দৃষ্টি প্রতিদিন
প্রকাশ : বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

আতিকুর রহমান রুমন প্রাণের আপনজন-ফারহান লাবিব

আতিকুর রহমান রুমন প্রাণের আপনজন-ফারহান লাবিব

"রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত জনগণের সেবামূলক কাজ করা, ভোগ-বিলাস নয়। ইনশাআল্লাহ, সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই।" - এই কালজয়ী ও মানবিক দর্শনকে হৃদয়ে ধারণ করে রাজনীতির সুদীর্ঘ পথ পাড়ি দিচ্ছেন রাষ্ট্রনায়ক জনাব তারেক রহমানের অত্যন্ত আস্থাভাজন ও ছায়াসঙ্গী জনাব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি কেবল রাষ্ট্রকাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন একজন ব্যক্তিত্ব নন; বরং তিনি আজ স্বাধীন বাংলাদেশের গণমাধ্যম ও প্রতিটি প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা জাতীয়তাবাদী আদর্শের লক্ষ লক্ষ কর্মীর প্রাণের চেয়েও প্রিয় এক আপনজন। 

বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বাধিক ঘৃণিত ও পৈশাচিক হাসিনার শাসনামলে যখন শহীদ জিয়ার পরিবার, বিএনপি ও দেশবাসীর বিরুদ্ধে অমানবিক ষড়যন্ত্র চলছিল, তখন আতিকুর রহমান রুমন ছিলেন জিয়া পরিবারের অকুতোভয় এক যোদ্ধা। আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার ও ২০২৪ সালের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ জনাব তারেক রহমানের ওপর চালানো হয়েছিল অকথ্য নির্যাতন, রুদ্ধ করা হয়েছিল তাঁর স্বদেশে ফেরার পথ। কিন্তু সময় বদলেছে। জনাব তারেক রহমানের সুনিপুণ কৌশলে ৫ আগস্ট ২০২৪, ছাত্র জনতার তীব্র গণআন্দোলনে পতন ঘটে স্বৈরাচারের। আজ ২০২৬ সাল, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় থাকা বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের অত্যন্ত বিশ্বস্ত সহযোদ্ধা জনাব আতিকুর রহমান রুমন নিয়োজিত আছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব হিসেবে। তাঁকে পাশে রেখেই আজ বাস্তবায়িত হচ্ছে জনাব তারেক রহমানের স্বপ্নের ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ প্রকল্প।

"প্রিয় নেতা, আঁধার রাতে প্রদীপ হয়ে জ্বালিয়ে দিলেন আলো, নেতার জন্য সঁপেছেন প্রাণ, বাসেন বড়ই ভালো।প্রতিটি কর্মীর আত্মার স্পন্দন, আপনি মোদের বল, আদর্শে আপনার হৃদয় আজো হিমালয় সম অটল। পিতা হাফিজুরের নীতি আর মাতা ফেরদৌসীর দান, আপনার সত্তায় মিশে আছে এক লড়াকু তেজস্বী প্রাণ। জাজিয়া মার হাসির মাঝে খোঁজেন যে শান্তির নীড়, নেতার আস্থায় আপনি তো ভাই, জনতার মাঝে বীর।

গাবতলী থেকে তেঁতুলিয়া আজ আপনার জয়গান, তারেক রহমানের পাশে আপনি এক নির্ভীক প্রাণ।তৃণমূলের ওই প্রাণের টানে ছুটে চলেন অবিরাম, আতিকুর রহমান রুমন - এক নির্ভীক যোদ্ধার নাম। দুর্দিনের রুমন ভাই, আজও আমরা ভুলি নাই -আস্থার এই শক্ত দেয়ালে, শুধুই আপনাকে চাই।"

আতিকুর রহমান রুমন কেনো বিএনপির প্রতিটি কর্মীর কাছে আত্মার অংশ, তার উত্তর লুকিয়ে আছে তাঁর নিরলস পরিশ্রমে। ফ্যাসিস্ট শাসনামলে যখন দলের নেতা-কর্মীরা হামলা, মামলা আর নির্যাতনে দিশেহারা, তখন রুমন ছিলেন সেই মানুষ - যাঁর মোবাইল নম্বরটি ছিল প্রতিটি আর্তনাদ করা লড়াকুর জন্য একটি খোলা দুয়ার। ক্ষমতার খুব কাছাকাছি থেকেও তিনি মাটির মানুষ হয়ে মিশে গেছেন সাধারণের মাঝে। বিএনপি চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় গঠিত ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ সেলের আহ্বায়ক হিসেবে তিনি গুম, খুন ও পঙ্গুত্বের শিকার নেতাকর্মী ও অসহায় পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছেন দু'হাতে মানবতা নিয়ে।

ফ্যাসিবাদী শাসনামলে আতিকুর রহমান রুমনের জীবন যেন ছিল এক অগ্নিপরীক্ষা। নেতার প্রতি অটল আনুগত্যের কারণে তাঁকে বারবার রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি সইতে হয়েছে। পরিবার ছেড়ে মাসের পর মাস ফেরারি জীবন আর অমানুষিক নির্যাতনের আতঙ্কও তাঁর আদর্শকে টলাতে পারেনি। রাজপথের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিনি অটল থেকেছেন নিজের বিশ্বাসে। নিজের সবটুকু ব্যক্তিগত সুখ বিসর্জন দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন - আদর্শের জন্য ত্যাগই একজন রাজনৈতিক কর্মীর শ্রেষ্ঠ সার্থকতা। তৃণমূলের কর্মীরা মনে করেন, রুমন ভাই মানেই এক বুক ভরসা ও এগিয়ে যাওয়ার নির্ভরযোগ্য প্রেরণা। 

আতিকুর রহমান রুমন কেবল রাজপথের নীরব নেতৃত্বের প্রতীকই নন, তিনি একজন ক্ষুরধার সাংবাদিক ও সংগঠক। ১৯৯৩ সালে বগুড়ার ‘দৈনিক আজ ও আগামীকাল’ পত্রিকায় হাতেখড়ি হওয়ার পর তিনি উত্তরাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী শাহ সুলতান কলেজ থেকে ছাত্র রাজনীতির পাশাপাশি সাংবাদিকতাকে জনগণের কল্যাণে ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেন। জাতীয় ‘দৈনিক দিনকাল’ পত্রিকার বগুড়া ব্যুরো প্রধান থেকে শুরু করে আজ তিনি এই জনপ্রিয় পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক। প্রিয় নেতার স্থলাভিষিক্ত হওয়া তাঁর জীবনের এক শ্রেষ্ঠ সম্মান। তাঁর সাহসী সাংবাদিকতা স্বৈরশাসকের রক্তচক্ষুকে পরোয়া করেনি কখনও।  তিনি বিএনপির মিডিয়া সেলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবেও অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। পেশাগত প্রয়োজনে তিনি বিশ্বের ১৯টিরও বেশি দেশ সফর করেছেন, যা তাঁকে আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও গণমাধ্যম সম্পর্কে দিয়েছে গভীর জ্ঞান। এছাড়াও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাইবার দলের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন আতিকুর রহমান রুমন। 

১৯৭৫ সালের ১৫ মে, বগুড়ার গাবতলী উপজেলার পদ্মপাড়া গ্রামে জন্ম নেওয়া রুমনের মধ্যে বইছে সততার রক্ত। তাঁর পিতা মরহুম হাফিজুর রহমান ছিলেন একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান সরকারি কর্মকর্তা এবং মাতা মরহুমা ফেরদৌসী বেগম ছিলেন এফ.এইচ. ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও সহমর্মিতার প্রতীক। পরিবার থেকে পাওয়া সেই জনকল্যাণের পাঠ নিয়েই তিনি বড় হয়েছেন। বর্তমানে তাঁর স্ত্রী ও একমাত্র আদরের কন্যা জাজিয়া রহমানকে নিয়ে ঢাকায় বসবাস করছেন। শৈশবের মাত্র সাড়ে পাঁচ বছর বয়সে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত রুমন জিয়া পরিবারের প্রতি তাঁর অটল আনুগত্যের কারণে পরিচিত দলের একজন ‘আনসিন আর্মি’ হিসেবে। দীর্ঘ দুঃশাসনে সততা, নিষ্ঠা, ধৈর্য ও বিচক্ষণতার সঙ্গে তিনি বাস্তবায়ন করেছেন জিয়া পরিবার ও কোটি মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত, জননন্দিত জননেতা জনাব তারেক রহমানের সকল সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রম। 

জনতার পাশে দাঁড়িয়ে জনতার কথাই বলার অঙ্গীকার নিয়ে জনাব আতিকুর রহমান রুমন সততার এক অনন্য প্রতীক, মানবতার উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং বিনয় ও ত্যাগের এক জীবন্ত কিংবদন্তি। ক্ষমতার মোহ যাঁকে কখনও স্পর্শ করেনি, বরং কর্মীদের প্রতিটি অশ্রুবিন্দু আর দীর্ঘশ্বাসে যিনি হিমালয়ের মতো অটল থেকে ছায়া দিয়েছেন। নির্লোভ মানসিকতা আর সহজ-সরল জীবনেই তিনি আজ সফলতার শীর্ষে অধিষ্ঠিত। বগুড়া জেলা থেকে ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশে - তরুণ প্রজন্মের কাছে আজ তিনি এক শ্রেষ্ঠ আলোকবর্তিকা। তিনি দেখিয়েছেন ক্ষমতার শীর্ষে থেকেও কীভাবে মাটির কাছাকাছি থাকা যায় ও প্রতিকূল স্রোতে ভেসে না গিয়ে আদর্শের ঝাণ্ডা সমুন্নত রাখা যায়। আতিকুর রহমান রুমন আস্থার এক অপরাজেয় ধ্রুবতারা, যাঁর আদর্শে আলোকিত হবে তারুণ্যের আগামীর পথ। তিনি চিরকাল বেঁচে থাকবেন তৃণমূলের প্রিয় ‘রুমন ভাই’ হয়ে - কোটি মানুষের হৃদয়ে এক অকৃত্রিম ভালোবাসার ঠিকানা হয়ে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৃষ্টি প্রতিদিন

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬


আতিকুর রহমান রুমন প্রাণের আপনজন-ফারহান লাবিব

প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

"রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত জনগণের সেবামূলক কাজ করা, ভোগ-বিলাস নয়। ইনশাআল্লাহ, সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই।" - এই কালজয়ী ও মানবিক দর্শনকে হৃদয়ে ধারণ করে রাজনীতির সুদীর্ঘ পথ পাড়ি দিচ্ছেন রাষ্ট্রনায়ক জনাব তারেক রহমানের অত্যন্ত আস্থাভাজন ও ছায়াসঙ্গী জনাব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি কেবল রাষ্ট্রকাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন একজন ব্যক্তিত্ব নন; বরং তিনি আজ স্বাধীন বাংলাদেশের গণমাধ্যম ও প্রতিটি প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা জাতীয়তাবাদী আদর্শের লক্ষ লক্ষ কর্মীর প্রাণের চেয়েও প্রিয় এক আপনজন। 

বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বাধিক ঘৃণিত ও পৈশাচিক হাসিনার শাসনামলে যখন শহীদ জিয়ার পরিবার, বিএনপি ও দেশবাসীর বিরুদ্ধে অমানবিক ষড়যন্ত্র চলছিল, তখন আতিকুর রহমান রুমন ছিলেন জিয়া পরিবারের অকুতোভয় এক যোদ্ধা। আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার ও ২০২৪ সালের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ জনাব তারেক রহমানের ওপর চালানো হয়েছিল অকথ্য নির্যাতন, রুদ্ধ করা হয়েছিল তাঁর স্বদেশে ফেরার পথ। কিন্তু সময় বদলেছে। জনাব তারেক রহমানের সুনিপুণ কৌশলে ৫ আগস্ট ২০২৪, ছাত্র জনতার তীব্র গণআন্দোলনে পতন ঘটে স্বৈরাচারের। আজ ২০২৬ সাল, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় থাকা বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের অত্যন্ত বিশ্বস্ত সহযোদ্ধা জনাব আতিকুর রহমান রুমন নিয়োজিত আছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব হিসেবে। তাঁকে পাশে রেখেই আজ বাস্তবায়িত হচ্ছে জনাব তারেক রহমানের স্বপ্নের ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ প্রকল্প।

"প্রিয় নেতা, আঁধার রাতে প্রদীপ হয়ে জ্বালিয়ে দিলেন আলো, নেতার জন্য সঁপেছেন প্রাণ, বাসেন বড়ই ভালো।প্রতিটি কর্মীর আত্মার স্পন্দন, আপনি মোদের বল, আদর্শে আপনার হৃদয় আজো হিমালয় সম অটল। পিতা হাফিজুরের নীতি আর মাতা ফেরদৌসীর দান, আপনার সত্তায় মিশে আছে এক লড়াকু তেজস্বী প্রাণ। জাজিয়া মার হাসির মাঝে খোঁজেন যে শান্তির নীড়, নেতার আস্থায় আপনি তো ভাই, জনতার মাঝে বীর।

গাবতলী থেকে তেঁতুলিয়া আজ আপনার জয়গান, তারেক রহমানের পাশে আপনি এক নির্ভীক প্রাণ।তৃণমূলের ওই প্রাণের টানে ছুটে চলেন অবিরাম, আতিকুর রহমান রুমন - এক নির্ভীক যোদ্ধার নাম। দুর্দিনের রুমন ভাই, আজও আমরা ভুলি নাই -আস্থার এই শক্ত দেয়ালে, শুধুই আপনাকে চাই।"

আতিকুর রহমান রুমন কেনো বিএনপির প্রতিটি কর্মীর কাছে আত্মার অংশ, তার উত্তর লুকিয়ে আছে তাঁর নিরলস পরিশ্রমে। ফ্যাসিস্ট শাসনামলে যখন দলের নেতা-কর্মীরা হামলা, মামলা আর নির্যাতনে দিশেহারা, তখন রুমন ছিলেন সেই মানুষ - যাঁর মোবাইল নম্বরটি ছিল প্রতিটি আর্তনাদ করা লড়াকুর জন্য একটি খোলা দুয়ার। ক্ষমতার খুব কাছাকাছি থেকেও তিনি মাটির মানুষ হয়ে মিশে গেছেন সাধারণের মাঝে। বিএনপি চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় গঠিত ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ সেলের আহ্বায়ক হিসেবে তিনি গুম, খুন ও পঙ্গুত্বের শিকার নেতাকর্মী ও অসহায় পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছেন দু'হাতে মানবতা নিয়ে।

ফ্যাসিবাদী শাসনামলে আতিকুর রহমান রুমনের জীবন যেন ছিল এক অগ্নিপরীক্ষা। নেতার প্রতি অটল আনুগত্যের কারণে তাঁকে বারবার রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি সইতে হয়েছে। পরিবার ছেড়ে মাসের পর মাস ফেরারি জীবন আর অমানুষিক নির্যাতনের আতঙ্কও তাঁর আদর্শকে টলাতে পারেনি। রাজপথের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিনি অটল থেকেছেন নিজের বিশ্বাসে। নিজের সবটুকু ব্যক্তিগত সুখ বিসর্জন দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন - আদর্শের জন্য ত্যাগই একজন রাজনৈতিক কর্মীর শ্রেষ্ঠ সার্থকতা। তৃণমূলের কর্মীরা মনে করেন, রুমন ভাই মানেই এক বুক ভরসা ও এগিয়ে যাওয়ার নির্ভরযোগ্য প্রেরণা। 

আতিকুর রহমান রুমন কেবল রাজপথের নীরব নেতৃত্বের প্রতীকই নন, তিনি একজন ক্ষুরধার সাংবাদিক ও সংগঠক। ১৯৯৩ সালে বগুড়ার ‘দৈনিক আজ ও আগামীকাল’ পত্রিকায় হাতেখড়ি হওয়ার পর তিনি উত্তরাঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী শাহ সুলতান কলেজ থেকে ছাত্র রাজনীতির পাশাপাশি সাংবাদিকতাকে জনগণের কল্যাণে ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেন। জাতীয় ‘দৈনিক দিনকাল’ পত্রিকার বগুড়া ব্যুরো প্রধান থেকে শুরু করে আজ তিনি এই জনপ্রিয় পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক। প্রিয় নেতার স্থলাভিষিক্ত হওয়া তাঁর জীবনের এক শ্রেষ্ঠ সম্মান। তাঁর সাহসী সাংবাদিকতা স্বৈরশাসকের রক্তচক্ষুকে পরোয়া করেনি কখনও।  তিনি বিএনপির মিডিয়া সেলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবেও অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। পেশাগত প্রয়োজনে তিনি বিশ্বের ১৯টিরও বেশি দেশ সফর করেছেন, যা তাঁকে আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও গণমাধ্যম সম্পর্কে দিয়েছে গভীর জ্ঞান। এছাড়াও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাইবার দলের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন আতিকুর রহমান রুমন। 

১৯৭৫ সালের ১৫ মে, বগুড়ার গাবতলী উপজেলার পদ্মপাড়া গ্রামে জন্ম নেওয়া রুমনের মধ্যে বইছে সততার রক্ত। তাঁর পিতা মরহুম হাফিজুর রহমান ছিলেন একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান সরকারি কর্মকর্তা এবং মাতা মরহুমা ফেরদৌসী বেগম ছিলেন এফ.এইচ. ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও সহমর্মিতার প্রতীক। পরিবার থেকে পাওয়া সেই জনকল্যাণের পাঠ নিয়েই তিনি বড় হয়েছেন। বর্তমানে তাঁর স্ত্রী ও একমাত্র আদরের কন্যা জাজিয়া রহমানকে নিয়ে ঢাকায় বসবাস করছেন। শৈশবের মাত্র সাড়ে পাঁচ বছর বয়সে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত রুমন জিয়া পরিবারের প্রতি তাঁর অটল আনুগত্যের কারণে পরিচিত দলের একজন ‘আনসিন আর্মি’ হিসেবে। দীর্ঘ দুঃশাসনে সততা, নিষ্ঠা, ধৈর্য ও বিচক্ষণতার সঙ্গে তিনি বাস্তবায়ন করেছেন জিয়া পরিবার ও কোটি মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত, জননন্দিত জননেতা জনাব তারেক রহমানের সকল সিদ্ধান্ত ও কার্যক্রম। 

জনতার পাশে দাঁড়িয়ে জনতার কথাই বলার অঙ্গীকার নিয়ে জনাব আতিকুর রহমান রুমন সততার এক অনন্য প্রতীক, মানবতার উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং বিনয় ও ত্যাগের এক জীবন্ত কিংবদন্তি। ক্ষমতার মোহ যাঁকে কখনও স্পর্শ করেনি, বরং কর্মীদের প্রতিটি অশ্রুবিন্দু আর দীর্ঘশ্বাসে যিনি হিমালয়ের মতো অটল থেকে ছায়া দিয়েছেন। নির্লোভ মানসিকতা আর সহজ-সরল জীবনেই তিনি আজ সফলতার শীর্ষে অধিষ্ঠিত। বগুড়া জেলা থেকে ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশে - তরুণ প্রজন্মের কাছে আজ তিনি এক শ্রেষ্ঠ আলোকবর্তিকা। তিনি দেখিয়েছেন ক্ষমতার শীর্ষে থেকেও কীভাবে মাটির কাছাকাছি থাকা যায় ও প্রতিকূল স্রোতে ভেসে না গিয়ে আদর্শের ঝাণ্ডা সমুন্নত রাখা যায়। আতিকুর রহমান রুমন আস্থার এক অপরাজেয় ধ্রুবতারা, যাঁর আদর্শে আলোকিত হবে তারুণ্যের আগামীর পথ। তিনি চিরকাল বেঁচে থাকবেন তৃণমূলের প্রিয় ‘রুমন ভাই’ হয়ে - কোটি মানুষের হৃদয়ে এক অকৃত্রিম ভালোবাসার ঠিকানা হয়ে।


দৃষ্টি প্রতিদিন

প্রকাশক ও সম্পাদক এসএম আমিনুল মোমিন, আইন বিষয়ক সম্পাদক, অ্যাডভোকেট মনিরুজ্জামান


কপিরাইট © ২০২৬ দৃষ্টি প্রতিদিন । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত