দৃষ্টি প্রতিদিন
প্রকাশ : রোববার, ০৩ মে ২০২৬

পুলিশি সেবায় স্বচ্ছতা ও জনগণের আস্থার প্রতীক শেরপুরের ইন্সপেক্টর জয়নুল আবেদীন

পুলিশি সেবায় স্বচ্ছতা ও জনগণের আস্থার প্রতীক শেরপুরের ইন্সপেক্টর জয়নুল আবেদীন

স্থানীয় সাধারণ ও হতদরিদ্র মানুষের আস্থা বাস্তবায়নে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছেন বগুড়ার শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জয়নুল আবেদীন। 

আইনি সহায়তার অন্যতম নির্ভরতার প্রতীক হয়ে উঠেছেন তিনি। ২০২৫ সালের ২৯ জানুয়ারি কর্মস্থলে যোগদানের পর থেকেই তিনি অসহায় মানুষের আইনি জটিলতা নিরসন এবং সঠিক পরামর্শ প্রদানে দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তার মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও পেশাদারিত্বে শেরপুর থানায় ফিরেছে জনআস্থা, বদলে গেছে চিরচেনা পুলিশি সেবার চিত্র।

সরেজমিনে শেরপুর থানায় গিয়ে দেখা যায়, প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ মানুষ তাদের অভিযোগ নিয়ে সরাসরি জয়নুল আবেদীনের শরণাপন্ন হচ্ছেন। তিনি মানুষের বিভিন্ন সমস্যা, সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছেন। সাধারণ মানুষের মনের কথা শুনে আইনি জটিলতায় পড়া দরিদ্র মানুষদের সঠিক পথ দেখাচ্ছেন। এতে করে যেমন তাদের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে, তেমনি নিশ্চিত হচ্ছে ন্যায়বিচার।

থানা সূত্রে জানা যায়, জয়নুল আবেদীন অত্যন্ত ধৈর্য, আন্তরিকতা এবং সহানুভূতিশীল আচরণের মাধ্যমে প্রতিটি ক্ষেত্রে যথাযথ নিয়মনীতি অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। থানার প্রতিটি সদস্যকে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। দ্রুত ও মানসম্মত সেবা প্রদান, অভিযোগ গ্রহণে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং ভুক্তভোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ প্রদর্শনের মাধ্যমে সহকর্মীদের জন্য এক অনন্য উদাহরণ তৈরি করেছেন জয়নুল আবেদীন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগে সাধারণ মানুষ থানায় আসতে এক ধরনের ভীতি অনুভব করত। কিন্তু ইন্সপেক্টর জয়নুল আবেদীনের অমায়িক ব্যবহার এবং ন্যায়বিচারের প্রতি অঙ্গীকার সাধারণ মানুষের মনে পুলিশের প্রতি বিশ্বাস ও আস্থা ফিরিয়ে এনেছে। আইনি সহায়তা নিতে আসা এক নারী আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, "আমি খুব গরিব মানুষ, মামলা-মোকদ্দমা বুঝি না। স্যারের কাছে আসার পর তিনি অত্যন্ত ধৈর্য ধরে আমার কথা শুনেছেন এবং সঠিক পরামর্শ দিয়েছেন। এমন অফিসার থাকলে আমাদের আর বিপদে পড়তে হবে না। আমরা গর্বিত, আমরা শেরপুর থানার বাসিন্দা।"

পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জয়নুল আবেদীন বলেন, "জনসেবাই পুলিশের প্রধান দায়িত্ব। আমরা জনগণের বন্ধু। জনগণের আস্থা অর্জনে সততা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের বিকল্প নেই। থানায় আগত কোনো মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সেটি নিশ্চিত করাই আমার লক্ষ্য। জনসেবাই আমার ব্রত। সরকারি কর্তব্যের পোশাক পরে সাধারণ মানুষের সেবা করার সুযোগ পাওয়াটা অনেক বড় ভাগ্যের বিষয়। আমি চেষ্টা করি যেন কোনো অসহায় মানুষ আমার কাছ থেকে নিরাশ হয়ে ফিরে না যায়।"

শেরপুর থানার এই কর্মকর্তার এমন জনবান্ধব ও সেবামূলক কার্যক্রম এলাকায় পুলিশের ভাবমূর্তিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। তদন্ত কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জয়নুল আবেদীন প্রতিটি অভিযোগ অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। যথাযথ নিয়মনীতি অনুসরণ করে তিনি পুলিশি সেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছেন। তার এই পেশাদারিত্ব শেরপুর থানা এলাকায় পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থাকে আরও সুদৃঢ় করেছে। স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করছেন, মাঠ পর্যায়ে জয়নুল আবেদীনের মতো মানবিক ও দক্ষ কর্মকর্তার সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে পুলিশি সেবার মানোন্নয়ন নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি অপরাধমুক্ত সমাজ গঠন অনেক সহজ হবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৃষ্টি প্রতিদিন

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬


পুলিশি সেবায় স্বচ্ছতা ও জনগণের আস্থার প্রতীক শেরপুরের ইন্সপেক্টর জয়নুল আবেদীন

প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬

featured Image

স্থানীয় সাধারণ ও হতদরিদ্র মানুষের আস্থা বাস্তবায়নে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছেন বগুড়ার শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জয়নুল আবেদীন। 

আইনি সহায়তার অন্যতম নির্ভরতার প্রতীক হয়ে উঠেছেন তিনি। ২০২৫ সালের ২৯ জানুয়ারি কর্মস্থলে যোগদানের পর থেকেই তিনি অসহায় মানুষের আইনি জটিলতা নিরসন এবং সঠিক পরামর্শ প্রদানে দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তার মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও পেশাদারিত্বে শেরপুর থানায় ফিরেছে জনআস্থা, বদলে গেছে চিরচেনা পুলিশি সেবার চিত্র।

সরেজমিনে শেরপুর থানায় গিয়ে দেখা যায়, প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ মানুষ তাদের অভিযোগ নিয়ে সরাসরি জয়নুল আবেদীনের শরণাপন্ন হচ্ছেন। তিনি মানুষের বিভিন্ন সমস্যা, সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছেন। সাধারণ মানুষের মনের কথা শুনে আইনি জটিলতায় পড়া দরিদ্র মানুষদের সঠিক পথ দেখাচ্ছেন। এতে করে যেমন তাদের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে, তেমনি নিশ্চিত হচ্ছে ন্যায়বিচার।

থানা সূত্রে জানা যায়, জয়নুল আবেদীন অত্যন্ত ধৈর্য, আন্তরিকতা এবং সহানুভূতিশীল আচরণের মাধ্যমে প্রতিটি ক্ষেত্রে যথাযথ নিয়মনীতি অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। থানার প্রতিটি সদস্যকে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। দ্রুত ও মানসম্মত সেবা প্রদান, অভিযোগ গ্রহণে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং ভুক্তভোগীদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ প্রদর্শনের মাধ্যমে সহকর্মীদের জন্য এক অনন্য উদাহরণ তৈরি করেছেন জয়নুল আবেদীন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগে সাধারণ মানুষ থানায় আসতে এক ধরনের ভীতি অনুভব করত। কিন্তু ইন্সপেক্টর জয়নুল আবেদীনের অমায়িক ব্যবহার এবং ন্যায়বিচারের প্রতি অঙ্গীকার সাধারণ মানুষের মনে পুলিশের প্রতি বিশ্বাস ও আস্থা ফিরিয়ে এনেছে। আইনি সহায়তা নিতে আসা এক নারী আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, "আমি খুব গরিব মানুষ, মামলা-মোকদ্দমা বুঝি না। স্যারের কাছে আসার পর তিনি অত্যন্ত ধৈর্য ধরে আমার কথা শুনেছেন এবং সঠিক পরামর্শ দিয়েছেন। এমন অফিসার থাকলে আমাদের আর বিপদে পড়তে হবে না। আমরা গর্বিত, আমরা শেরপুর থানার বাসিন্দা।"

পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জয়নুল আবেদীন বলেন, "জনসেবাই পুলিশের প্রধান দায়িত্ব। আমরা জনগণের বন্ধু। জনগণের আস্থা অর্জনে সততা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের বিকল্প নেই। থানায় আগত কোনো মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সেটি নিশ্চিত করাই আমার লক্ষ্য। জনসেবাই আমার ব্রত। সরকারি কর্তব্যের পোশাক পরে সাধারণ মানুষের সেবা করার সুযোগ পাওয়াটা অনেক বড় ভাগ্যের বিষয়। আমি চেষ্টা করি যেন কোনো অসহায় মানুষ আমার কাছ থেকে নিরাশ হয়ে ফিরে না যায়।"

শেরপুর থানার এই কর্মকর্তার এমন জনবান্ধব ও সেবামূলক কার্যক্রম এলাকায় পুলিশের ভাবমূর্তিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। তদন্ত কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জয়নুল আবেদীন প্রতিটি অভিযোগ অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। যথাযথ নিয়মনীতি অনুসরণ করে তিনি পুলিশি সেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছেন। তার এই পেশাদারিত্ব শেরপুর থানা এলাকায় পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থাকে আরও সুদৃঢ় করেছে। স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করছেন, মাঠ পর্যায়ে জয়নুল আবেদীনের মতো মানবিক ও দক্ষ কর্মকর্তার সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে পুলিশি সেবার মানোন্নয়ন নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি অপরাধমুক্ত সমাজ গঠন অনেক সহজ হবে।


দৃষ্টি প্রতিদিন

প্রকাশক ও সম্পাদক এসএম আমিনুল মোমিন, আইন বিষয়ক সম্পাদক, অ্যাডভোকেট মনিরুজ্জামান


কপিরাইট © ২০২৬ দৃষ্টি প্রতিদিন । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত