বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে তিন ব্যক্তিকে ১০ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের আড়ংশাইল গ্রামে অভিযান চালিয়ে এই দণ্ডাদেশ প্রদান করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আড়ংশাইল এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আইন অমান্য করে পুকুর খনন ও মাটি পরিবহন করা হচ্ছিল। সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহামুদুল হাসান। অভিযানে শেরপুর থানা-পুলিশের একটি দল সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন: মো. রাকিব (২৩): শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে। মো. আরমান (২৬): একই এলাকার লাল মিয়া প্রামাণিকের ছেলে। মো. আল-আমিন (২৩): কাহালু উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের আবু সাইদের ছেলে।
বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে দোষী সাব্যস্ত করে ওই তিনজনকে সাজা দেওয়া ছাড়াও ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থল থেকে চারটি ডাম্প ট্রাক আটক করেন। মাটি খনন যন্ত্রের (এক্সকাভেটর) ব্যাটারি জব্দ করেন।
জব্দকৃত মালামাল বর্তমানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের হেফাজতে রয়েছে। তবে অভিযানের সময় মূল হোতা বা পুকুর মালিককে পাওয়া না যাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের জন্য অর্ডারশিটের মাধ্যমে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহামুদুল হাসান জানান, অবৈধ মাটি কাটার ফলে কৃষি জমি নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বেপরোয়া মাটিবাহী ট্রাকের কারণে গ্রামীণ রাস্তাঘাট মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জনস্বার্থে এবং সরকারি সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরকে (এলজিইডি) প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শেরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহিদুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন যে, দণ্ডপ্রাপ্ত তিনজনকে আজ শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে তিন ব্যক্তিকে ১০ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের আড়ংশাইল গ্রামে অভিযান চালিয়ে এই দণ্ডাদেশ প্রদান করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আড়ংশাইল এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে আইন অমান্য করে পুকুর খনন ও মাটি পরিবহন করা হচ্ছিল। সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহামুদুল হাসান। অভিযানে শেরপুর থানা-পুলিশের একটি দল সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন: মো. রাকিব (২৩): শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে। মো. আরমান (২৬): একই এলাকার লাল মিয়া প্রামাণিকের ছেলে। মো. আল-আমিন (২৩): কাহালু উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের আবু সাইদের ছেলে।
বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে দোষী সাব্যস্ত করে ওই তিনজনকে সাজা দেওয়া ছাড়াও ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থল থেকে চারটি ডাম্প ট্রাক আটক করেন। মাটি খনন যন্ত্রের (এক্সকাভেটর) ব্যাটারি জব্দ করেন।
জব্দকৃত মালামাল বর্তমানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের হেফাজতে রয়েছে। তবে অভিযানের সময় মূল হোতা বা পুকুর মালিককে পাওয়া না যাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের জন্য অর্ডারশিটের মাধ্যমে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহামুদুল হাসান জানান, অবৈধ মাটি কাটার ফলে কৃষি জমি নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বেপরোয়া মাটিবাহী ট্রাকের কারণে গ্রামীণ রাস্তাঘাট মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জনস্বার্থে এবং সরকারি সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরকে (এলজিইডি) প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শেরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহিদুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন যে, দণ্ডপ্রাপ্ত তিনজনকে আজ শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন