ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বহনকারী সি-১৩০জে বিমান বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেঁষা আসামের মোরানে জাতীয় মহাসড়কে অবতরণ করেছে। এই মহাসড়ক-কাম রানওয়ে (ইএলএফ) কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি পরিস্থিতিতে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমে ব্যবহার করার জন্য নির্মিত বলে জানা গেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, আসামের মোরানে জাতীয় সড়কে নির্মিত উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রথম জরুরি অবতরণ সুবিধা (ইএলএফ)-এ সি-১৩০জে সামরিক পরিবহন বিমানে অবতরণ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাজ্যে শিগগিরই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার প্রেক্ষাপটে একদিনের সফরের সূচনায় এই সামরিক বিমানে করে তিনি সেখানে অবতরণ করেন।
অবতরণের পর মোদি প্রায় ৪০ মিনিটের বিমান প্রদর্শনী উপভোগ করেন, যেখানে তেজস, সুখোই, রাফালসহ বিভিন্ন যুদ্ধবিমান অংশ নেয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে মোরান ইএলএফ-এর কৌশলগত গুরুত্ব আরও বেড়ে গেছে, কারণ ডিব্রুগড় থেকে বাংলাদেশের সিলেট সীমান্ত প্রায় ৬০০ কিলোমিটার, রংপুর সীমান্ত ৭০০ কিলোমিটার এবং চীনের সীমান্ত প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। জরুরি পরিস্থিতিতে ডিব্রুগড় বিমানবন্দর বা চাবুয়া বিমানঘাঁটি ব্যবহার না হলে এই সড়ক-কাম-রানওয়ে বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বহনকারী সি-১৩০জে বিমান বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেঁষা আসামের মোরানে জাতীয় মহাসড়কে অবতরণ করেছে। এই মহাসড়ক-কাম রানওয়ে (ইএলএফ) কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি পরিস্থিতিতে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমে ব্যবহার করার জন্য নির্মিত বলে জানা গেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, আসামের মোরানে জাতীয় সড়কে নির্মিত উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রথম জরুরি অবতরণ সুবিধা (ইএলএফ)-এ সি-১৩০জে সামরিক পরিবহন বিমানে অবতরণ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাজ্যে শিগগিরই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার প্রেক্ষাপটে একদিনের সফরের সূচনায় এই সামরিক বিমানে করে তিনি সেখানে অবতরণ করেন।
অবতরণের পর মোদি প্রায় ৪০ মিনিটের বিমান প্রদর্শনী উপভোগ করেন, যেখানে তেজস, সুখোই, রাফালসহ বিভিন্ন যুদ্ধবিমান অংশ নেয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে মোরান ইএলএফ-এর কৌশলগত গুরুত্ব আরও বেড়ে গেছে, কারণ ডিব্রুগড় থেকে বাংলাদেশের সিলেট সীমান্ত প্রায় ৬০০ কিলোমিটার, রংপুর সীমান্ত ৭০০ কিলোমিটার এবং চীনের সীমান্ত প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। জরুরি পরিস্থিতিতে ডিব্রুগড় বিমানবন্দর বা চাবুয়া বিমানঘাঁটি ব্যবহার না হলে এই সড়ক-কাম-রানওয়ে বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন