বগুড়ার শেরপুর উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ পদে পরিবর্তন আসছে। নতুন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ৩৭তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের চৌকস কর্মকর্তা মো. সাইদুজ্জামান হিমু। আজ সোমবার (১৬ মার্চ) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে শেরপুর উপজেলায় তাঁর দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে।
মো. সাইদুজ্জামান হিমু মাঠ প্রশাসনে একজন অভিজ্ঞ ও দক্ষ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। শেরপুরে যোগদানের আগে তিনি সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তাঁর ক্যারিয়ারে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ
সহকারী কমিশনার দায়িত্ব পালন করেছেন নারায়ণগঞ্জ ও মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে।
তিনি ৩৭তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের সদস্য।
প্রশাসনিক দক্ষতা ও জনবান্ধব আচরণের কারণে মাঠ প্রশাসনে তাঁর সুনাম রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, তাঁর এই অভিজ্ঞতা শেরপুর উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
উপজেলার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের গতি বৃদ্ধি পাবে। সরকারি সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছানো সহজ হবে। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও সুদৃঢ় হবে।
শেরপুর উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে এবং বর্তমান সরকারের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে মো. সাইদুজ্জামান হিমু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন—এমনটাই এখন স্থানীয় সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মার্চ ২০২৬
বগুড়ার শেরপুর উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ পদে পরিবর্তন আসছে। নতুন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ৩৭তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের চৌকস কর্মকর্তা মো. সাইদুজ্জামান হিমু। আজ সোমবার (১৬ মার্চ) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে শেরপুর উপজেলায় তাঁর দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন বলে জানা গেছে।
মো. সাইদুজ্জামান হিমু মাঠ প্রশাসনে একজন অভিজ্ঞ ও দক্ষ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। শেরপুরে যোগদানের আগে তিনি সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তাঁর ক্যারিয়ারে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ
সহকারী কমিশনার দায়িত্ব পালন করেছেন নারায়ণগঞ্জ ও মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে।
তিনি ৩৭তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের সদস্য।
প্রশাসনিক দক্ষতা ও জনবান্ধব আচরণের কারণে মাঠ প্রশাসনে তাঁর সুনাম রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, তাঁর এই অভিজ্ঞতা শেরপুর উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
উপজেলার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের গতি বৃদ্ধি পাবে। সরকারি সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছানো সহজ হবে। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও সুদৃঢ় হবে।
শেরপুর উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে এবং বর্তমান সরকারের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে মো. সাইদুজ্জামান হিমু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন—এমনটাই এখন স্থানীয় সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা।

আপনার মতামত লিখুন