বগুড়া শেরপুরে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী প্রয়াত ও জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ এবং তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) সন্ধ্যায় শেরপুর শহরের পল্লীবালা এলাকায় এক বীর মুক্তিযোদ্ধার বাসভবনে ‘মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের’ উদ্যোগে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান ও ত্যাগের কথা স্মরণ করে দোয়া পরিচালনা করা হয়। আয়োজক ও উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধা সন্তানরা জানান, দেশমাতৃকার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের সম্মান জানানো এবং তাঁদের আদর্শকে ধারণ করতেই এই মিলনমেলার আয়োজন।
উক্ত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন— বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান মোঃ আমিনুল ইসলাম, মোঃ সাজেদুল আলম সাজু, মোঃ আসাদুজ্জামান বুদ্ধি, শেখ ফরিদ বাবু, মাহবুব, আনিসুর, দেলোয়ার ও ফরহাদ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হিরা, ইলিয়াস, তোফাজ্জল হোসেন, আব্দুর রউফ রঞ্জু, শামীম, জাহাঙ্গীর, সরোয়ার হোসেন, সুজন, ময়নুল হক বাবু, জয়দেব, জিল্লুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
ইফতারের আগে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার শান্তি এবং জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মার্চ ২০২৬
বগুড়া শেরপুরে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী প্রয়াত ও জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ এবং তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) সন্ধ্যায় শেরপুর শহরের পল্লীবালা এলাকায় এক বীর মুক্তিযোদ্ধার বাসভবনে ‘মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের’ উদ্যোগে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান ও ত্যাগের কথা স্মরণ করে দোয়া পরিচালনা করা হয়। আয়োজক ও উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধা সন্তানরা জানান, দেশমাতৃকার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের সম্মান জানানো এবং তাঁদের আদর্শকে ধারণ করতেই এই মিলনমেলার আয়োজন।
উক্ত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন— বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান মোঃ আমিনুল ইসলাম, মোঃ সাজেদুল আলম সাজু, মোঃ আসাদুজ্জামান বুদ্ধি, শেখ ফরিদ বাবু, মাহবুব, আনিসুর, দেলোয়ার ও ফরহাদ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হিরা, ইলিয়াস, তোফাজ্জল হোসেন, আব্দুর রউফ রঞ্জু, শামীম, জাহাঙ্গীর, সরোয়ার হোসেন, সুজন, ময়নুল হক বাবু, জয়দেব, জিল্লুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
ইফতারের আগে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার শান্তি এবং জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন