বগুড়া সদর উপজেলার শাখারিয়া ইউনিয়নে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক পর্যায়ে ৪৯৬ জন নারীর মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। তবে ডিজিটাল ব্যবস্থার সুফল হিসেবে কার্ড হাতে পাওয়ার আগেই সরকারি সহায়তার টাকা উপকারভোগীদের মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে পৌঁছে গেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানী ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এর পরপরই বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বগুড়া সদর উপজেলার গোপালবাড়ি এলাকায় জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান উপকারভোগীদের হাতে কার্ডগুলো তুলে দেন।
প্রাথমিক পর্যায়: ৪৯৬ জন নারী কার্ড পেয়েছেন। পর্যায়ক্রমে ওই এলাকার মোট ৮৬৮ জন নারী এই সুবিধার আওতায় আসবেন।
সহায়তার টাকা দ্রুত হাতে পাওয়ায় নারীদের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে। কার্ড নিতে আসা কয়েকজন নারী জানান, কার্ড পাওয়ার আগেই তাদের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে টাকা পৌঁছে গেছে। তারা বলেন, "এই টাকা আমাদের অভাবের সংসারে বড় উপকার করবে।" এ সময় তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, "বর্তমান সরকার প্রান্তিক পর্যায়ের নারীদের স্বাবলম্বী ও সুরক্ষিত করতে এই উদ্যোগ নিয়েছে। সরাসরি মোবাইলে টাকা পৌঁছে যাওয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়েছে। আমরা পর্যায়ক্রমে যোগ্য সবাইকে এই কার্যক্রমের আওতায় নিয়ে আসব।"
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আলী আজগর তালুকদার হেনা। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মেজবাউল করিম। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল ওয়াজেদ।
জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদ-উন নবী সালাম। সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান রুবেলসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
বগুড়া সদর উপজেলার শাখারিয়া ইউনিয়নে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক পর্যায়ে ৪৯৬ জন নারীর মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। তবে ডিজিটাল ব্যবস্থার সুফল হিসেবে কার্ড হাতে পাওয়ার আগেই সরকারি সহায়তার টাকা উপকারভোগীদের মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে পৌঁছে গেছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানী ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এর পরপরই বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বগুড়া সদর উপজেলার গোপালবাড়ি এলাকায় জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান উপকারভোগীদের হাতে কার্ডগুলো তুলে দেন।
প্রাথমিক পর্যায়: ৪৯৬ জন নারী কার্ড পেয়েছেন। পর্যায়ক্রমে ওই এলাকার মোট ৮৬৮ জন নারী এই সুবিধার আওতায় আসবেন।
সহায়তার টাকা দ্রুত হাতে পাওয়ায় নারীদের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে। কার্ড নিতে আসা কয়েকজন নারী জানান, কার্ড পাওয়ার আগেই তাদের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে টাকা পৌঁছে গেছে। তারা বলেন, "এই টাকা আমাদের অভাবের সংসারে বড় উপকার করবে।" এ সময় তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, "বর্তমান সরকার প্রান্তিক পর্যায়ের নারীদের স্বাবলম্বী ও সুরক্ষিত করতে এই উদ্যোগ নিয়েছে। সরাসরি মোবাইলে টাকা পৌঁছে যাওয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়েছে। আমরা পর্যায়ক্রমে যোগ্য সবাইকে এই কার্যক্রমের আওতায় নিয়ে আসব।"
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আলী আজগর তালুকদার হেনা। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মেজবাউল করিম। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল ওয়াজেদ।
জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদ-উন নবী সালাম। সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান রুবেলসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন