উপনির্বাচনকে সামনে রেখে বগুড়ায় পূর্বনির্ধারিত সফর স্থগিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ১০ মার্চ তাঁর ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। তবে নির্বাচনী বিধি বিবেচনায় সফরটি আপাতত বাতিল করা হয়েছে।আজ মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ১০ মার্চের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে নতুন তারিখ জানানো হবে।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ (সদর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি ঢাকা-১৭ আসন থেকেও বিজয়ী হন। বিধি অনুযায়ী শপথের আগে তিনি বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেন।প্রধানমন্ত্রীর ছেড়ে দেওয়া এ আসনে আগামী ৯ এপ্রিল উপনির্বাচনের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। এতে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন দলের জেলা কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা।রেজাউল করিম বাদশা বলেন, বগুড়া সদর আসনে উপনির্বাচন চলমান থাকায় এ সময়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি আয়োজন করলে নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের প্রশ্ন উঠতে পারত। তিনি দাবি করেন, নিয়মের মধ্যেই থাকতে চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।এর আগে ২৭ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বগুড়ার শিবগঞ্জ সফরে এসে সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধনে বগুড়ায় আসবেন প্রধানমন্ত্রী।আগামী ৯ এপ্রিল বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। উপনির্বাচনে এবার বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মোট তিনজন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
অনলাইন জরিপ
সারাদেশ
রাজনীতি
উপনির্বাচনকে সামনে রেখে বগুড়ায় পূর্বনির্ধারিত সফর স্থগিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ১০ মার্চ তাঁর ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। তবে নির্বাচনী বিধি বিবেচনায় সফরটি আপাতত বাতিল করা হয়েছে।আজ মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ১০ মার্চের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে নতুন তারিখ জানানো হবে।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ (সদর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি ঢাকা-১৭ আসন থেকেও বিজয়ী হন। বিধি অনুযায়ী শপথের আগে তিনি বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেন।প্রধানমন্ত্রীর ছেড়ে দেওয়া এ আসনে আগামী ৯ এপ্রিল উপনির্বাচনের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। এতে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন দলের জেলা কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা।রেজাউল করিম বাদশা বলেন, বগুড়া সদর আসনে উপনির্বাচন চলমান থাকায় এ সময়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি আয়োজন করলে নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের প্রশ্ন উঠতে পারত। তিনি দাবি করেন, নিয়মের মধ্যেই থাকতে চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।এর আগে ২৭ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বগুড়ার শিবগঞ্জ সফরে এসে সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধনে বগুড়ায় আসবেন প্রধানমন্ত্রী।আগামী ৯ এপ্রিল বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। উপনির্বাচনে এবার বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মোট তিনজন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
বগুড়ার শেরপুরে ইফতার ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা ও রাজনীতিবিদ আরিফুর রহমান মিলন। সোমবার (২ মার্চ) সন্ধ্যায় শেরপুরের ধুনট মোড় বন্দর মটর শ্রমিক কল্যাণ সংস্থার আয়োজনে এক ইফতার মাহফিলে তিনি এই ঘোষণা দেন।আরিফুর রহমান মিলন শেরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। বর্তমানে তিনি বগুড়া জেলা বাস-মিনি কোচ ও মাইক্রোবাস পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।ধুনট মোড় সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, শেরপুর-ধুনট বন্দর মটর শ্রমিক কল্যাণ সংস্থার সভাপতি শওকত খন্দকার। সাধারণ সম্পাদক রাজু মোল্লার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জানে আলম মিন্টু, কার্যকরী সভাপতি, শেরপুর-ধুনট বন্দর মটর শ্রমিক কল্যাণ সংস্থা। মোখলেছুর রহমান, শহর তাঁতী দলের সভাপতি ওশেরপুর-ধুনট বন্দর মটর শ্রমিক কল্যাণ সংস্থা উপদেষ্টা।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি নেতা সোবহান মেম্বার, কাজল মেম্বার, ফজলুল হক সেটু মিস্ত্রি, মোজাম ড্রাইভার,উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং শেরপুর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ইফতার মাহফিলে অংশ নেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে দোয়া চেয়ে আরিফুর রহমান মিলন বলেন, "জনগণের সেবা এবং শ্রমিক অধিকার রক্ষায় আমি সবসময় মাঠে ছিলাম। আগামী নির্বাচনে আপনাদের দোয়া ও সমর্থন নিয়ে আবারও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়তে চাই।" তার এই ঘোষণার পরপরই উপস্থিত নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা দেয়।অনুষ্ঠানে শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে দোয়া এবং মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার দীর্ঘদিন ধরে মোকামতলায় ছিল শুধুমাত্র একটি মহিলা কলেজ। ফলে এ অঞ্চলসহ আশপাশের গ্রামের অসংখ্য ছেলেশিক্ষার্থীকে উচ্চশিক্ষার জন্য যেতে হতো বহু দূরে। আর্থিক সীমাবদ্ধতা, যাতায়াতের দুর্ভোগ ও অনিশ্চয়তার কারণে অনেকের শিক্ষাজীবন মাঝপথেই থেমে যেত। এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল, একটি পূর্ণাঙ্গ কলেজ, যেখানে স্থানীয় ছেলেমেয়েরা নিজ এলাকায় থেকেই উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে। অবশেষে সেই প্রত্যাশার বাস্তব রূপ দিতে এগিয়ে আসেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জননেতা মীর শাহে আলম এমপি। তার আহবানে সাড়া দিয়ে মোকামতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুরে আলম মামুন তালুকদার ও তাঁর ভাই বিশিষ্ট ব্যবসায়ী চয়ন তালুকদার কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য উদারভাবে ১০০ শতক জমি দান করেন। এরই ধারাবাহিকতায় সরকারি বরাদ্দে নব-নির্মিত মীর শাহে আলম-ছাত্তার তালুকদার মহাবিদ্যালয় ভবনের নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। আজ ২৮ ফেব্রুয়ারি, শনিবার দুপুর ২টায় মহাবিদ্যালয়টির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি।কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর মাহবুব হাসান, বিদ্যালয় পরিদর্শক শামীম হাসান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল ওহাব, মোকামতলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রোকন-উদ-দৌলা রুবেলসহহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সুধীজন।এদিকে, প্রতিমন্ত্রী আগমনের খবরে পুরো এলাকায় আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে। নানা শ্রেণী পেশার মানুষ ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সংবর্ধিত করা হয়।
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকল্প দুটির উদ্বোধন করেন।উপজেলা শিশু পার্ক চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিমন্ত্রী আধুনিক ডাকবাংলো নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। জানা যায়, শিবগঞ্জ প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখানে কোনো ডাকবাংলো ছিল না। দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে নির্মিতব্য এই ডাকবাংলো সরকারি কর্মকর্তা, অতিথি ও আগতদের জন্য মানসম্মত আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করবে এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ কোটি টাকা।এসময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিবগঞ্জসহ দেশের সার্বিক উন্নয়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।এছাড়াও বেলা সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার হাতিবাঁধা–অনন্তবালা সড়কের শীলাদেবী ঘাট এলাকায় করতোয়া নদীর ওপর ৫৯০ মিটার দীর্ঘ আরসিসি গার্ডার (ঝুলন্ত) সেতুর নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। গুরুত্বপূর্ণ এই সেতু নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ কোটি ৫৬ লাখ টাকা।সেতুটি নির্মিত হলে করতোয়া নদী তীরবর্তী মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগের অবসান ঘটবে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে ভোগান্তি কমবে এবং কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থী ও রোগীদের চলাচল সহজ হবে। ফলে স্থানীয় অর্থনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে ১৪ উপজেলায় একটি করে ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড চালু করছে সরকার। আর এই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করতে আগামী ১০ মার্চ বগুড়ায় যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।নারীদের স্বাবলম্বী করতে প্রতি কার্ডে আড়াই হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে ফ্যামিলি কার্ড চালু করতে গঠিত কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপরপ্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়ায় এই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। সারাদেশের ১৪টি উপজেলায় প্রাথমিকভাবে এই কার্ড প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়েছে।এ ছাড়াও নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বলেন, বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে সরকার ১৪টি ইউনিয়নের ১৪টি ওয়ার্ডকে বাছাই করেছে। তিনি আরও বলেন, আগামী ১০ মার্চ এই কর্মসূচি পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হবে। পরে প্রতিটি উপজেলাকে এই সুবিধার আওতায় নিয়ে আসা হবে। এই ফ্যামিল কার্ড হবে সার্বজনীন।
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে এতিমখানায় ইফতার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান বলেছেন, “রমজান আমাদের আত্মশুদ্ধি, সংযম ও সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়। সমাজের অসহায় ও এতিম শিশুদের পাশে দাঁড়ানোই এ মাসের প্রকৃত তাৎপর্য।”বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) শহরের শাকপালা তালিমুন্নেছা বালিকা মাদ্রাসায় বগুড়া জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।প্রধান অতিথি আরও বলেন, “আমরা আনুষ্ঠানিক ইফতার মাহফিলের পরিবর্তে সিদ্ধান্ত নিয়েছি - এই অর্থ দিয়ে এতিম শিশুদের পুরো রমজান মাসের ইফতারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করব। তাদের মুখের হাসিই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”ইফতার সামগ্রী বিতরণকালে স্থানীয় এতিমখানা কর্তৃপক্ষ বগুড়া জেলা ছাত্রদলের এই মহতী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, এ ধরনের সহানুভূতিশীল উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেবে এবং অন্য সংগঠনগুলোকেও মানবিক কাজে উৎসাহিত করবে। বগুড়া জেলা ছাত্রদলের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক নুরে তালহার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় মানবিক এ আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মশিউর রহমান, রুহুল আমিন, আহসান হাবিব, ফয়সাল আহমেদ, অলিউর রহমান অলি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক, মিরাজ হোসেন নূর, ইমরান হোসেন, সহ সাধারণ সম্পাদক মাহির শাহরিয়ার, জিতু সরকার, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সামিউল ইসলাম স্বপ্ন, দপ্তর সম্পাদক সোহান ইসলাম, শহর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান রিমন, সহ সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক সৈকত হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক সিজান সরকার, সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাজিবুল ইসলাম শাকিল, যুগ্ম-আহবায়ক রিয়াজ আহমেদ, সানভীর সিয়াম, আল আমিন সনি, নাফিউল সীন, সরকারি শাহ্ সুলতান কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হিরা, যুগ্ম-আহবায়ক জাকিরুল ইসলাম, রাজু আহমেদ, ২০নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের আহবায়ক তুরাগ, ১২নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল, ধুনট উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক মিরাজসহ ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।