দৃষ্টি প্রতিদিন
প্রকাশ : শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

শিক্ষার্থীদের সেবায় বগুড়ার শাহ সুলতান কলেজে প্রশংসায় ছাত্রদলের হেল্প ডেস্ক

শিক্ষার্থীদের সেবায় বগুড়ার শাহ সুলতান কলেজে প্রশংসায় ছাত্রদলের হেল্প ডেস্ক
শিক্ষার্থীদের সেবায় বগুড়ার শাহ সুলতান কলেজে প্রশংসায় ছাত্রদল।

দেশব্যাপী স্নাতক (অনার্স) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে বগুড়ার সরকারি শাহ সুলতান কলেজে আসা ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

 মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হীরা ও সদস্য সচিব সোহাগ হোসেনের নেতৃত্বে ‘হেল্প ডেস্ক’ স্থাপন ও মানবিক সেবা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে আসা শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের ভোগান্তি কমাতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা নিজস্ব মোটরসাইকেলের মাধ্যমে ‘ফ্রি বাইক সার্ভিস’ প্রদান করেন। এছাড়া হেল্প ডেস্ক থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে উন্নত মানের কলম ও তৃষ্ণা মেটাতে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ করা হয়। অনেক শিক্ষার্থী কেন্দ্রে প্রবেশের সময় তাদের নির্দিষ্ট আসন খুঁজে পেতে সমস্যায় পড়লে নেতাকর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কক্ষ খুঁজে পেতে এবং সেখানে পৌঁছাতে সার্বিক সহযোগিতা করেন। পাশাপাশি পরীক্ষার্থীদের সাথে আসা মোটরসাইকেলগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও দিনভর তৎপর ছিলেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এ বিষয়ে শাহ সুলতান কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হীরা বলেন, "বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সবসময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের সেবায় অঙ্গীকারবদ্ধ। ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে আসা এই মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আমাদের আগামীর বাংলাদেশের কারিগর। আমাদের প্রাণ, দেশনায়ক তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আমরা এই মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। পরীক্ষার্থীরা যেন কোনো ধরনের দুশ্চিন্তা বা ভোগান্তি ছাড়াই স্বচ্ছন্দে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সেবা ও দিকনির্দেশনা পায়, সেটিই ছিল আমাদের মূল লক্ষ্য। ছাত্রদল সবসময় মেধা ও সেবার রাজনীতিতে বিশ্বাসী এবং ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের যেকোনো প্রয়োজনে ছাত্রদল পাশে থাকবে।"

সদস্য সচিব সোহাগ হোসেন বলেন, " ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে আসা এই মেধাবী শিক্ষার্থীরা আমাদের মেহমান। আমাদের নেতা, দেশনায়ক তারেক রহমানের দর্শন হলো ছাত্রদলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে গড়ে তোলা। সেই দর্শনেই উজ্জীবিত হয়ে আমরা আজ শিক্ষার্থীদের সেবায় নিয়োজিত হয়েছি। পরীক্ষার দিনে যাতায়াত বা কেন্দ্রের অভ্যন্তরে কোনো শিক্ষার্থী যেন নিজেকে একা বা অসহায় বোধ না করে, তা নিশ্চিত করাই আমাদের দায়িত্ব। ছাত্রদল সবসময় সৃজনশীল ও মানবিক ছাত্ররাজনীতির চর্চা করে এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের যেকোনো প্রয়োজনে আমরা অতন্দ্র প্রহরীর মতো পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"

পরীক্ষা দিতে আসা এক শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান ছাত্রদলের এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, "কেন্দ্রের যাতায়াত এবং সঠিক তথ্য পাওয়া নিয়ে কিছুটা চিন্তায় ছিলাম। কিন্তু ছাত্রদলের ভাইয়েরা ফ্রি বাইক সার্ভিসের মাধ্যমে যেমন দ্রুত পৌঁছাতে সাহায্য করেছেন, তেমনি প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে আমাদের কাজ সহজ করে দিয়েছেন। তাদের এই সেবামূলক ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ আমাদের মুগ্ধ করেছে।"

ছেলের সাথে আসা এক অভিভাবক ছাত্রদলের এই মানবিক কর্মকাণ্ড দেখে মুগ্ধ হয়ে বলেন, "ভর্তি পরীক্ষার এই ভিড়ে সন্তানদের নিয়ে আমরা অনেক দুশ্চিন্তায় থাকি। কিন্তু এখানে এসে দেখলাম ছাত্রদলের ছেলেরা খুব শৃঙ্খলার সাথে আমাদের বসার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে, বিশুদ্ধ পানি দিচ্ছে এবং পরীক্ষার্থীদের নানাভাবে সাহায্য করছে। ছাত্ররাজনীতির এমন সেবামূলক রূপ দেখে আমরা অভিভূত। তাদের এই মানবিক আচরণ সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে।"

ছাত্রদলের অনন্য এই সেবা কার্যক্রমে কলেজ শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়ে দিনভর নিরলস পরিশ্রম করেন। তাদের এই সুশৃঙ্খল ও সেবামূলক মনোভাব ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতির এক উজ্জ্বল ও মানবিক প্রতিচ্ছবি ফুটিয়ে তুলেছে। ছাত্রদলের এমন সময়োপযোগী ও পরোপকারী উদ্যোগ কেবল শিক্ষার্থীদের যাত্রাই সহজ করেনি, বরং সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মনে এক গভীর আস্থা ও ভালোবাসার জায়গা তৈরি করেছে, যা পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৃষ্টি প্রতিদিন

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬


শিক্ষার্থীদের সেবায় বগুড়ার শাহ সুলতান কলেজে প্রশংসায় ছাত্রদলের হেল্প ডেস্ক

প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

দেশব্যাপী স্নাতক (অনার্স) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে বগুড়ার সরকারি শাহ সুলতান কলেজে আসা ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

 মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হীরা ও সদস্য সচিব সোহাগ হোসেনের নেতৃত্বে ‘হেল্প ডেস্ক’ স্থাপন ও মানবিক সেবা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।


ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে আসা শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের ভোগান্তি কমাতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা নিজস্ব মোটরসাইকেলের মাধ্যমে ‘ফ্রি বাইক সার্ভিস’ প্রদান করেন। এছাড়া হেল্প ডেস্ক থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে উন্নত মানের কলম ও তৃষ্ণা মেটাতে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ করা হয়। অনেক শিক্ষার্থী কেন্দ্রে প্রবেশের সময় তাদের নির্দিষ্ট আসন খুঁজে পেতে সমস্যায় পড়লে নেতাকর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কক্ষ খুঁজে পেতে এবং সেখানে পৌঁছাতে সার্বিক সহযোগিতা করেন। পাশাপাশি পরীক্ষার্থীদের সাথে আসা মোটরসাইকেলগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও দিনভর তৎপর ছিলেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এ বিষয়ে শাহ সুলতান কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হীরা বলেন, "বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সবসময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের সেবায় অঙ্গীকারবদ্ধ। ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে আসা এই মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আমাদের আগামীর বাংলাদেশের কারিগর। আমাদের প্রাণ, দেশনায়ক তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আমরা এই মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। পরীক্ষার্থীরা যেন কোনো ধরনের দুশ্চিন্তা বা ভোগান্তি ছাড়াই স্বচ্ছন্দে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সেবা ও দিকনির্দেশনা পায়, সেটিই ছিল আমাদের মূল লক্ষ্য। ছাত্রদল সবসময় মেধা ও সেবার রাজনীতিতে বিশ্বাসী এবং ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের যেকোনো প্রয়োজনে ছাত্রদল পাশে থাকবে।"

সদস্য সচিব সোহাগ হোসেন বলেন, " ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে আসা এই মেধাবী শিক্ষার্থীরা আমাদের মেহমান। আমাদের নেতা, দেশনায়ক তারেক রহমানের দর্শন হলো ছাত্রদলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে গড়ে তোলা। সেই দর্শনেই উজ্জীবিত হয়ে আমরা আজ শিক্ষার্থীদের সেবায় নিয়োজিত হয়েছি। পরীক্ষার দিনে যাতায়াত বা কেন্দ্রের অভ্যন্তরে কোনো শিক্ষার্থী যেন নিজেকে একা বা অসহায় বোধ না করে, তা নিশ্চিত করাই আমাদের দায়িত্ব। ছাত্রদল সবসময় সৃজনশীল ও মানবিক ছাত্ররাজনীতির চর্চা করে এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের যেকোনো প্রয়োজনে আমরা অতন্দ্র প্রহরীর মতো পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"

পরীক্ষা দিতে আসা এক শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান ছাত্রদলের এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, "কেন্দ্রের যাতায়াত এবং সঠিক তথ্য পাওয়া নিয়ে কিছুটা চিন্তায় ছিলাম। কিন্তু ছাত্রদলের ভাইয়েরা ফ্রি বাইক সার্ভিসের মাধ্যমে যেমন দ্রুত পৌঁছাতে সাহায্য করেছেন, তেমনি প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে আমাদের কাজ সহজ করে দিয়েছেন। তাদের এই সেবামূলক ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ আমাদের মুগ্ধ করেছে।"

ছেলের সাথে আসা এক অভিভাবক ছাত্রদলের এই মানবিক কর্মকাণ্ড দেখে মুগ্ধ হয়ে বলেন, "ভর্তি পরীক্ষার এই ভিড়ে সন্তানদের নিয়ে আমরা অনেক দুশ্চিন্তায় থাকি। কিন্তু এখানে এসে দেখলাম ছাত্রদলের ছেলেরা খুব শৃঙ্খলার সাথে আমাদের বসার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে, বিশুদ্ধ পানি দিচ্ছে এবং পরীক্ষার্থীদের নানাভাবে সাহায্য করছে। ছাত্ররাজনীতির এমন সেবামূলক রূপ দেখে আমরা অভিভূত। তাদের এই মানবিক আচরণ সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে।"

ছাত্রদলের অনন্য এই সেবা কার্যক্রমে কলেজ শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়ে দিনভর নিরলস পরিশ্রম করেন। তাদের এই সুশৃঙ্খল ও সেবামূলক মনোভাব ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতির এক উজ্জ্বল ও মানবিক প্রতিচ্ছবি ফুটিয়ে তুলেছে। ছাত্রদলের এমন সময়োপযোগী ও পরোপকারী উদ্যোগ কেবল শিক্ষার্থীদের যাত্রাই সহজ করেনি, বরং সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মনে এক গভীর আস্থা ও ভালোবাসার জায়গা তৈরি করেছে, যা পুরো ক্যাম্পাস জুড়ে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।


দৃষ্টি প্রতিদিন

প্রকাশক ও সম্পাদক এসএম আমিনুল মোমিন, আইন বিষয়ক সম্পাদক, অ্যাডভোকেট মনিরুজ্জামান


কপিরাইট © ২০২৬ দৃষ্টি প্রতিদিন । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত