মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার রশুনিয়া ইউনিয়নের চোরমর্দ্দন গ্রামে প্রবেশের একমাত্র শাখা সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে বেহাল অবস্থায় ছিল। বৃষ্টির পানিতে সড়কের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ সৃষ্টি হয়ে জনসাধারণের চলাচলে চরম দুর্ভোগ দেখা দেয়। বিশেষ করে চোরমর্দ্দন গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ প্রতিদিন যাতায়াতে ভোগান্তির শিকার হন।
স্থানীয়রা জানান, কয়েক বছর আগে সড়কটিতে ইটের সলিং করা হলেও সময়ের ব্যবধানে সেই ইট ভেঙে গুঁড়ো হয়ে যায়। ফলে পুরো সড়কই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সামান্য বৃষ্টি হলেই বিভিন্ন স্থানে পানি জমে কর্দমাক্ত হয়ে যেত। স্কুল ও কলেজগামী শিক্ষার্থীরা এ পথে চলাচলের সময় কাদা মেখে পোশাক নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি চরম বিড়ম্বনায় পড়তেন। উপজেলার রশুনিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাগানবাড়ী ব্রিজ থেকে চোরমর্দ্দন মনিপাড়া হয়ে রাঙামালিয়া পর্যন্ত সড়কের ইট ভেঙে গুড়ো হয়ে দীর্ঘদিন ধরে অব্যবস্থাপনায় পড়ে ছিল। অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর চোরমর্দ্দন রাঙ্গামালিয়া সড়কের চেইনেজ ০ থেকে ১৬৫০ মিটার পর্যন্ত অংশের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ব্রীজ ও রাস্তার কার্পেটিংয়ের কাজও শুরু হয়েছে। কার্পেটিংয়ের কাজ শুরু হওয়ায় গ্রামবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। দীর্ঘদিনের অবহেলার অবসান ঘটায় স্থানীয়দের অনেকেই আনন্দ উল্লাস করছেন।
জানা যায়, এডভোকেট আবু সাঈদের জোরালো তৎপরতায় চোরমর্দ্দন ব্রিজ ও সড়কের গুরুত্বপূর্ণ
কাজ বাস্তবায়নের পথে এগিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের দাবি থাকলেও এবার কার্যক্রম দৃশ্যমান হয়েছে। এছাড়া রাস্তা ও ব্রিজের টেন্ডার অনুমোদনের বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য ইকবাল দিদার ও সুলতান সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রকৌশলীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রয়োজনীয় তদবির করেন বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে রশুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এডভোকেট আবু সাঈদ বলেন, সড়কটি গ্রামের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিনের সমস্যার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সার্বিক প্রচেষ্টায় চোরমর্দ্দন রাঙ্গামালিয়া সড়কের ০ থেকে ১৬৫০ মিটার পর্যন্ত অংশের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ব্রিজ ও রাস্তার কার্পেটিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে। আশা করা যায়, এতে করে এলাকাবাসীর ভোগান্তির অবসান ঘটবে।

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার রশুনিয়া ইউনিয়নের চোরমর্দ্দন গ্রামে প্রবেশের একমাত্র শাখা সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে বেহাল অবস্থায় ছিল। বৃষ্টির পানিতে সড়কের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ সৃষ্টি হয়ে জনসাধারণের চলাচলে চরম দুর্ভোগ দেখা দেয়। বিশেষ করে চোরমর্দ্দন গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ প্রতিদিন যাতায়াতে ভোগান্তির শিকার হন।
স্থানীয়রা জানান, কয়েক বছর আগে সড়কটিতে ইটের সলিং করা হলেও সময়ের ব্যবধানে সেই ইট ভেঙে গুঁড়ো হয়ে যায়। ফলে পুরো সড়কই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সামান্য বৃষ্টি হলেই বিভিন্ন স্থানে পানি জমে কর্দমাক্ত হয়ে যেত। স্কুল ও কলেজগামী শিক্ষার্থীরা এ পথে চলাচলের সময় কাদা মেখে পোশাক নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি চরম বিড়ম্বনায় পড়তেন। উপজেলার রশুনিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাগানবাড়ী ব্রিজ থেকে চোরমর্দ্দন মনিপাড়া হয়ে রাঙামালিয়া পর্যন্ত সড়কের ইট ভেঙে গুড়ো হয়ে দীর্ঘদিন ধরে অব্যবস্থাপনায় পড়ে ছিল। অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর চোরমর্দ্দন রাঙ্গামালিয়া সড়কের চেইনেজ ০ থেকে ১৬৫০ মিটার পর্যন্ত অংশের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ব্রীজ ও রাস্তার কার্পেটিংয়ের কাজও শুরু হয়েছে। কার্পেটিংয়ের কাজ শুরু হওয়ায় গ্রামবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। দীর্ঘদিনের অবহেলার অবসান ঘটায় স্থানীয়দের অনেকেই আনন্দ উল্লাস করছেন।
জানা যায়, এডভোকেট আবু সাঈদের জোরালো তৎপরতায় চোরমর্দ্দন ব্রিজ ও সড়কের গুরুত্বপূর্ণ
কাজ বাস্তবায়নের পথে এগিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের দাবি থাকলেও এবার কার্যক্রম দৃশ্যমান হয়েছে। এছাড়া রাস্তা ও ব্রিজের টেন্ডার অনুমোদনের বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য ইকবাল দিদার ও সুলতান সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রকৌশলীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রয়োজনীয় তদবির করেন বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে রশুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এডভোকেট আবু সাঈদ বলেন, সড়কটি গ্রামের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিনের সমস্যার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সার্বিক প্রচেষ্টায় চোরমর্দ্দন রাঙ্গামালিয়া সড়কের ০ থেকে ১৬৫০ মিটার পর্যন্ত অংশের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ব্রিজ ও রাস্তার কার্পেটিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে। আশা করা যায়, এতে করে এলাকাবাসীর ভোগান্তির অবসান ঘটবে।

আপনার মতামত লিখুন