বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় ভাড়ায় নেওয়া একটি ডিএসএলআর ক্যামেরা ফেরত না দিয়ে টালবাহানা ও চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করা হয়েছে।
গত শুক্রবার (১ মে) ভুক্তভোগী আব্দুল হাসিব বাদী হয়ে শাজাহানপুর থানায় এ জিডি করেন।
অভিযুক্তরা হলেন উপজেলার ডেমাজানী গ্রামের এনামুল হকের ছেলে নাঈমুর রহমান নাঈম (২৫), তার বাবা এনামুল হক মিঠু (৪৫) এবং একই গ্রামের হেলাল মাস্টার (৫০)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ডেমাজানী বাজারে ক্যামেরা ভাড়ার ব্যবসা পরিচালনা করেন আব্দুল হাসিব। গত ১০ জানুয়ারি তার ব্যবসায়িক অংশীদার শুভর মাধ্যমে দৈনিক ৫০০ টাকা ভাড়ায় ৭৬ হাজার ৭০০ টাকা মূল্যের একটি ক্যামেরা ভাড়া নেন নাঈম। ভাড়া নেওয়ার সাতদিন পর তিনি ৫০০ টাকা পরিশোধ করে জানান, ক্যামেরাটি কক্সবাজারে রয়েছে এবং দুই দিনের মধ্যে ফেরত দেওয়া হবে।
কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও ক্যামেরা ফেরত না পাওয়ায় এক মাস পর উভয় পক্ষের সম্মতিতে ১০০ টাকার স্ট্যাম্পে একটি লিখিত চুক্তি সম্পাদিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, ১৯ হাজার টাকা জামানতসহ ৭ দিনের মধ্যে ক্যামেরা ফেরত না দিলে নতুন ক্যামেরা কিনে দেওয়া এবং ক্যামেরা ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত দৈনিক ভাড়া পরিশোধের কথা উল্লেখ করা হয়।
ভুক্তভোগী আব্দুল হাসিব অভিযোগ করেন, চুক্তির পরও নাঈম ক্যামেরা ফেরত না দিয়ে আত্মগোপন করেন। বিষয়টি তার পরিবারকে জানানো হলে অভিযুক্তের বাবা এনামুল হক মিঠু অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এক সালিশি বৈঠকে নতুন ক্যামেরা কিনে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও নির্ধারিত সময়ের আগেই অভিযুক্তরা জামানতের টাকা ফেরত দাবি করে গালিগালাজ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এতে নিরুপায় হয়ে তিনি আইনের আশ্রয় নেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত এনামুল হক মিঠু বলেন, ক্যামেরাটি ভাড়া নেওয়ার বিষয়টি সত্য, তবে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে সেটি হারিয়ে গেছে। তারা আনুমানিক মূল্যে ক্যামেরা কিনে দিতে প্রস্তুত আছেন। তবে বাদীর কাছে থাকা জামানতের টাকা ফেরত পেলে বাকি টাকা যোগ করে ক্যামেরা কিনে দিতে চান। কিন্তু বাদীপক্ষ ক্যামেরা হাতে না পাওয়া পর্যন্ত জামানত ফেরত দিতে রাজি নন।
শাজাহানপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসিব ইকবাল জানান, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় ভাড়ায় নেওয়া একটি ডিএসএলআর ক্যামেরা ফেরত না দিয়ে টালবাহানা ও চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করা হয়েছে।
গত শুক্রবার (১ মে) ভুক্তভোগী আব্দুল হাসিব বাদী হয়ে শাজাহানপুর থানায় এ জিডি করেন।
অভিযুক্তরা হলেন উপজেলার ডেমাজানী গ্রামের এনামুল হকের ছেলে নাঈমুর রহমান নাঈম (২৫), তার বাবা এনামুল হক মিঠু (৪৫) এবং একই গ্রামের হেলাল মাস্টার (৫০)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ডেমাজানী বাজারে ক্যামেরা ভাড়ার ব্যবসা পরিচালনা করেন আব্দুল হাসিব। গত ১০ জানুয়ারি তার ব্যবসায়িক অংশীদার শুভর মাধ্যমে দৈনিক ৫০০ টাকা ভাড়ায় ৭৬ হাজার ৭০০ টাকা মূল্যের একটি ক্যামেরা ভাড়া নেন নাঈম। ভাড়া নেওয়ার সাতদিন পর তিনি ৫০০ টাকা পরিশোধ করে জানান, ক্যামেরাটি কক্সবাজারে রয়েছে এবং দুই দিনের মধ্যে ফেরত দেওয়া হবে।
কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও ক্যামেরা ফেরত না পাওয়ায় এক মাস পর উভয় পক্ষের সম্মতিতে ১০০ টাকার স্ট্যাম্পে একটি লিখিত চুক্তি সম্পাদিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, ১৯ হাজার টাকা জামানতসহ ৭ দিনের মধ্যে ক্যামেরা ফেরত না দিলে নতুন ক্যামেরা কিনে দেওয়া এবং ক্যামেরা ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত দৈনিক ভাড়া পরিশোধের কথা উল্লেখ করা হয়।
ভুক্তভোগী আব্দুল হাসিব অভিযোগ করেন, চুক্তির পরও নাঈম ক্যামেরা ফেরত না দিয়ে আত্মগোপন করেন। বিষয়টি তার পরিবারকে জানানো হলে অভিযুক্তের বাবা এনামুল হক মিঠু অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এক সালিশি বৈঠকে নতুন ক্যামেরা কিনে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও নির্ধারিত সময়ের আগেই অভিযুক্তরা জামানতের টাকা ফেরত দাবি করে গালিগালাজ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এতে নিরুপায় হয়ে তিনি আইনের আশ্রয় নেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত এনামুল হক মিঠু বলেন, ক্যামেরাটি ভাড়া নেওয়ার বিষয়টি সত্য, তবে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে সেটি হারিয়ে গেছে। তারা আনুমানিক মূল্যে ক্যামেরা কিনে দিতে প্রস্তুত আছেন। তবে বাদীর কাছে থাকা জামানতের টাকা ফেরত পেলে বাকি টাকা যোগ করে ক্যামেরা কিনে দিতে চান। কিন্তু বাদীপক্ষ ক্যামেরা হাতে না পাওয়া পর্যন্ত জামানত ফেরত দিতে রাজি নন।
শাজাহানপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসিব ইকবাল জানান, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন