দৃষ্টি প্রতিদিন
প্রকাশ : রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

শেরপুর পৌরসভা নির্বাচন কেন্দ্রিক আলোচনায় ভিপি মিন্টু

শেরপুর পৌরসভা নির্বাচন কেন্দ্রিক আলোচনায় ভিপি মিন্টু
রফিকুল ইসলাম মিন্টুর ফাইল (ছবি) ।

বগুড়ার অতি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী প্রথম শ্রেণির পৌরসভা শেরপুরে নির্বাচনের হাওয়ায় দুলছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। চায়ের টেবিল থেকে শুরু করে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানান সমীকরণ। এই প্রথম বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী শেরপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভিপি মো. রফিকুল ইসলাম মিন্টু। বগুড়া জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

রফিকুল ইসলাম মিন্টুর রাজনৈতিক পরিচয় কেবল একটি পদবিতে সীমাবদ্ধ নয়; তিনি উত্তরবঙ্গের ছাত্র রাজনীতি, ত্যাগ ও সংগ্রামের এক জীবন্ত ইতিহাস। ১৯৮৬ সালে সর্বপ্রথম ছাত্রদলের প্যানেল থেকে ভিপি নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে সমগ্র উত্তরাঞ্চলব্যাপী কলেজ ছাত্র সংসদে ছাত্রদলের বিজয়ের ধারা সূচনা করেন তিনি। তাঁর এই বিজয়ের ধারাই পরবর্তীতে উত্তরবঙ্গের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ সরকারি আজিজুল হক কলেজে ছাত্রদলের বিজয় সুনিশ্চিত করে। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বেই স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে ওঠে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার শেরপুর থেকে। সেদিনের সেই জনপ্রিয় ছাত্রনেতা আজ শেরপুরের গণমানুষের আস্থা ও ভালোবাসায় সিক্ত এক জননন্দিত জননেতা।

শেরপুরের তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের দাবি—বিগত বছরগুলোতে যারা মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তারা জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছেন। তাদের অবহেলায় শেরপুর পৌরসভা এক স্থবির জনপদে পরিণত হয়েছে। তাই অবহেলিত এই জনপদের হারানো গৌরব ফেরাতে এবং উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সৎ, ত্যাগী ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে ভিপি মিন্টুর ওপর আস্থা রাখতে চান পৌরবাসী।

বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের প্রহসনমূলক পৌর নির্বাচনে নির্বাচিতদের অবৈধ হিসেবে ঘোষণা করে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। পরবর্তীতে দেশের জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন ভেঙে দিয়ে প্রশাসক দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এতে প্রথম শ্রেণির পৌরসভা শেরপুরের নাগরিকরা কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ায় বগুড়ার কৃতী সন্তান বিএনপির চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সরকারের নিকট জোর দাবি—অনতিবিলম্বে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার অংশ হিসেবে পৌরসভা নির্বাচন ত্বরান্বিত করবেন।

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের নির্মম দুঃশাসনে রফিকুল ইসলাম মিন্টু অমানবিক নির্যাতন-নির্মমতার শিকার হয়েছেন বহুবার। তবুও আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি জনতার প্রিয় এই মুখ। ১৯৭৭ সালে ইয়ুথ কমপ্লেক্সের সদস্য হিসেবে তাঁর পথচলা শুরু। ১৯৭৮ সাল থেকে ছাত্রদলের তুখোড় সেই ছাত্রনেতা ১৯৮৬ সালের শেরপুর কলেজ ছাত্র সংসদের প্রথম নির্বাচিত ভিপি। ১৯৮৮ সালে উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৯৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৮ বছর অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন শেরপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে। ২০২২ সালে সরাসরি ভোটে তিনি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে সবসময় নিয়োজিত রেখেছেন ভিপি রফিকুল ইসলাম মিন্টু। কেবল দলীয় পরিচয় নয়, বরং ব্যক্তি উদ্যোগে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে তিনি শেরপুরের অসহায়, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন নিরলসভাবে। ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় ধরে রাজপথ কাঁপানো মানবিক নেতা ভিপি রফিকুল ইসলাম মিন্টুকে ঘিরে এবার নতুন স্বপ্ন দেখছেন শেরপুর পৌরসভার সর্বস্তরের সাধারণ নাগরিক।

দীর্ঘ ৪৫ বছরেরও অধিক রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে দল ও সাধারণ মানুষের জন্য নিজের জীবন বিলিয়ে দিলেও তিনি কখনোই ব্যক্তিগত কোনো প্রাপ্তির আশা করেননি। এবারই প্রথম দল ও দেশনায়ক জনাব তারেক রহমানের নিকট শেরপুর পৌরসভার উন্নয়নের লক্ষ্যে মেয়র পদে মনোনয়নের দাবি জানিয়েছেন রফিকুল ইসলাম মিন্টু।

আসন্ন এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই সম্ভাবনাময় অসংখ্য প্রার্থী মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করার জন্য শহরের আনাচে-কানাচে ব্যানার-ফেস্টুন ঝুলিয়ে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রচারকারী সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে দৃষ্টি কেড়েছে শেরপুরের ত্যাগী, নির্ভীক, সীমাহীন নির্যাতন-নির্মমতার শিকার জননন্দিত ও জনপ্রিয় জননেতা জনাব রফিকুল ইসলাম মিন্টু। তাঁর শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রচারণা মুগ্ধভাবে গ্রহণ করছে মানুষ।

অনুসন্ধান ও প্রচারণাকারীদের সম্পর্কে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, সরকারের উচ্চপদস্থ দলীয় শীর্ষ নেতাদের কাছে ইতিমধ্যেই তথ্য পৌঁছে গেছে - দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির মনোনয়নে যোগ্য, ত্যাগী ও নির্যাতিত কর্মী হিসেবে রফিকুল ইসলাম মিন্টুর দাবি যথার্থ এবং তিনি মনোনয়নের দাবিদার।

এক প্রসঙ্গে জননেতা জনাব রফিকুল ইসলাম মিন্টু জানান, "আমি মেয়র নির্বাচিত হলে পৌরসভার সকল সেবা কার্যক্রমে মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত ও তাদের দ্বারে পৌঁছে দিতে পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ডে মাসে একদিন করে অফিস করব। যাতে তৃণমূলের প্রতিটি মানুষ তার সমস্যা সরাসরি উপস্থাপন করতে পারে ও সমাধানের পথ সহজ হয়। মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হলে সার্বক্ষণিক মুঠোফোন উন্মুক্ত থাকবে ও বিনা বাধায় মানুষ আসতে পারবে আমার কাছে। অগ্রাধিকার থাকবে সামাজিক অবক্ষয় রোধ, শিক্ষা, বাল্যবিবাহ, মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত পরিচ্ছন্ন এবং আধুনিক নগরী গড়ে তোলা। দায়িত্ব পালনে সততা অব্যাহত রাখতে তথ্যপ্রবাহ উন্মুক্ত থাকবে।" 

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৃষ্টি প্রতিদিন

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬


শেরপুর পৌরসভা নির্বাচন কেন্দ্রিক আলোচনায় ভিপি মিন্টু

প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

বগুড়ার অতি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী প্রথম শ্রেণির পৌরসভা শেরপুরে নির্বাচনের হাওয়ায় দুলছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। চায়ের টেবিল থেকে শুরু করে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানান সমীকরণ। এই প্রথম বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী শেরপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভিপি মো. রফিকুল ইসলাম মিন্টু। বগুড়া জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

রফিকুল ইসলাম মিন্টুর রাজনৈতিক পরিচয় কেবল একটি পদবিতে সীমাবদ্ধ নয়; তিনি উত্তরবঙ্গের ছাত্র রাজনীতি, ত্যাগ ও সংগ্রামের এক জীবন্ত ইতিহাস। ১৯৮৬ সালে সর্বপ্রথম ছাত্রদলের প্যানেল থেকে ভিপি নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে সমগ্র উত্তরাঞ্চলব্যাপী কলেজ ছাত্র সংসদে ছাত্রদলের বিজয়ের ধারা সূচনা করেন তিনি। তাঁর এই বিজয়ের ধারাই পরবর্তীতে উত্তরবঙ্গের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ সরকারি আজিজুল হক কলেজে ছাত্রদলের বিজয় সুনিশ্চিত করে। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বেই স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে ওঠে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার শেরপুর থেকে। সেদিনের সেই জনপ্রিয় ছাত্রনেতা আজ শেরপুরের গণমানুষের আস্থা ও ভালোবাসায় সিক্ত এক জননন্দিত জননেতা।

শেরপুরের তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের দাবি—বিগত বছরগুলোতে যারা মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তারা জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছেন। তাদের অবহেলায় শেরপুর পৌরসভা এক স্থবির জনপদে পরিণত হয়েছে। তাই অবহেলিত এই জনপদের হারানো গৌরব ফেরাতে এবং উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সৎ, ত্যাগী ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে ভিপি মিন্টুর ওপর আস্থা রাখতে চান পৌরবাসী।

বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের প্রহসনমূলক পৌর নির্বাচনে নির্বাচিতদের অবৈধ হিসেবে ঘোষণা করে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। পরবর্তীতে দেশের জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন ভেঙে দিয়ে প্রশাসক দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এতে প্রথম শ্রেণির পৌরসভা শেরপুরের নাগরিকরা কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ায় বগুড়ার কৃতী সন্তান বিএনপির চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সরকারের নিকট জোর দাবি—অনতিবিলম্বে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার অংশ হিসেবে পৌরসভা নির্বাচন ত্বরান্বিত করবেন।

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের নির্মম দুঃশাসনে রফিকুল ইসলাম মিন্টু অমানবিক নির্যাতন-নির্মমতার শিকার হয়েছেন বহুবার। তবুও আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি জনতার প্রিয় এই মুখ। ১৯৭৭ সালে ইয়ুথ কমপ্লেক্সের সদস্য হিসেবে তাঁর পথচলা শুরু। ১৯৭৮ সাল থেকে ছাত্রদলের তুখোড় সেই ছাত্রনেতা ১৯৮৬ সালের শেরপুর কলেজ ছাত্র সংসদের প্রথম নির্বাচিত ভিপি। ১৯৮৮ সালে উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৯৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৮ বছর অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন শেরপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে। ২০২২ সালে সরাসরি ভোটে তিনি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে সবসময় নিয়োজিত রেখেছেন ভিপি রফিকুল ইসলাম মিন্টু। কেবল দলীয় পরিচয় নয়, বরং ব্যক্তি উদ্যোগে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে তিনি শেরপুরের অসহায়, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন নিরলসভাবে। ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় ধরে রাজপথ কাঁপানো মানবিক নেতা ভিপি রফিকুল ইসলাম মিন্টুকে ঘিরে এবার নতুন স্বপ্ন দেখছেন শেরপুর পৌরসভার সর্বস্তরের সাধারণ নাগরিক।

দীর্ঘ ৪৫ বছরেরও অধিক রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে দল ও সাধারণ মানুষের জন্য নিজের জীবন বিলিয়ে দিলেও তিনি কখনোই ব্যক্তিগত কোনো প্রাপ্তির আশা করেননি। এবারই প্রথম দল ও দেশনায়ক জনাব তারেক রহমানের নিকট শেরপুর পৌরসভার উন্নয়নের লক্ষ্যে মেয়র পদে মনোনয়নের দাবি জানিয়েছেন রফিকুল ইসলাম মিন্টু।

আসন্ন এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই সম্ভাবনাময় অসংখ্য প্রার্থী মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করার জন্য শহরের আনাচে-কানাচে ব্যানার-ফেস্টুন ঝুলিয়ে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রচারকারী সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে দৃষ্টি কেড়েছে শেরপুরের ত্যাগী, নির্ভীক, সীমাহীন নির্যাতন-নির্মমতার শিকার জননন্দিত ও জনপ্রিয় জননেতা জনাব রফিকুল ইসলাম মিন্টু। তাঁর শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রচারণা মুগ্ধভাবে গ্রহণ করছে মানুষ।

অনুসন্ধান ও প্রচারণাকারীদের সম্পর্কে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, সরকারের উচ্চপদস্থ দলীয় শীর্ষ নেতাদের কাছে ইতিমধ্যেই তথ্য পৌঁছে গেছে - দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির মনোনয়নে যোগ্য, ত্যাগী ও নির্যাতিত কর্মী হিসেবে রফিকুল ইসলাম মিন্টুর দাবি যথার্থ এবং তিনি মনোনয়নের দাবিদার।

এক প্রসঙ্গে জননেতা জনাব রফিকুল ইসলাম মিন্টু জানান, "আমি মেয়র নির্বাচিত হলে পৌরসভার সকল সেবা কার্যক্রমে মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত ও তাদের দ্বারে পৌঁছে দিতে পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ডে মাসে একদিন করে অফিস করব। যাতে তৃণমূলের প্রতিটি মানুষ তার সমস্যা সরাসরি উপস্থাপন করতে পারে ও সমাধানের পথ সহজ হয়। মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হলে সার্বক্ষণিক মুঠোফোন উন্মুক্ত থাকবে ও বিনা বাধায় মানুষ আসতে পারবে আমার কাছে। অগ্রাধিকার থাকবে সামাজিক অবক্ষয় রোধ, শিক্ষা, বাল্যবিবাহ, মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত পরিচ্ছন্ন এবং আধুনিক নগরী গড়ে তোলা। দায়িত্ব পালনে সততা অব্যাহত রাখতে তথ্যপ্রবাহ উন্মুক্ত থাকবে।" 


দৃষ্টি প্রতিদিন

প্রকাশক ও সম্পাদক এসএম আমিনুল মোমিন, আইন বিষয়ক সম্পাদক, অ্যাডভোকেট মনিরুজ্জামান


কপিরাইট © ২০২৬ দৃষ্টি প্রতিদিন । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত