গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের আস্থার এক প্রতীক বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান সরকার। প্রাণের চেয়েও প্রিয় নেতার স্বনির্ভর, গণতান্ত্রিক, আধুনিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে জেলা শহরের অলিগলি ছাড়িয়ে অজপাড়া গাঁয়ের তৃণমূল মানুষের দ্বারে দুর্বার গতিতে ছুটে চলার সফরসঙ্গী তরুণ এই প্রতিবেদক।
সরকারি আজিজুল হক কলেজ থেকে বেড়ে ওঠা এই দায়িত্বশীল নেতৃত্বে বগুড়ার ছাত্রদল শুধুমাত্র সভা-সমাবেশ ও দলীয় স্লোগানের গণ্ডি পেরিয়ে মানবিক কর্মকাণ্ডে প্রশংসা কুড়াচ্ছে সর্বমহলে। উদ্দেশ্য জিয়া পরিবারের বিশ্বাসের মর্যাদা সততা ও নিষ্ঠার সাথে রক্ষার সংগ্রাম। মানুষের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে তৃণমূলের দ্বারে দ্বারে জেলা ছাত্রদলের সরব উপস্থিতি বিএনপির রাজনীতিতে আস্থা বৃদ্ধি করেছে। বগুড়া জেলা ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দের বিনম্রতায় সন্তুষ্ট মানুষ ও দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান সরকারের নেতৃত্বে তাদের দুরন্ত পথচলা অব্যাহত জনপ্রয়োজনে।
রাজনৈতিক কর্মসূচির বাইরেও প্রতিনিয়ত মানুষের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছেন হাবিবুর রশিদ সন্ধান। সম্প্রতি তার নেতৃত্বে গৃহীত বেশ কিছু মানবিক কর্মসূচি সাধারণ মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে। পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে প্রচলিত ইফতার মাহফিলের পরিবর্তে সেই অর্থ দিয়ে জেলার অসহায় মানুষের মাঝে মাসব্যাপী ইফতার সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন তিনি। তার নেতৃত্বে কখনও পথচারী, ছিন্নমূল, অবহেলিত, কখনও এতিম, সুবিধাবঞ্চিত, আবার কখনও বৃদ্ধাশ্রমে ইফতার সামগ্রী নিয়ে ছুটে যাচ্ছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
কেবল খাদ্য সহায়তা নয়, বরং শিক্ষার প্রসারেও কাজ করছেন তরুণ এই ছাত্রনেতা। অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে শহরের স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় ‘ছাত্রদলের প্রাক-প্রাথমিক পাঠশালা’ নামে একটি বিশেষ শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে জেলা ছাত্রদল। একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সন্ধানের নেতৃত্বে উদ্বোধন হওয়া এই পাঠশালায় শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও পাঠদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখানে শিশুদের জন্য বিনামূল্যে বই, খাতা, পেন্সিলসহ শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয় এবং মেধাবী ছাত্রদল নেতারা স্বেচ্ছাশ্রমে তাদের পাঠদান করেন। শিক্ষার প্রতি তার এই গভীর অনুরাগ বগুড়াবাসীকে মুগ্ধ করেছে।
জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে বগুড়ার রাজপথে সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন হাবিবুর রশিদ সন্ধান। বুলেট ও টিয়ারশেলের তোয়াক্কা না করে স্বৈরাচারী শক্তির বিরুদ্ধে রাজপথ আঁকড়ে ধরেছিলেন তিনি। সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের হাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা তুলে দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন, তার হৃদয়ে রয়েছে দেশপ্রেম আর নেতার প্রতি অগাধ বিশ্বাস ও ভালোবাসা। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ হবে একটি নিরাপদ ও বৈষম্যহীন আধুনিক রাষ্ট্র।
একজন আদর্শ নেতার প্রধান গুণ হলো নিজের কর্মীদের বিপদে পাশে থাকা। হাবিবুর রশিদ সন্ধান সরকার ঠিক সেই নেতৃত্বের প্রতীক। বিগত দিনের আন্দোলনে নির্যাতিত, কারাবন্দী ও দিনে বা রাতে অসুস্থ নেতাকর্মীদের বাড়িতে গিয়ে খোঁজখবর নেওয়া তার নিত্যদিনের কর্মকাণ্ড। কোনো নেতাকর্মীর আর্থিক সংকট থাকলে কিংবা কেউ অসুস্থ হলে তিনি বড় ভাইয়ের মতো পাশে দাঁড়ান। তার এই অভিভাবকসুলভ আচরণই বগুড়া জেলা ছাত্রদলকে একটি শক্তিশালী পরিবারের মতো ঐক্যবদ্ধ করে রেখেছে।
বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সবচেয়ে প্রশংসিত উদ্যোগ হলো ‘জেলা ছাত্রদল ব্লাড ব্যাংক’। বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে যখনই কোনো অসহায় রোগী রক্তের অভাবে সংকটে পড়েন, খবর পাওয়া মাত্রই সন্ধানের নির্দেশে ছাত্রদলের কর্মীরা সেখানে পৌঁছে যান। গভীর রাতেও বাইক নিয়ে রক্ত দিতে যাওয়ার দৃশ্য বগুড়াবাসীর কাছে আজও পরিচিত। সন্ধান সরকারের মতে, “একজন মুমূর্ষু রোগীর জীবন বাঁচাতে এক ব্যাগ রক্ত দেওয়া মানে একটি পরিবারের মুখে হাসি ফোটানো, আর এটাই জিয়া পরিবারের রাজনীতির শিক্ষা।”
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে হাবিবুর রশিদ সন্ধান সরকার সবসময় একটিই বার্তা দেন - “আমাদের নেতা জনাব তারেক রহমান যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে ছাত্রদলকে হতে হবে অতন্দ্র প্রহরী। মেধা ও সাহসের সমন্বয়ে আমাদের সামনের দিনগুলোর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।” তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা মনে করেন, যোগ্য নেতৃত্ব এবং ত্যাগের বিনিময়ে সন্ধান সরকার আজ বগুড়ার রাজনীতিতে আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন, যার প্রতিফলন আগামী দিনের রাজনীতিতে আরও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠবে।
সরেজমিনে জেলা ছাত্রদলের এই সভাপতির সফরসঙ্গী হয়ে দেখা যায়, তার নেতৃত্বের জাদুকরী স্পর্শে বগুড়া জেলা ছাত্রদল এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সুসংগঠিত। নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, হাবিবুর রশিদ সন্ধান সরকার কেবল একজন নেতাই নন, কর্মীদের বিপদে-আপদে তিনি একজন বড় ভাইয়ের মতো ছায়া হয়ে দাঁড়ান। রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে কোনো ষড়যন্ত্রই তাকে লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি।
বগুড়া জেলা ছাত্রদলের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তরুণ এই ছাত্রনেতা ব্যস্ত সময় পার করছেন জিয়া পরিবারের আস্থা বাস্তবায়নে। তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা, সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করা এবং মানবিক কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনের লক্ষ্যে অটল হাবিবুর রশিদ সন্ধান। রাজনৈতিক অঙ্গনে তার সক্রিয়তা ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব ইতোমধ্যেই বগুড়া জেলা ছাত্রদলের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, তার নেতৃত্বে বগুড়া জেলা ছাত্রদল ভবিষ্যতে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হয়ে উঠবে এবং জাতীয় রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের আস্থার এক প্রতীক বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান সরকার। প্রাণের চেয়েও প্রিয় নেতার স্বনির্ভর, গণতান্ত্রিক, আধুনিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে জেলা শহরের অলিগলি ছাড়িয়ে অজপাড়া গাঁয়ের তৃণমূল মানুষের দ্বারে দুর্বার গতিতে ছুটে চলার সফরসঙ্গী তরুণ এই প্রতিবেদক।
সরকারি আজিজুল হক কলেজ থেকে বেড়ে ওঠা এই দায়িত্বশীল নেতৃত্বে বগুড়ার ছাত্রদল শুধুমাত্র সভা-সমাবেশ ও দলীয় স্লোগানের গণ্ডি পেরিয়ে মানবিক কর্মকাণ্ডে প্রশংসা কুড়াচ্ছে সর্বমহলে। উদ্দেশ্য জিয়া পরিবারের বিশ্বাসের মর্যাদা সততা ও নিষ্ঠার সাথে রক্ষার সংগ্রাম। মানুষের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে তৃণমূলের দ্বারে দ্বারে জেলা ছাত্রদলের সরব উপস্থিতি বিএনপির রাজনীতিতে আস্থা বৃদ্ধি করেছে। বগুড়া জেলা ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দের বিনম্রতায় সন্তুষ্ট মানুষ ও দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান সরকারের নেতৃত্বে তাদের দুরন্ত পথচলা অব্যাহত জনপ্রয়োজনে।
রাজনৈতিক কর্মসূচির বাইরেও প্রতিনিয়ত মানুষের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছেন হাবিবুর রশিদ সন্ধান। সম্প্রতি তার নেতৃত্বে গৃহীত বেশ কিছু মানবিক কর্মসূচি সাধারণ মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে। পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে প্রচলিত ইফতার মাহফিলের পরিবর্তে সেই অর্থ দিয়ে জেলার অসহায় মানুষের মাঝে মাসব্যাপী ইফতার সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন তিনি। তার নেতৃত্বে কখনও পথচারী, ছিন্নমূল, অবহেলিত, কখনও এতিম, সুবিধাবঞ্চিত, আবার কখনও বৃদ্ধাশ্রমে ইফতার সামগ্রী নিয়ে ছুটে যাচ্ছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
কেবল খাদ্য সহায়তা নয়, বরং শিক্ষার প্রসারেও কাজ করছেন তরুণ এই ছাত্রনেতা। অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে শহরের স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় ‘ছাত্রদলের প্রাক-প্রাথমিক পাঠশালা’ নামে একটি বিশেষ শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে জেলা ছাত্রদল। একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সন্ধানের নেতৃত্বে উদ্বোধন হওয়া এই পাঠশালায় শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও পাঠদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখানে শিশুদের জন্য বিনামূল্যে বই, খাতা, পেন্সিলসহ শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয় এবং মেধাবী ছাত্রদল নেতারা স্বেচ্ছাশ্রমে তাদের পাঠদান করেন। শিক্ষার প্রতি তার এই গভীর অনুরাগ বগুড়াবাসীকে মুগ্ধ করেছে।
জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে বগুড়ার রাজপথে সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন হাবিবুর রশিদ সন্ধান। বুলেট ও টিয়ারশেলের তোয়াক্কা না করে স্বৈরাচারী শক্তির বিরুদ্ধে রাজপথ আঁকড়ে ধরেছিলেন তিনি। সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের হাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা তুলে দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন, তার হৃদয়ে রয়েছে দেশপ্রেম আর নেতার প্রতি অগাধ বিশ্বাস ও ভালোবাসা। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ হবে একটি নিরাপদ ও বৈষম্যহীন আধুনিক রাষ্ট্র।
একজন আদর্শ নেতার প্রধান গুণ হলো নিজের কর্মীদের বিপদে পাশে থাকা। হাবিবুর রশিদ সন্ধান সরকার ঠিক সেই নেতৃত্বের প্রতীক। বিগত দিনের আন্দোলনে নির্যাতিত, কারাবন্দী ও দিনে বা রাতে অসুস্থ নেতাকর্মীদের বাড়িতে গিয়ে খোঁজখবর নেওয়া তার নিত্যদিনের কর্মকাণ্ড। কোনো নেতাকর্মীর আর্থিক সংকট থাকলে কিংবা কেউ অসুস্থ হলে তিনি বড় ভাইয়ের মতো পাশে দাঁড়ান। তার এই অভিভাবকসুলভ আচরণই বগুড়া জেলা ছাত্রদলকে একটি শক্তিশালী পরিবারের মতো ঐক্যবদ্ধ করে রেখেছে।
বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সবচেয়ে প্রশংসিত উদ্যোগ হলো ‘জেলা ছাত্রদল ব্লাড ব্যাংক’। বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে যখনই কোনো অসহায় রোগী রক্তের অভাবে সংকটে পড়েন, খবর পাওয়া মাত্রই সন্ধানের নির্দেশে ছাত্রদলের কর্মীরা সেখানে পৌঁছে যান। গভীর রাতেও বাইক নিয়ে রক্ত দিতে যাওয়ার দৃশ্য বগুড়াবাসীর কাছে আজও পরিচিত। সন্ধান সরকারের মতে, “একজন মুমূর্ষু রোগীর জীবন বাঁচাতে এক ব্যাগ রক্ত দেওয়া মানে একটি পরিবারের মুখে হাসি ফোটানো, আর এটাই জিয়া পরিবারের রাজনীতির শিক্ষা।”
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে হাবিবুর রশিদ সন্ধান সরকার সবসময় একটিই বার্তা দেন - “আমাদের নেতা জনাব তারেক রহমান যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে ছাত্রদলকে হতে হবে অতন্দ্র প্রহরী। মেধা ও সাহসের সমন্বয়ে আমাদের সামনের দিনগুলোর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।” তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা মনে করেন, যোগ্য নেতৃত্ব এবং ত্যাগের বিনিময়ে সন্ধান সরকার আজ বগুড়ার রাজনীতিতে আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন, যার প্রতিফলন আগামী দিনের রাজনীতিতে আরও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠবে।
সরেজমিনে জেলা ছাত্রদলের এই সভাপতির সফরসঙ্গী হয়ে দেখা যায়, তার নেতৃত্বের জাদুকরী স্পর্শে বগুড়া জেলা ছাত্রদল এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সুসংগঠিত। নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, হাবিবুর রশিদ সন্ধান সরকার কেবল একজন নেতাই নন, কর্মীদের বিপদে-আপদে তিনি একজন বড় ভাইয়ের মতো ছায়া হয়ে দাঁড়ান। রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে কোনো ষড়যন্ত্রই তাকে লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি।
বগুড়া জেলা ছাত্রদলের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তরুণ এই ছাত্রনেতা ব্যস্ত সময় পার করছেন জিয়া পরিবারের আস্থা বাস্তবায়নে। তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা, সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করা এবং মানবিক কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনের লক্ষ্যে অটল হাবিবুর রশিদ সন্ধান। রাজনৈতিক অঙ্গনে তার সক্রিয়তা ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব ইতোমধ্যেই বগুড়া জেলা ছাত্রদলের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, তার নেতৃত্বে বগুড়া জেলা ছাত্রদল ভবিষ্যতে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হয়ে উঠবে এবং জাতীয় রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন