযম ও সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়। মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই বগুড়া জেলা ছাত্রদল এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আগামীতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান হাবিবুর রশিদ সন্ধান।জেলা ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক আহমেদ কাউসার দ্বীপ এর সার্বিক সহযোগিতায় ছাত্রদলের এ মহতী উদ্যোগে উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি রবিউল আলম রকি, আদমদীঘি উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আবুল বাশার মারুফ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সৈকত সরকার, সান্তাহার পৌর ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ ছনি, সিনিয়র সহ-সভাপতি শিমুল সরদার সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবিদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আকাশ, সান্তাহার সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মাহাবুব আলম, রহিম উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সেজান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শেরপুর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক বজলুর তৌহিদ সাব্বির, শেরপুর পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক এসএম ফারহান লাবিব ও আদমদিঘী উপজেলা ছাত্রদল নেতা আব্দুল আউয়াল মুন্না, জেমস আহমেদ বাপ্পি, বিপ্লব আহমেদ, ফিরোজ রহমান, আবু দারদা রিফাত, শাফিউল, সৌরভ রাজ, আতিকুল, কাউসার ও মুগ্ধসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।শেষে উপস্থিত এলাকাবাসী বগুড়া জেলা ছাত্রদলের এ মানবিক উদ্যোগকে আন্তরিক সাধুবাদ জানান। তারা বলেন, রমজানের পবিত্রতায় এমন মানবিক সহায়তা সমাজে সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে। মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এ প্রয়াস নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় এবং অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বগুড়ায় ছাত্রদলের ইফতার সামগ্রী বিতরণ

প্রধানমন্ত্রীর ১০ মার্চের বগুড়া সফর স্থগিত

উপনির্বাচনকে সামনে রেখে বগুড়ায় পূর্বনির্ধারিত সফর স্থগিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ১০ মার্চ তাঁর ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। তবে নির্বাচনী বিধি বিবেচনায় সফরটি আপাতত বাতিল করা হয়েছে।আজ মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ১০ মার্চের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে নতুন তারিখ জানানো হবে।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ (সদর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি ঢাকা-১৭ আসন থেকেও বিজয়ী হন। বিধি অনুযায়ী শপথের আগে তিনি বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেন।প্রধানমন্ত্রীর ছেড়ে দেওয়া এ আসনে আগামী ৯ এপ্রিল উপনির্বাচনের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। এতে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন দলের জেলা কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা।রেজাউল করিম বাদশা বলেন, বগুড়া সদর আসনে উপনির্বাচন চলমান থাকায় এ সময়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি আয়োজন করলে নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের প্রশ্ন উঠতে পারত। তিনি দাবি করেন, নিয়মের মধ্যেই থাকতে চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।এর আগে ২৭ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বগুড়ার শিবগঞ্জ সফরে এসে সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধনে বগুড়ায় আসবেন প্রধানমন্ত্রী।আগামী ৯ এপ্রিল বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। উপনির্বাচনে এবার বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মোট তিনজন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর ১০ মার্চের বগুড়া সফর স্থগিত

শেরপুরে মটর শ্রমিক কল্যাণ সংস্থার ইফতার মাহফিলে: / ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়ার ঘোষণা দিলেন আরিফুর রহমান মিলন

বগুড়ার শেরপুরে ইফতার ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা ও রাজনীতিবিদ আরিফুর রহমান মিলন। সোমবার (২ মার্চ) সন্ধ্যায় শেরপুরের ধুনট মোড় বন্দর মটর শ্রমিক কল্যাণ সংস্থার আয়োজনে এক ইফতার মাহফিলে তিনি এই ঘোষণা দেন।আরিফুর রহমান মিলন শেরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। বর্তমানে তিনি বগুড়া জেলা বাস-মিনি কোচ ও মাইক্রোবাস পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।ধুনট মোড় সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, শেরপুর-ধুনট বন্দর মটর শ্রমিক কল্যাণ সংস্থার সভাপতি শওকত খন্দকার। সাধারণ সম্পাদক রাজু মোল্লার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জানে আলম মিন্টু, কার্যকরী সভাপতি, শেরপুর-ধুনট বন্দর মটর শ্রমিক কল্যাণ সংস্থা। মোখলেছুর রহমান, শহর তাঁতী দলের সভাপতি ওশেরপুর-ধুনট বন্দর মটর শ্রমিক কল্যাণ সংস্থা উপদেষ্টা।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি নেতা  সোবহান মেম্বার, কাজল মেম্বার, ফজলুল হক সেটু মিস্ত্রি, মোজাম ড্রাইভার,উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং শেরপুর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ইফতার মাহফিলে অংশ নেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে দোয়া চেয়ে আরিফুর রহমান মিলন বলেন, "জনগণের সেবা এবং শ্রমিক অধিকার রক্ষায় আমি সবসময় মাঠে ছিলাম। আগামী নির্বাচনে আপনাদের দোয়া ও সমর্থন নিয়ে আবারও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়তে চাই।" তার এই ঘোষণার পরপরই উপস্থিত নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা দেয়।অনুষ্ঠানে শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে দোয়া এবং মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়ার ঘোষণা দিলেন আরিফুর রহমান মিলন

 সারাদেশ সারাদেশ

সকল জেলার খবর

আর্কাইভ

 সারাদেশ সারাদেশ

অবৈধভাবে মাটি কাটায় শাজাহানপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে, জরিমানা সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা

অবৈধভাবে মাটি কাটায় শাজাহানপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে, জরিমানা সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার আশেকপুর ইউনিয়নের চাঙ্গুর গ্রামে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে আব্দুল মজিদ নামের এক ব্যক্তিকে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জরিমানার টাকা অনাদায়ে তাকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশও দেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ওই এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন শাজাহানপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল ফেরদৌস উর্মি।অভিযান কালে কৃষি জমির উপরিভাগ কর্তন (টপ সয়েল) এবং অবৈধভাবে জমির শ্রেণি পরিবর্তনের দায়ে আব্দুল মজিদ কে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ করবেন না মর্মে আদালতে মুচলেকা দেন।এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি খনন যন্ত্র  এসক্যাভেটর জব্দ করা হয় এবং সেটি আশেকপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নান্নু মিয়ার জিম্মায় দেওয়া হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় শাজাহানপুর থানা পুলিশ ও আনসার সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল ফেরদৌস উর্মি জানান, অবৈধভাবে মাটি কাটা বন্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন