দৃষ্টি প্রতিদিন
সর্বশেষ

 সারাদেশ সারাদেশ

মতামতমতামত

‘কাজ শেষ না করে আমরা কোথাও যাচ্ছি না’

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস পদত্যাগ করছেন না উল্লেখ করে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, আমরা আমাদের কাজ শেষ না করে কোথাও যাচ্ছি না। শনিবার একনেক বৈঠকের পর হওয়া উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে শুরু হওয়া বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টিকারী বিষয়গুলো চিহ্নিত করা এবং সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের বিষয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, তিনি চলে যাবেন বলেননি। তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) বলেছেন, আমরা যে কাজ করছি, আমাদের সামনে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাতে অনেক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আমরা সব বাধা অতিক্রম করব।অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর অর্পিত দায়িত্বের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ এর ওপর নির্ভর করছে। আমরা এ দায়িত্ব ছেড়ে যেতে পারি না।পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, আমরা দেখছি বিভিন্ন জায়গা থেকে কী কী বাধা আসছে, কে কী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং আমরা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কী কী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে।উপদেষ্টা রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, বিচার বিভাগ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসহ সব পক্ষের সমর্থন চেয়ে বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে থাকা সব শক্তি এবং সব রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে আমরা এ লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করার আহ্বান জানাব। এটা শুধু আমাদের একার দায়িত্ব নয়।ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ আরও বলেন, উপদেষ্টারা স্বপ্রণোদিতভাবে এখানে আসেননি। তবে তাদের একটি জাতীয় দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে এবং তারা তা ছেড়ে যাবেন না।আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের রূপরেখা নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করেননি উপদেষ্টা।

এলডিসির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নীতির পুনর্মূল্যায়ন জরুরি

বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি নীতিমালা  : এলডিসি পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয়তা এবং চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত অধ্যাপক লুৎফে সিদ্দিকী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান।মূল প্রবন্ধে ড. সেলিম রায়হান বলেন, রাজস্ব খাতে সংস্কারের অভাব এবং প্রত্যক্ষ করের মাধ্যমে কর বৃদ্ধিতে সরকারের ব্যর্থতার ফলে পরোক্ষ কর ও আমদানি করের ওপর ব্যাপক নির্ভরতা দেখা দিচ্ছে। প্রতিযোগী দেশগুলোর চেয়ে বাংলাদেশের আমদানি শুল্ক হার অনেক বেশি। রপ্তানি খাতও শুধু তৈরি পোশাকে সীমাবদ্ধ। তাও আবার পোশাকের প্রবৃদ্ধি নগদ প্রণোদনা ও কর ছাড়ের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী চাপ সামলাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি নতুন রপ্তানি পণ্য ও নতুন বাজার খোঁজা উচিত।প্রধান অতিথির বক্তব্যে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যকার কাঠামোগত সংস্কার জরুরি। তবে যে গতিতে বর্তমানে সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম। সত্যিকার অর্থে শিল্প খাতসহ অন্য সেক্টরে কোনো দীর্ঘমেয়াদে রোডম্যাপ নেই, যা হতাশার বিষয়। এলডিসি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের পাশাপাশি সরকারের সংস্থাগুলোর মধ্যকার সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশকে এলডিসি উত্তরণ করতেই হবে। এখান থেকে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। তবে এলডিসি পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের উচ্চমানের তৈরি পোশাক, ওষুধ এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের ওপর বেশি হারে মনোযোগী হতে হবে। তিনি আরও বলেন, এলডিসি উত্তরণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিল্প-কারখানা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা মধ্যে সমন্বয় ও পারস্পরিক আস্থা-বিশ্বাস বৃদ্ধির বিকল্প নেই। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য (কাস্টমস) কাজী মোস্তাফিজুর রহমান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নেন বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের জয়েন্ট চিফ (ইন্টারন্যাশাল কো-অপারেশন ডিভিশন) মসিউল ইসলাম, বেসিসের সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, ডেল্টা ফার্মা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. জাকির হোসেন এবং ফকির ফ্যাশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফকির কামরুজ্জামান নাহিদ প্রমুখ।

অনিয়মে জর্জরিত ‘ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স’, ঝুঁকিতে ব্যান্ডউইথ নিরাপত্তা

নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়মকানুন উপেক্ষা করে একে একে আইআইজি, আইটিসি, আইজিডব্লিউসহ ইন্টারনেট-টেলিকম খাতের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ লাইসেন্স দখলে নেয় আওয়ামী সুবিধাভোগী এ প্রতিষ্ঠান। এসব লাইসেন্স অর্জনে রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রশাসনিক সুবিধা ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।সংশ্লিষ্ট সূত্র ও নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি), দেশের অভ্যন্তরের আইটিসি প্রতিষ্ঠান এবং এয়ারটেল ও টাটার মতো শীর্ষ ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ওয়ান এশিয়ার মোট বকেয়ার পরিমাণ ২৩ কোটি টাকারও বেশি। বিটিআরসির কাছেই এর বকেয়া প্রায় ৪ কোটি টাকা। বিএসসিসিএল-এর কাছে রয়েছে আরও ১ কোটি টাকার বেশি। অপরদিকে টেলিকম জায়ান্ট এয়ারটেল তাদের ১৩ কোটি টাকার এবং টাটা ৫ কোটি টাকার বকেয়া দাবি করছে। এদিকে বকেয়া আদায়ে নানাভাবে চেষ্টা করে না পেয়ে ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স-এর বিরুদ্ধে বিএসসিপিএলসি ঢাকা জেলা জজ আদালতে ‘আরবিট্রেশন মামলা’ দায়ের করে। এর রায়ে তারা জয়ী হয়। সেই রায়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটি ‘অ্যাওয়ার্ড এক্সিকিউশন মামলা’ করে, যা এখনো চলমান রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তারা সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, যেন লাইসেন্স বাতিল না হয় এবং তাদের ব্যবসা চালু রাখা যায়। ইতোমধ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে তারা এনওসিও নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিটিআরসির একটি সূত্র।ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্স একসময় আইআইজি, আইটিসি ও আইজিডব্লিউ লাইসেন্স নিয়ে টেলিকম বাজারে প্রবেশ করলেও সময়ের সঙ্গে শর্ত লঙ্ঘন করে একাধিক অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে। তাদের মালিকানাধীন বেঙ্গল ব্রডব্যান্ড ২০১৬ সালে ডিভিশনাল আইএসপি লাইসেন্স পেলেও নবায়ন না করেই বর্তমানে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি এর মালিকানাধীন প্রিজমা ডিজিটাল নেটওয়ার্কের রয়েছে ন্যাশন ওয়াইড আইএসপি লাইসেন্স।এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বারবার মোবালইল ফোনে কল, হোয়াটসঅ্যাপ ও এসএমএসে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় ওয়ান এশিয়া অ্যালায়ন্সের মূল প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল কমিউনিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসফারিয়া খায়েরের সঙ্গে। তবে তিনি সাড়া দেননি। পরে পুনরায় চেষ্টা করলে দেখা যায়, তিনি প্রতিবেদকের নম্বরই ব্লক করে দিয়েছেন।বিটিআরসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ওয়ান এশিয়া অ্যালায়েন্সকে মোট বকেয়ার ৫০ শতাংশ এককালীন পরিশোধ এবং বাকি অংশ কিস্তিতে পরিশোধের শর্তে এনওসি প্রদান করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত মাত্র ১ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে বলে তিনি জানান।ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, আইএসপি সেক্টরের সেবাদান নির্ভর করে আইআইজি ও ব্যান্ডউইথ সরবরাহকারীদের ওপর। কেউ যদি কোটি টাকা বকেয়া রেখে অনিয়ম করে, তা গ্রাহকের নিরাপত্তা ও নিরবচ্ছিন্ন সংযোগের জন্য হুমকি। তবে নেপথ্যে যদি নীতিগত বা কাঠামোগত কোনো সমস্যা থাকে, সেটাও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম নিয়ম ও নীতিমালার আলোকে পর্যালোচনা জরুরি। এক্ষেত্রে যদি কোনো প্রতিষ্ঠান বকেয়া বা নীতিগত ব্যত্যয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে তা ন্যায্যতার ভিত্তিতে সমাধান হওয়া উচিত। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসলাম হোসেন যুগান্তরকে বলেন, দীর্ঘদিন তাগাদা দিলেও প্রতিষ্ঠানটি পাওনা পরিশোধ করেনি, চিঠির জবাবও দেয়নি। এখন তাদের কাউকে খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে মামলা করেছি।ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়ব যুগান্তরকে বলেন, আমরা চাই, ব্যবসায়ীরা স্বচ্ছন্দে ব্যবসা করুক, গ্রাহকদের সেবা দিক। কিন্তু সরকারের পাওনা পরিশোধ না করে কেউ যদি অনিয়মে জড়ায়, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।

অধ্যাদেশ বিলুপ্তির দাবিতে কর্মবিরতি কর্মসূচি চলবে

ন কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে তাদের স্লোগান দিতে দেখা যায়। এনবিআরের অধীনস্থ সারা দেশের অন্য সব অফিসেও একইভাবে কর্মসূচি পালিত হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজে বিকাল ৩টা পর্যন্ত কোনো কাজ হয়নি। ভ্যাট ও কর অফিসেও সেবা বন্ধ ছিল। তবে রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা কাযক্রম চলমান ছিল। শনিবার এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার এদিপ বিল্লাহ, উপকর কমিশনার মোস্তফিজুর রহমান, সহকারী কর কমিশনার ইশতিয়াক হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের দাবি অত্যন্ত যৌক্তিক, যা ইতোমধ্যেই দেশের প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ ও থিংকট্যাংকসহ সর্বমহলে স্বীকৃতি পেয়েছে। এনবিআর তথা রাজস্ব প্রশাসনের আমূল সংস্কার আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি। তবে এই সংস্কার হতে হবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃত সর্বোত্তম ব্যবস্থা ও পদ্ধতির অনুরূপ। দেশের স্বার্থ ও উন্নয়ন দর্শন এতে সঠিকভাবে প্রতিফলিত হতে হবে। এছাড়া রাজস্ব প্রশাসন অধিকতর কার্যকর, প্রগতিশীল ও দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে এবং এ সংস্কার বিশেষ কারও স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হবে না। কিন্তু রাজস্ব ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের স্বার্থে আমাদের এমন যৌক্তিক দাবি মেনে নিতে সরকার কেন, কী কারণে এবং কাদের প্ররোচনায় বিলম্ব করছে, তা বোধগম্য নয়।    এতে আরও বলা হয়, আজ (শনিবার) সকাল থেকেই এনবিআর ভবনের অভ্যন্তরে এবং বাইরে বিপুলসংখ্যক পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি রয়েছে। এ বিষয়টি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মনে নানা ধরনের প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলন করতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু এখন দেখছি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে। তবে রোববারও একইভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেখানে হস্তক্ষেপ করবে, সেখানে তারা প্রেস ব্রিফিং করবেন।ভিন্নমত যাদের: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর ও কাস্টমস ক্যাডারের কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ‘দাবি আদায়ের নামে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এখন যা হচ্ছে তা রীতিমতো সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান। এটি সম্পূর্ণ শৃঙ্খলাপরিপন্থি কাজ, সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি এসব কর্মকাণ্ড পারমিট করে না।’ তারা মনে করেন, এনবিআর বিলুপ্ত করে যে গেজেট করা হয়েছে সেখানে প্রত্যাশার অনেক কিছু চলে এসেছে। যেটুকু অবশিষ্ট আছে তা পরবর্তী সংশোধনী ও বিধি প্রণয়নের মাধ্যমে সংযোজন করা সম্ভব। এজন্য এভাবে আন্দোলন করার প্রয়োজন ছিল না। বিষয়টিকে পুনরায় আলোচনার টেবিলে নিয়ে গেলে ভালো হতো। 

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:০৭ পিএম
দেশের ক্ষুদ্র ও  মাঝারি শিল্পের অর্থনৈতিক সংকট কাটতে  বিদেশি সহযোগিতার বিকল্প নেই।

দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অর্থনৈতিক সংকট কাটতে বিদেশি সহযোগিতার বিকল্প নেই।

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

অন্যের জীবন বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবন দিলেন ফায়ার সার্ভিস কর্মী

শাহ বন্দেগী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান আরিফ

রাষ্ট্রপতি, স্পিকার ও নতুন মন্ত্রিসভা প্রায় চূড়ান্ত, যারা থাকতে পারেন মন্ত্রী সভায়

বগুড়ায় আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম গ্রেফতার

প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-২ পদে এস. এম.পারভেজকে নিয়োগ

বগুড়া আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন

বগুড়ায় আবারও উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় জাতীয় পতাকা উত্তোল

দেশবাসীকে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপির শুভেচ্ছা

কারাবন্দি উপজেলা আ.লীগের সভাপতির মৃত্যু

১০

গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউট ছাত্রাবাসে ভয়ংকর টর্চার সেল

জনপ্রিয় সব খবর

দুবলাগাড়ী কলেজে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

প্রধানমন্ত্রীর ১০ মার্চের বগুড়া সফর স্থগিত

ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়ার ঘোষণা দিলেন আরিফুর রহমান মিলন

নির্বাহী আদেশে ২ দিন ছুটি দিলে ঈদের ছুটিহতে পারে ১০ দিন

মাদকমুক্ত থানার প্রতিশ্রুতি ও জনগণের আস্থা অর্জন

নবনিযুক্ত গাসিক প্রশাসক শওকত হোসেনকে সাংস্কৃতিক জোটের ফুলেল শুভেচ্ছা

সাতক্ষীরার শ্যামনগরের প্রেসক্লাবের সভাপতির ওপর সন্ত্রাসী হামলা

মধুপুরে ইরানে আমেরিকা ও ইসরায়েলের আগ্রাসী হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন

কামারপাড়া হাট-এ ১২তম রমজানে ব্যবসায়ীদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

১০

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর হামলা: হ্যান্ডকাফসহ আসামি ছিনতাই!

সর্বশেষ সব খবর

 বানিজ্য বানিজ্য

নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের পরিচয়

নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের পরিচয়

আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে মোস্তাকুর রহমানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এ তথ্য জানা গেছে।মো. মোস্তাকুর রহমান একজন কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট (সিএমএ)। তার পোস্ট-কোয়ালিফিকেশন অভিজ্ঞতা ৩৩ বছরেরও বেশি। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগ থেকে বি.কম (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।মোস্তাকুর রহমান বিভিন্ন মর্যাদাপূর্ণ পেশাজীবী ও শিল্পসংক্রান্ত সংগঠনের সদস্য ছিলেন। যেমন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ), রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আরইএইচএবি), অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (এটিএবি) এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। তিনি এসব সংগঠনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেডসহ বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অভিজ্ঞতা তার রয়েছে।মোস্তাকুর রহমান একজন উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী এবং একই সঙ্গে একজন জ্যেষ্ঠ আর্থিক শাসন (ফাইন্যান্সিয়াল গভর্ন্যান্স) বিশেষজ্ঞ। করপোরেট ফাইন্যান্স, রপ্তানি অর্থনীতি, প্রাতিষ্ঠানিক শাসন এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় তার নেতৃত্বমূলক অভিজ্ঞতা ৩০ বছরেরও বেশি। আর্থিক তদারকি, নিয়ন্ত্রক সম্মতি, ব্যাংকিং খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং পুঁজি ব্যবস্থাপনায় তিনি সুপ্রতিষ্ঠিত দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।শিল্প ও উদ্যোক্তা নেতৃত্বউৎপাদন, রিয়েল এস্টেট, কৃষিভিত্তিক উদ্যোগ এবং বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানসহ একাধিক খাতে তার বিস্তৃত নেতৃত্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে তিনি আর্থিক পরিকল্পনা, বিনিয়োগ তদারকি ও সুশাসন কাঠামোর দায়িত্ব পালন করেছেন। শিল্প ও বাণিজ্য সংগঠনে তার বিভিন্ন ভূমিকায় আর্থিক স্থিতিশীলতা, শিল্প অর্থায়ন এবং অর্থনৈতিক টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে কাঠামোবদ্ধ সংলাপে তিনি উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন।এ ছাড়া সুদৃঢ় টেকনোক্র্যাটিক বিচারবোধ, প্রশ্নাতীত নৈতিকতা ও ফিডিউশিয়ারি শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতার প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারের জন্য তিনি সুপরিচিত। নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে তার গভীর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা রয়েছে:আর্থিক ব্যবস্থার সুশাসন, ব্যাংকিং ও শিল্প অর্থায়ন, রপ্তানি অর্থায়ন ও বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা, প্রাতিষ্ঠানিক ঝুঁকি তদারকি, করপোরেট ও নিয়ন্ত্রক সম্মতি, পুঁজি কাঠামো ও তারল্য ব্যবস্থাপনা, বোর্ড গভর্ন্যান্স ও ফিডিউশিয়ারি দায়িত্ব, কৌশলগত অর্থনৈতিক পরিকল্পনা, আর্থিক প্রতিবেদন ও জবাবদিহিতা, স্টেকহোল্ডার সম্পৃক্ততা ও নীতিগত সংলাপ, টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশ সুরক্ষা

ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর

ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর

শনিবার (২৪ মে) সকালে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনে দেশের প্রথম ক্রেডিট এনহ্যান্সমেন্ট স্কিম উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন তিনি।গভর্নর বলেন, ‘নতুন নোটে থাকবে দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনা। ঈদে বাজারে প্রথমে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নতুন নোট আসবে।’টাঁকশাল থেকে জানা গেছে, ২০ টাকার নোট ছাপা প্রায় সম্পন্ন। আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এর পরে ৫০ ও ১০০০ টাকার নোট বাংলাদেশ ব্যাংককে বুঝিয়ে দেবে টাঁকশাল। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেবে এই টাকা কবে বাজারে আসবে।টাঁকশাল জানিয়েছে, নতুন নকশার নোট ছাপাতে ১ থেকে দেড় বছর সময় লাগে। আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। গত ডিসেম্বরে নতুন নকশার নোট বাজারে আনার সিদ্ধান্ত নেয় এই সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় টাঁকশাল চলতি মাসে নতুন নকশার নোট ছাপানো শুরু করে।টাঁকশাল আরও জানায়, একসঙ্গে ৩টি নোটের বেশি ছাপানোর সক্ষমতা নেই টাঁকশালের। তাই প্রথম ধাপে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোট ছাপানো হচ্ছে।এদিকে গভর্নর জানিয়েছে, পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনা অন্তর্বর্তী সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার।তিনি বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রচারিত হওয়ায় তা ফেরত পাঠাতে চাপ তৈরি হয়েছে। পাচারকৃত অর্থ ফ্রিজ করায় অর্থ ফেরত আনার প্রথম ধাপ সম্পন্ন হয়েছে।’গভর্নর বলেন, ‘স্কিমের আওতায় পিকেএসএফ অংশীদার এমএফআই গুলোকে ২৪০ কোটি টাকার রিজার্ভ তহবিল ভিত্তিতে ব্যাংক ঋণ গ্যারান্টি দেবে। ঋণের গ্যারান্টি অনুযায়ী এককালীন ০.৫ শতাংশ কমিশন আদায় করা হবে। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যাংক ঋণ পাওয়া সহজ হবে।’

পিছিয়ে পড়ছে দেশের সম্ভাবনাময় এসএমই খাত

পিছিয়ে পড়ছে দেশের সম্ভাবনাময় এসএমই খাত

ল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান মনে করেন, এসএমই খাত শুধু ব্যবসা নয়, দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। দেশে সত্যিকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এ খাতের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তিনি বলেন, এসএমই উদ্যোক্তারা তাদের লাভের ৩০ শতাংশই পুনরায় বিনিয়োগ করেন, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।এসএমই হচ্ছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের উদ্যোগ বা ব্যবসা। এই উদ্যোগে কর্মী এবং রাজস্বের পরিমাণ নির্দিষ্ট সীমার নিচে। বিশ্বের কোম্পানিগুলোর ৯০ শতাংশ এবং মোট কর্মসংস্থানে ৫০ শতাংশের বেশি এসএমই খাতে। এ কারণে বিশ্বব্যাংক, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এসএমইকে ব্যাপক গুরুত্ব দিচ্ছে। এসএমই নিয়ে তাদের আলাদা নীতিমালা রয়েছে।বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ব্যবসার ৯৯ শতাংশ এবং অস্ট্রেলিয়ার ৯৮ শতাংশ এসএমই। তবে এ খাতে রয়েছে তহবিল সংকট।বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ২০২১ সালের গ্লোবাল ফিনডেক্স ডাটাবেজ অনুসারে, আনুষ্ঠানিক, নারী-মালিকানাধীন এসএমইর জন্য ১ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের তহবিল ঘাটতি রয়েছে। এসএমই ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুসারে বর্তমানে দেশে এ শিল্পের সংখ্যা ১ কোটি ১৮ লাখ। আর এ খাতে কর্মসংস্থান হয়েছে ৩ কোটি ৬০ লাখ মানুষের। অর্থাৎ শিল্প খাতে দেশে কর্মসংস্থানের ৮৭ শতাংশই এ খাতের।

বাজেটে কৃষি খাতে ৪০ শতাংশ উন্নয়ন বরাদ্দের দাবি

বাজেটে কৃষি খাতে ৪০ শতাংশ উন্নয়ন বরাদ্দের দাবি

বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত সমাবেশে এসব দাবি জানানো হয়। সমাবেশ শেষে মিছিল নিয়ে অর্থ উপদেষ্টা বরাবর ১২ দাফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি দেওয়া হয়।সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি বজলুর রশীদ ফিরোজের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তৃতা করেন- কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস, সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদীন মুকুল, শফিউর রহমান শফি, অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম পল্টু, অ্যাডভোকেট আসাদুল ইসলাম প্রমুখ। সমাবেশে বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, কৃষি হচ্ছে বাংলাদেশের বৃহত্তম খাত; কিন্তু এই খাতটি দীর্ঘদিন ধরেই চরম অবহেলার শিকার। দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪৫ শতাংশ এবং গ্রামীণ নারীদের প্রায় ৬০ শতাংশ কৃষিতে নিয়োজিত। কৃষি খাত দেশের জিডিপিতে ১১ দশমিক ২ শতাংশ অবদান রাখলেও সরকারিভাবে এর গুরুত্ব নেই বললেই চলে। কৃষি ও কৃষক ক্ষেতমজুর না বাঁচলে দেশ বাঁচবে না। কৃষি ও কৃষকের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত না হলে, দেশের অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তাও ঝুঁকির মুখে পড়বে।তিনি বলেন, কৃষি উপকরণের দাম যেমন বেড়েই চলেছে, তেমনি কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এর ফলে প্রতিবছর প্রায় ১১ লাখ কৃষক জমি হারিয়ে ভূমিহীন হয়ে পড়ছে। বাজার ভরে গেছে ভেজাল সার, বীজ ও কীটনাশকে। যার ফলে কৃষকরা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। ক্ষেতমজুরদের বছরে গড় কাজ থাকে ১৮০ দিনেরও কম। ‘আমি রেটে’ গ্রামীণ রেশনিং ব্যবস্থা চালুর দাবিও বছরের পর বছর ধরে উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে।দেশের অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে হলে খাদ্য নিরাপত্তাকে প্রাধান্য দিয়ে কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। এ লক্ষ্যে তিনি জাতীয় বাজেটে কৃষি খাতে উন্নয়ন বরাদ্দের ৪০ শতাংশ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান তিনি। তাদের দাবিগুলো হলো- 

 সারাদেশ সারাদেশ

দুবলাগাড়ী কলেজে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

দুবলাগাড়ী কলেজে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

বগুড়ার বগুড়া জেলার শাজাহানপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দুবলাগাড়ী ডিগ্রী কলেজ-এর উদ্যোগে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ মাহফিলে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে এক হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ রাশেদ মোহাম্মদ সাজ্জাদুর রহমান। তিনি তাঁর বক্তব্যে রমজানের শিক্ষা ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে বাস্তবায়নের আহ্বান জানান এবং শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, মানবিকতা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার পরামর্শ দেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক শাহীন। তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের ধর্মীয় ও সামাজিক আয়োজন শিক্ষার্থীদের মাঝে সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদার করে। তিনি কলেজের সার্বিক উন্নয়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নে গভর্নিং বডির পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গভর্নিং বডির বিদ্যুৎসাহী সদস্য মোজাফ্ফর রহমান, ইট ব্যবসায়ী আহসান হাবীব রবিন জরখিছ, আব্দুল রাজ্জাক বুলে, নুরুল হুদা নাইচ, আকরাম হোসেন, অভিভাবক সদস্য বেলাল হোসেন, সহকারী অধ্যাপক ও শিক্ষক প্রতিনিধি মসিয়ূর রহমান, সাবিনা ইয়াসমিন, সহকারী অধ্যাপক শাফিকুল ইসলাম আজাদ ও রফিকুল ইসলামসহ উপজপলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও সুপারগণ।অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে দেশ ও জাতির কল্যাণ, শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এবং প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। দোয়া শেষে উপস্থিত সকলের মাঝে ইফতার পরিবেশন করা হয়।ইফতার মাহফিলে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মচারী, অভিভাবক এবং এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। সামগ্রিকভাবে আয়োজনটি ছিল সুশৃঙ্খল, শান্তিপূর্ণ ও আধ্যাত্মিক আবহে ভরপুর—যা উপস্থিত সবার মাঝে প্রশংসিত হয়।

১৩ ঘন্টা আগে

 সারাদেশ সারাদেশ

দুবলাগাড়ী কলেজে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

দুবলাগাড়ী কলেজে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

বগুড়ার বগুড়া জেলার শাজাহানপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দুবলাগাড়ী ডিগ্রী কলেজ-এর উদ্যোগে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ মাহফিলে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে এক হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ রাশেদ মোহাম্মদ সাজ্জাদুর রহমান। তিনি তাঁর বক্তব্যে রমজানের শিক্ষা ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে বাস্তবায়নের আহ্বান জানান এবং শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, মানবিকতা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার পরামর্শ দেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক শাহীন। তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের ধর্মীয় ও সামাজিক আয়োজন শিক্ষার্থীদের মাঝে সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদার করে। তিনি কলেজের সার্বিক উন্নয়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নে গভর্নিং বডির পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গভর্নিং বডির বিদ্যুৎসাহী সদস্য মোজাফ্ফর রহমান, ইট ব্যবসায়ী আহসান হাবীব রবিন জরখিছ, আব্দুল রাজ্জাক বুলে, নুরুল হুদা নাইচ, আকরাম হোসেন, অভিভাবক সদস্য বেলাল হোসেন, সহকারী অধ্যাপক ও শিক্ষক প্রতিনিধি মসিয়ূর রহমান, সাবিনা ইয়াসমিন, সহকারী অধ্যাপক শাফিকুল ইসলাম আজাদ ও রফিকুল ইসলামসহ উপজপলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও সুপারগণ।অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে দেশ ও জাতির কল্যাণ, শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এবং প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। দোয়া শেষে উপস্থিত সকলের মাঝে ইফতার পরিবেশন করা হয়।ইফতার মাহফিলে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মচারী, অভিভাবক এবং এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। সামগ্রিকভাবে আয়োজনটি ছিল সুশৃঙ্খল, শান্তিপূর্ণ ও আধ্যাত্মিক আবহে ভরপুর—যা উপস্থিত সবার মাঝে প্রশংসিত হয়।

১৩ ঘন্টা আগে

 রাজনীতি রাজনীতি

প্রধানমন্ত্রীর ১০ মার্চের বগুড়া সফর স্থগিত

প্রধানমন্ত্রীর ১০ মার্চের বগুড়া সফর স্থগিত

উপনির্বাচনকে সামনে রেখে বগুড়ায় পূর্বনির্ধারিত সফর স্থগিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ১০ মার্চ তাঁর ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। তবে নির্বাচনী বিধি বিবেচনায় সফরটি আপাতত বাতিল করা হয়েছে।আজ মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ১০ মার্চের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে নতুন তারিখ জানানো হবে।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ (সদর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি ঢাকা-১৭ আসন থেকেও বিজয়ী হন। বিধি অনুযায়ী শপথের আগে তিনি বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেন।প্রধানমন্ত্রীর ছেড়ে দেওয়া এ আসনে আগামী ৯ এপ্রিল উপনির্বাচনের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। এতে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন দলের জেলা কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা।রেজাউল করিম বাদশা বলেন, বগুড়া সদর আসনে উপনির্বাচন চলমান থাকায় এ সময়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি আয়োজন করলে নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের প্রশ্ন উঠতে পারত। তিনি দাবি করেন, নিয়মের মধ্যেই থাকতে চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।এর আগে ২৭ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বগুড়ার শিবগঞ্জ সফরে এসে সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধনে বগুড়ায় আসবেন প্রধানমন্ত্রী।আগামী ৯ এপ্রিল বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। উপনির্বাচনে এবার বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মোট তিনজন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়ার ঘোষণা দিলেন আরিফুর রহমান মিলন

শেরপুরে মটর শ্রমিক কল্যাণ সংস্থার ইফতার মাহফিলে: / ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়ার ঘোষণা দিলেন আরিফুর রহমান মিলন

বগুড়ার শেরপুরে ইফতার ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা ও রাজনীতিবিদ আরিফুর রহমান মিলন। সোমবার (২ মার্চ) সন্ধ্যায় শেরপুরের ধুনট মোড় বন্দর মটর শ্রমিক কল্যাণ সংস্থার আয়োজনে এক ইফতার মাহফিলে তিনি এই ঘোষণা দেন।আরিফুর রহমান মিলন শেরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। বর্তমানে তিনি বগুড়া জেলা বাস-মিনি কোচ ও মাইক্রোবাস পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।ধুনট মোড় সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, শেরপুর-ধুনট বন্দর মটর শ্রমিক কল্যাণ সংস্থার সভাপতি শওকত খন্দকার। সাধারণ সম্পাদক রাজু মোল্লার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জানে আলম মিন্টু, কার্যকরী সভাপতি, শেরপুর-ধুনট বন্দর মটর শ্রমিক কল্যাণ সংস্থা। মোখলেছুর রহমান, শহর তাঁতী দলের সভাপতি ওশেরপুর-ধুনট বন্দর মটর শ্রমিক কল্যাণ সংস্থা উপদেষ্টা।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি নেতা  সোবহান মেম্বার, কাজল মেম্বার, ফজলুল হক সেটু মিস্ত্রি, মোজাম ড্রাইভার,উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং শেরপুর উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ইফতার মাহফিলে অংশ নেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে দোয়া চেয়ে আরিফুর রহমান মিলন বলেন, "জনগণের সেবা এবং শ্রমিক অধিকার রক্ষায় আমি সবসময় মাঠে ছিলাম। আগামী নির্বাচনে আপনাদের দোয়া ও সমর্থন নিয়ে আবারও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়তে চাই।" তার এই ঘোষণার পরপরই উপস্থিত নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা দেয়।অনুষ্ঠানে শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে দোয়া এবং মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

স্বপ্ন থেকে বাস্তব: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের উদ্যোগে মোকামতলায় কলেজ প্রতিষ্ঠা / বগুড়ায় ভিত্তিপ্রস্তর স্হাপন অনুষ্ঠানে মোকামতলার সার্বিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিলেন প্রতিমন্ত্রী

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার দীর্ঘদিন ধরে মোকামতলায় ছিল শুধুমাত্র একটি মহিলা কলেজ। ফলে এ অঞ্চলসহ আশপাশের গ্রামের অসংখ্য ছেলেশিক্ষার্থীকে উচ্চশিক্ষার জন্য যেতে হতো বহু দূরে। আর্থিক সীমাবদ্ধতা, যাতায়াতের দুর্ভোগ ও অনিশ্চয়তার কারণে অনেকের শিক্ষাজীবন মাঝপথেই থেমে যেত। এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল, একটি পূর্ণাঙ্গ কলেজ, যেখানে স্থানীয় ছেলেমেয়েরা নিজ এলাকায় থেকেই উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারবে। অবশেষে সেই প্রত্যাশার বাস্তব রূপ দিতে এগিয়ে আসেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জননেতা মীর শাহে আলম এমপি। তার আহবানে সাড়া দিয়ে মোকামতলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুরে আলম মামুন তালুকদার ও তাঁর ভাই বিশিষ্ট ব্যবসায়ী চয়ন তালুকদার কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য উদারভাবে ১০০ শতক জমি দান করেন। এরই ধারাবাহিকতায় সরকারি বরাদ্দে নব-নির্মিত মীর শাহে আলম-ছাত্তার তালুকদার মহাবিদ্যালয় ভবনের নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। আজ ২৮ ফেব্রুয়ারি, শনিবার দুপুর ২টায় মহাবিদ্যালয়টির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি।কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর মাহবুব হাসান, বিদ্যালয় পরিদর্শক শামীম হাসান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল ওহাব, মোকামতলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রোকন-উদ-দৌলা রুবেলসহহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সুধীজন।এদিকে, প্রতিমন্ত্রী আগমনের খবরে পুরো এলাকায় আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে। নানা শ্রেণী পেশার মানুষ ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সংবর্ধিত করা হয়।

বগুড়ায় ভিত্তিপ্রস্তর স্হাপন অনুষ্ঠানে মোকামতলার সার্বিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিলেন প্রতিমন্ত্রী

কোটি টাকার দুটি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

‎বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকল্প দুটির উদ্বোধন করেন।‎উপজেলা শিশু পার্ক চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিমন্ত্রী আধুনিক ডাকবাংলো নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। জানা যায়, শিবগঞ্জ প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখানে কোনো ডাকবাংলো ছিল না। দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে নির্মিতব্য এই ডাকবাংলো সরকারি কর্মকর্তা, অতিথি ও আগতদের জন্য মানসম্মত আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করবে এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ কোটি টাকা।এসময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিবগঞ্জসহ দেশের সার্বিক উন্নয়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।‎এছাড়াও বেলা সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার হাতিবাঁধা–অনন্তবালা সড়কের শীলাদেবী ঘাট এলাকায় করতোয়া নদীর ওপর ৫৯০ মিটার দীর্ঘ আরসিসি গার্ডার (ঝুলন্ত) সেতুর নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। গুরুত্বপূর্ণ এই সেতু নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ কোটি ৫৬ লাখ টাকা।‎সেতুটি নির্মিত হলে করতোয়া নদী তীরবর্তী মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগের অবসান ঘটবে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে ভোগান্তি কমবে এবং কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থী ও রোগীদের চলাচল সহজ হবে। ফলে স্থানীয় অর্থনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।‎অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

কোটি টাকার দুটি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পড়ে প্রথম বগুড়ায় যাবেন ১০ মার্চ

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে ১৪ উপজেলায় একটি করে ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড চালু করছে সরকার। আর এই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করতে আগামী ১০ মার্চ বগুড়ায় যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।নারীদের স্বাবলম্বী করতে প্রতি কার্ডে আড়াই হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে ফ্যামিলি কার্ড চালু করতে গঠিত কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপরপ্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়ায় এই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। সারাদেশের ১৪টি উপজেলায় প্রাথমিকভাবে এই কার্ড প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়েছে।এ ছাড়াও নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বলেন, বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে সরকার ১৪টি ইউনিয়নের ১৪টি ওয়ার্ডকে বাছাই করেছে। তিনি আরও বলেন, আগামী ১০ মার্চ এই কর্মসূচি পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হবে। পরে প্রতিটি উপজেলাকে এই সুবিধার আওতায় নিয়ে আসা হবে। এই ফ্যামিল কার্ড হবে সার্বজনীন।

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পড়ে প্রথম বগুড়ায় যাবেন ১০ মার্চ

এতিমদের পাশে দাঁড়ানোই রমজানের প্রকৃত শিক্ষা - হাবিবুর রশিদ সন্ধান

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে এতিমখানায় ইফতার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান বলেছেন, “রমজান আমাদের আত্মশুদ্ধি, সংযম ও সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়। সমাজের অসহায় ও এতিম শিশুদের পাশে দাঁড়ানোই এ মাসের প্রকৃত তাৎপর্য।”বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) শহরের শাকপালা তালিমুন্নেছা বালিকা মাদ্রাসায় বগুড়া জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে আয়োজিত ইফতার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।প্রধান অতিথি আরও বলেন, “আমরা আনুষ্ঠানিক ইফতার মাহফিলের পরিবর্তে সিদ্ধান্ত নিয়েছি - এই অর্থ দিয়ে এতিম শিশুদের পুরো রমজান মাসের ইফতারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করব। তাদের মুখের হাসিই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”ইফতার সামগ্রী বিতরণকালে স্থানীয় এতিমখানা কর্তৃপক্ষ বগুড়া জেলা ছাত্রদলের এই মহতী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, এ ধরনের সহানুভূতিশীল উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেবে এবং অন্য সংগঠনগুলোকেও মানবিক কাজে উৎসাহিত করবে। বগুড়া জেলা ছাত্রদলের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক নুরে তালহার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় মানবিক এ আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মশিউর রহমান, রুহুল আমিন, আহসান হাবিব, ফয়সাল আহমেদ, অলিউর রহমান অলি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক, মিরাজ হোসেন নূর, ইমরান হোসেন, সহ সাধারণ সম্পাদক মাহির শাহরিয়ার, জিতু সরকার, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সামিউল ইসলাম স্বপ্ন, দপ্তর সম্পাদক সোহান ইসলাম, শহর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান রিমন, সহ সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক সৈকত হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক সিজান সরকার, সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাজিবুল ইসলাম শাকিল, যুগ্ম-আহবায়ক রিয়াজ আহমেদ, সানভীর সিয়াম, আল আমিন সনি, নাফিউল সীন, সরকারি শাহ্ সুলতান কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হিরা, যুগ্ম-আহবায়ক জাকিরুল ইসলাম, রাজু আহমেদ, ২০নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের আহবায়ক তুরাগ, ১২নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল, ধুনট উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহবায়ক মিরাজসহ ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

এতিমদের পাশে দাঁড়ানোই রমজানের প্রকৃত শিক্ষা - হাবিবুর রশিদ সন্ধান

 সারাদেশ সারাদেশ

সকল জেলার খবর

আর্কাইভ

 সারাদেশ সারাদেশ

দুবলাগাড়ী কলেজে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

দুবলাগাড়ী কলেজে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

বগুড়ার বগুড়া জেলার শাজাহানপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দুবলাগাড়ী ডিগ্রী কলেজ-এর উদ্যোগে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ মাহফিলে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে এক হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ রাশেদ মোহাম্মদ সাজ্জাদুর রহমান। তিনি তাঁর বক্তব্যে রমজানের শিক্ষা ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে বাস্তবায়নের আহ্বান জানান এবং শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, মানবিকতা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার পরামর্শ দেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক শাহীন। তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের ধর্মীয় ও সামাজিক আয়োজন শিক্ষার্থীদের মাঝে সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদার করে। তিনি কলেজের সার্বিক উন্নয়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নে গভর্নিং বডির পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গভর্নিং বডির বিদ্যুৎসাহী সদস্য মোজাফ্ফর রহমান, ইট ব্যবসায়ী আহসান হাবীব রবিন জরখিছ, আব্দুল রাজ্জাক বুলে, নুরুল হুদা নাইচ, আকরাম হোসেন, অভিভাবক সদস্য বেলাল হোসেন, সহকারী অধ্যাপক ও শিক্ষক প্রতিনিধি মসিয়ূর রহমান, সাবিনা ইয়াসমিন, সহকারী অধ্যাপক শাফিকুল ইসলাম আজাদ ও রফিকুল ইসলামসহ উপজপলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও সুপারগণ।অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে দেশ ও জাতির কল্যাণ, শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এবং প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। দোয়া শেষে উপস্থিত সকলের মাঝে ইফতার পরিবেশন করা হয়।ইফতার মাহফিলে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মচারী, অভিভাবক এবং এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। সামগ্রিকভাবে আয়োজনটি ছিল সুশৃঙ্খল, শান্তিপূর্ণ ও আধ্যাত্মিক আবহে ভরপুর—যা উপস্থিত সবার মাঝে প্রশংসিত হয়।

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন