বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, চিকিৎসক ও সাংবাদিকসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি তেল সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে জনসেবা বাধাগ্রস্ত না করতে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি শেরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ সাইদুজ্জামান হিমু স্বাক্ষরিত এক পত্রে উপজেলার সকল ফিলিং স্টেশন মালিক ও ম্যানেজারদের এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে উপচে পড়া ভিড় ও নানাবিধ সমস্যার মধ্যেও তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখায় মালিকপক্ষকে ধন্যবাদ জানানো হচ্ছে। তবে জরুরি সেবাগুলো সচল রাখতে পাম্পে তেল থাকা সাপেক্ষে নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের জন্য আলাদা লাইনের ব্যবস্থা করতে হবে।
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্বাস্থ্য সেবা (চিকিৎসক, নার্স ও অ্যাম্বুলেন্স), জরুরি বিদ্যুৎ সেবায় নিয়োজিত কর্মী, ব্যাংকার ও সাংবাদিকবৃন্দ।
নির্দেশনা অনুযায়ী, উল্লিখিত ব্যক্তিরা নির্ধারিত সময়ে তাদের বৈধ পরিচয়পত্র (ID Card) প্রদর্শনপূর্বক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে পারবেন। একইসাথে এই নির্দেশনাটি সাধারণ মানুষের অবগতির জন্য ফিলিং স্টেশনের দৃশ্যমান স্থানে টাঙিয়ে রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
শেরপুর উপজেলার মেসার্স কুদ্দুস এন্ড সন্স, স্বাক্ষর ফিলিং স্টেশন, তৌহিদ ফিলিং স্টেশন, বাবলু ফিলিং স্টেশন, মির্জাপুর ফিলিং স্টেশন, যমুনা ফিলিং স্টেশন, নাবিল ফিলিং স্টেশন, ফারজানা ফিলিং স্টেশন এবং বন্ধুয়াবাড়ী (তিনভাই) ফিলিং স্টেশনসহ সকল পাম্পকে এই আদেশ মেনে চলতে বলা হয়েছে।
এই আদেশের অনুলিপি জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে সদয় অবগতির জন্য পাঠানো হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিরা। তারা মনে করছেন, এর ফলে জরুরি সেবার গতিশীলতা বজায় থাকবে।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, চিকিৎসক ও সাংবাদিকসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি তেল সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে জনসেবা বাধাগ্রস্ত না করতে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি শেরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ সাইদুজ্জামান হিমু স্বাক্ষরিত এক পত্রে উপজেলার সকল ফিলিং স্টেশন মালিক ও ম্যানেজারদের এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে উপচে পড়া ভিড় ও নানাবিধ সমস্যার মধ্যেও তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখায় মালিকপক্ষকে ধন্যবাদ জানানো হচ্ছে। তবে জরুরি সেবাগুলো সচল রাখতে পাম্পে তেল থাকা সাপেক্ষে নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের জন্য আলাদা লাইনের ব্যবস্থা করতে হবে।
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্বাস্থ্য সেবা (চিকিৎসক, নার্স ও অ্যাম্বুলেন্স), জরুরি বিদ্যুৎ সেবায় নিয়োজিত কর্মী, ব্যাংকার ও সাংবাদিকবৃন্দ।
নির্দেশনা অনুযায়ী, উল্লিখিত ব্যক্তিরা নির্ধারিত সময়ে তাদের বৈধ পরিচয়পত্র (ID Card) প্রদর্শনপূর্বক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে পারবেন। একইসাথে এই নির্দেশনাটি সাধারণ মানুষের অবগতির জন্য ফিলিং স্টেশনের দৃশ্যমান স্থানে টাঙিয়ে রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
শেরপুর উপজেলার মেসার্স কুদ্দুস এন্ড সন্স, স্বাক্ষর ফিলিং স্টেশন, তৌহিদ ফিলিং স্টেশন, বাবলু ফিলিং স্টেশন, মির্জাপুর ফিলিং স্টেশন, যমুনা ফিলিং স্টেশন, নাবিল ফিলিং স্টেশন, ফারজানা ফিলিং স্টেশন এবং বন্ধুয়াবাড়ী (তিনভাই) ফিলিং স্টেশনসহ সকল পাম্পকে এই আদেশ মেনে চলতে বলা হয়েছে।
এই আদেশের অনুলিপি জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে সদয় অবগতির জন্য পাঠানো হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিরা। তারা মনে করছেন, এর ফলে জরুরি সেবার গতিশীলতা বজায় থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন