বগুড়ার শেরপুরে পারিবারিক কলহের জেরে অতিরিক্ত ঘুমের ট্যাবলেট সেবন করে ফরিদা খাতুন (৩০) নামের এক গৃহবধূ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। নিহত ফরিদা খাতুন উপজেলার গাড়িদহ ইউনিয়নের পারভবানীপুর পূর্ব পাড়া এলাকার আরিফুল ইসলামের স্ত্রী।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরের সময় গরুর খাবার দেওয়াকে কেন্দ্র করে ফরিদা খাতুনের সঙ্গে তার শাশুড়ির কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে অভিমান করে ঘরে থাকা অতিরিক্ত ঘুমের ট্যাবলেট সেবন করেন তিনি। পরবর্তীতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি মারা যান।
নিহতের স্বামী আরিফুল ইসলাম জানান, তার স্ত্রী কিছুটা মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। দুপুরে তুচ্ছ ঘটনায় মায়ের সঙ্গে ফরিদার কথাকাটাকাটি হয়। সেই অভিমানে সবার অজান্তে তিনি অনেকগুলো ঘুমের ঔষধ খেয়ে ফেলেন।
এ বিষয়ে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আলী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বগুড়ার শেরপুরে পারিবারিক কলহের জেরে অতিরিক্ত ঘুমের ট্যাবলেট সেবন করে ফরিদা খাতুন (৩০) নামের এক গৃহবধূ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। নিহত ফরিদা খাতুন উপজেলার গাড়িদহ ইউনিয়নের পারভবানীপুর পূর্ব পাড়া এলাকার আরিফুল ইসলামের স্ত্রী।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরের সময় গরুর খাবার দেওয়াকে কেন্দ্র করে ফরিদা খাতুনের সঙ্গে তার শাশুড়ির কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে অভিমান করে ঘরে থাকা অতিরিক্ত ঘুমের ট্যাবলেট সেবন করেন তিনি। পরবর্তীতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি মারা যান।
নিহতের স্বামী আরিফুল ইসলাম জানান, তার স্ত্রী কিছুটা মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। দুপুরে তুচ্ছ ঘটনায় মায়ের সঙ্গে ফরিদার কথাকাটাকাটি হয়। সেই অভিমানে সবার অজান্তে তিনি অনেকগুলো ঘুমের ঔষধ খেয়ে ফেলেন।
এ বিষয়ে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আলী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন